<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মতামত Archives - Report71.com</title>
	<atom:link href="https://oldwp.report71.com/category/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af/%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a4/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://oldwp.report71.com/category/অন্যান্য/মতামত/</link>
	<description>Report71.com</description>
	<lastBuildDate>Tue, 17 Jun 2025 11:06:25 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.1</generator>
	<item>
		<title>মানুষ মৃত্যুর পর যা যা আশা করবে</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 May 2025 14:59:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top 6]]></category>
		<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[ভিন্ন খবর]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=98039</guid>

					<description><![CDATA[<p>মানুষ তার আশা অনুযায়ী চেষ্টা সাধনা করে, সে কখনো কখনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু মৃত্যু-পরবর্তী জীবন-যে জীবনে মানুষ অনেক কিছুই আশা করবে, তার কোনোটা বিন্দুমাত্র বাস্তবায়ন করার সুযোগ পাবে না। নিম্নে আমরা মানুষ মৃত্যুর পর কী কী আশা করবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হলো- এক. দ্রুত কাফন দাফন করার আশা করবে। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন জানাজা (খাটিয়ায়) রাখা হয় এবং পুরুষ লোকেরা তা তাদের কাঁধে তুলে নেয়, সে পুণ্যবান হলে তখন বলতে থাকে, আমাকে সামনে এগিয়ে দাও। আর পুণ্যবান না হলে সে আপন পরিজনকে</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be/">মানুষ মৃত্যুর পর যা যা আশা করবে</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষ তার আশা অনুযায়ী চেষ্টা সাধনা করে, সে কখনো কখনো লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু মৃত্যু-পরবর্তী জীবন-যে জীবনে মানুষ অনেক কিছুই আশা করবে, তার কোনোটা বিন্দুমাত্র বাস্তবায়ন করার সুযোগ পাবে না। নিম্নে আমরা মানুষ মৃত্যুর পর কী কী আশা করবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হলো-</p>
<p>এক. </p>
<p>দ্রুত কাফন দাফন করার আশা করবে। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন জানাজা (খাটিয়ায়) রাখা হয় এবং পুরুষ লোকেরা তা তাদের কাঁধে তুলে নেয়, সে পুণ্যবান হলে তখন বলতে থাকে, আমাকে সামনে এগিয়ে দাও। আর পুণ্যবান না হলে সে আপন পরিজনকে বলতে থাকে, হায় আফসোস! এটা নিয়ে তোমরা কোথায় যাচ্ছ? মানুষ ছাড়া সবাই তার চিৎকার শুনতে পায়। মানুষ যদি তা শুনতে পেত তবে অবশ্যই অজ্ঞান হয়ে যেত।’ ( বুখারি, হাদিস, ১৩১৬ )।</p>
<p>দুই. </p>
<p>সৎ লোক আশা করবে যাতে দ্রুত কিয়ামত কায়েম হয়ে যায়। যেন সে চিরস্থায়ী ও সম্মানের আসনে আসীন হতে পারে। আর পাপিষ্ঠ কেয়ামত না হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। মুমিন ব্যক্তি বলবে, হে আল্লাহ! তুমি কিয়ামত কায়েম করে ফেলো। হে আল্লাহ! তুমি কিয়ামত কায়েম করে ফেলো। আমি যেন আমার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের কাছে যেতে পারি। কাফির বলবে, হে আমার রব! তুমি কিয়ামত কায়েম কোরো না। ( মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৮৫৩৪ )।</p>
<p>তিন. </p>
<p>পরিবার-পরিজনকে তার অবস্থা জানানোর আকাঙ্ক্ষা করবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কবরে সওয়াল জওয়াবের পর মুমিন ব্যক্তিকে বলা হবে, তুমি ঘুমিয়ে থাকো। তখন সে বলবে, আমার পরিবার-পরিজনকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য আমি তাদের কাছে ফিরে যেতে চাই। তারা উভয়ে (মুনকার-নাকির) বলবেন, বাসর ঘরের বরের মতো তুমি এখানে এমন গভীর ঘুম দাও, যাতে তোমার পরিবারের সবচেয়ে প্রিয়জন ছাড়া আর কোনো ব্যক্তি জাগিয়ে তুলতে পারে না। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ১০৭১)।</p>
<p>চার.</p>
<p>আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাতবরণকারী আশা করবে তাঁকে পুনরায় দুনিয়াতে পাঠানো হোক, যাতে তিনি আবার আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাতবরণ করতে পারেন। আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জান্নাতে প্রবেশের পর আর কেউ দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করবে না, যদিও দুনিয়ার সব জিনিস তাকে দেওয়া হবে। একমাত্র শহীদ ছাড়া, তিনি দুনিয়ায় ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করবেন, যেন ১০ বার শহীদ হতে পারেন। কেননা তিনি শাহাদাতের মর্যাদা দেখেছেন।’ (বুখারি, হাদিস : ২৮১৭)।</p>
<p>পাঁচ. </p>
<p>মৃত ব্যক্তি যখন নিজ চোখে কবরে দেখতে পাবেন নামাজের এত এত প্রতিদান। তখন তিনি পুনরায় জীবিত হয়ে নামাজ পড়ার আকাঙ্ক্ষা করবেন। রাসুল (সা.) একবার এক কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি সাহাবাদের বলেন, এটা কার কবর? সাহাবারা বলেন, অমুকের। তখন রাসুল (সা.) বলেন, এই ব্যক্তির কাছে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা পুরো পৃথিবীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ।’ (ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ৭৭১৫ )।</p>
<p>ছয়. </p>
<p>সম্পদ সদকা করার আশা করবেন। সদকা করা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় আমল। এবং সদকা আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়। </p>
<p>আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি তোমাদের যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় কোরো, তোমাদের কারো মৃত্যু আসার আগে। কেননা তখন সে বলবে, হে আমার রব, যদি আপনি আমাকে আরো কিছু কাল পর্যন্ত অবকাশ দিতেন, তাহলে আমি দান-সদাকা করতাম। আর সৎ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। আর আল্লাহ কখনো কোনো প্রাণকেই অবকাশ দেবেন না, যখন তার নির্ধারিত সময় এসে যাবে। আর তোমরা যা কোরো সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত।’ (সুরা মুনাফিকুন, আয়াত : ১০-১১ )।</p>
<p>সাত. </p>
<p>সৎ আমল করার আকাঙ্ক্ষা করবে। দুনিয়াতে তাঁকে যদি কিছুক্ষণের জন্য ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে সে আল্লাহ তাআলার আনুগত্যের মাঝেই কাটিয়ে দেওয়ার বাসনা করবে। </p>
<p>ইরশাদ হয়েছে, ‘অবশেষে যখন তাদের কারো মৃত্যু আসে, সে বলে, হে আমার রব! আমাকে আবার ফেরত পাঠান। যাতে আমি সৎ কাজ করতে পারি, যা আমি আগে করিনি। না, এটা হওয়ার নয়। এটা তো তার একটি বাক্যমাত্র, যা সে বলবেই। তাদের সামনে বা‌রজাখ থাকবে উত্থান দিন পর্যন্ত।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত : ৯৯-১০০ )।</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be/">মানুষ মৃত্যুর পর যা যা আশা করবে</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজের সুযোগ</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 May 2025 12:51:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[সারা বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[সেচ্ছাসেবক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=98008</guid>

					<description><![CDATA[<p>রিপোর্ট একাত্তর ডটকম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল যা বর্তমানে চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এর সাথে পার্টনারশীপে মৎস্যজীবি নারীদের বিশেষভাবে মান্থা নারীদের তথ্য সমৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বরিশাল সদর উপজেলায় কাজ করছে। এই প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবে একটি ডিজিটাল এনফরমেইশন প্লাটফর্ম তৈরী করা হয়েছে যেখানে কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট ও মডারেশন এর জন্য একজন দক্ষ এবং আগ্রহী ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হবে। দায়িত্বসমূহঃ • রিপোর্ট71.কম এ কন্টেন্ট ম্যানেজ এবং আপডেট করা, নিশ্চিত করতে হবে যে এটি প্রাসঙ্গিক, সঠিক এবং আকর্ষণীয়। • সম্পাদকীয় দলের সঙ্গে মিলিত হয়ে আর্টিকেল, ব্লগ, এবং নিউজ আপডেট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87/">স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজের সুযোগ</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রিপোর্ট একাত্তর ডটকম একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল যা বর্তমানে চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এর সাথে পার্টনারশীপে মৎস্যজীবি নারীদের বিশেষভাবে মান্থা নারীদের তথ্য সমৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বরিশাল সদর উপজেলায় কাজ করছে। এই প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবে একটি ডিজিটাল এনফরমেইশন প্লাটফর্ম তৈরী করা হয়েছে যেখানে কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট ও মডারেশন এর জন্য একজন দক্ষ এবং আগ্রহী ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হবে।<br />
দায়িত্বসমূহঃ<br />
•	রিপোর্ট71.কম এ কন্টেন্ট ম্যানেজ এবং আপডেট করা, নিশ্চিত করতে হবে যে এটি প্রাসঙ্গিক, সঠিক এবং আকর্ষণীয়।<br />
•	সম্পাদকীয় দলের সঙ্গে মিলিত হয়ে আর্টিকেল, ব্লগ, এবং নিউজ আপডেট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা মানসিকতা থাকতে হবে।<br />
•	কন্টেন্ট ক্যালেন্ডারের অনুযায়ী পোস্টগুলি সময়মতো প্রকাশ এবং সূচি অনুযায়ী কন্টেন্টের প্রবাহ পরিচালনা করুন।<br />
•	আর্টিকেল সম্পাদনা ও প্রুফরিড করতে হবে, তা নিশ্চিত করে সব কন্টেন্ট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মানদণ্ড অনুযায়ী।<br />
•	ওয়েবসাইটের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করুন, যেমন সাইটের কার্যকারিতা এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা মনিটরিং।<br />
•	দলের সঙ্গে মিলিত হয়ে এমন ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করুন যা মৎস্যজীবি নারী ববহারকারীর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করবে।<br />
•	ওয়েবসাইট সমস্যা সমাধান এবং টেকনিক্যাল টিমের সাথে সহযোগিতা করে আপডেট বা সমাধান করা।<br />
•	কন্টেন্ট পারফরম্যান্স, ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা, এবং ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততরার উপর নিয়মিত রিপোর্ট প্রদান করতে হবে।<br />
যোগ্যতাঃ<br />
•	কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞতা এবং CMS (যেমন WordPress) সম্পর্কে পরিচিতি।<br />
•	SEO নীতিমালা এবং ওয়েবসাইট অপটিমাইজেশন কৌশল সম্পর্কে গভীর ধারণা।<br />
•	ওয়েবসাইটের রক্ষণাবেক্ষণ এবং সাইটের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা।<br />
•	ইংরেজি/বাংলায় চমৎকার লেখন এবং মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা।<br />
•	সৃষ্টিশীলতা ও বিস্তারিত কনটেন্ট-এর প্রতি মনোযোগ এবং উচ্চমানের কন্টেন্ট তৈরি করার জন্য আগ্রহ।<br />
•	স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা এবং একাধিক কাজ পরিচালনা করার দক্ষতা।<br />
•	HTML, CSS অথবা ওয়েবসাইট ব্যাকএন্ড পরিচালনার মৌলিক জ্ঞান থাকলে তা প্লাস হিসেবে গণ্য হবে।<br />
•	কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট অথবা ডিজিটাল প্লাটফর্ম পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা অগ্রাধিকার পাবে।<br />
•	কমপক্ষে এইস.এস.সি পাশ বা সমমান ডিপ্লমা কমপ্লিট থাকতে হবে এবং টেকনিকাল বিষয়ে দক্ষ হতে হবে।<br />
সুবিধাসমূহ:<br />
•	একটি উন্নত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ।<br />
•	কন্টেন্ট ক্রিয়েশন,  ওয়েবসাইট অপারেশন এর দক্ষতা উন্নত করার সুযোগ।<br />
•	নমনীয় কাজের সময় এবং রিমোট কাজের সুযোগ।<br />
•	একটি উদ্যমী এবং সৃজনশীল দলের সাথে কাজ করার সুযোগ।<br />
•	সফলভাবে ভলান্টিয়ার টার্ম সম্পন্ন হলে রেফারেন্স লেটার এবং মূল্যবান অভিজ্ঞতা।<br />
<strong>কিভাবে আবেদন করবেন:</strong><br />
আগ্রহী প্রার্থীরা তাদের সিভি ও সংক্ষিপ্ত কভার লেটার সহ হামিদা মঞ্জিল, শ্রীনাথ চ্যাটার্জিলেন, বরিশাল 8200 এ পাঠাতে পারেন।<br />
বিঃদ্রঃ কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং ওয়েবসাইট অপারেশনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন প্রার্থীদের আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।<br />
আবেদনের শেষ তারিখঃ আগামী ২০ মে। (সকাল ৯.০০ থেকে বিকাল ৫.০০টাক)</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87/">স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজের সুযোগ</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2025/05/15/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পহেলা বৈশাখ: অসাম্প্রদায়িক বাঙালির মহামিলনের মঞ্চ  -বাহাউদ্দিন গোলাপ</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2025/04/12/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2025/04/12/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2025 15:35:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ভিন্ন খবর]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=96776</guid>

					<description><![CDATA[<p>নব সূর্য ওঠে এক নতুন সম্ভাবনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে, আর সেই সূর্য জাগে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে একসাথে—প্রাণের উৎসবে, সংস্কৃতির উদযাপনে। পহেলা বৈশাখ কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টানোর দিন নয়; এ এক আত্মার আরাধনা, এক বর্ণিল মিলনমেলা, যেখানে জাত-ধর্ম-বর্ণের বিভাজন বিলীন হয়ে যায় অসাম্প্রদায়িক বাঙালিত্বের অনন্য মঞ্চে। এটি আমাদের শিকড়ের দিকে ফেরার আহ্বান, বাউল বাউলানির গান, আলপনার রেখায় আঁকা আমাদের ঐতিহ্য, আর হাজার বছরের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের দীপ্ত প্রতিফলন। শহর থেকে গ্রাম, পাহাড় থেকে উপকূল—সমগ্র বাংলায় এই দিনে জেগে ওঠে এক অপার আনন্দ ও মিলনের সুর, যা পুরো জাতিকে গেথে নেয় হৃদয়ের বন্ধনে। 🔴</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2025/04/12/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/">পহেলা বৈশাখ: অসাম্প্রদায়িক বাঙালির মহামিলনের মঞ্চ  -বাহাউদ্দিন গোলাপ</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নব সূর্য ওঠে এক নতুন সম্ভাবনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে, আর সেই সূর্য জাগে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে একসাথে—প্রাণের উৎসবে, সংস্কৃতির উদযাপনে। পহেলা বৈশাখ কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টানোর দিন নয়; এ এক আত্মার আরাধনা, এক বর্ণিল মিলনমেলা, যেখানে জাত-ধর্ম-বর্ণের বিভাজন বিলীন হয়ে যায় অসাম্প্রদায়িক বাঙালিত্বের অনন্য মঞ্চে। এটি আমাদের শিকড়ের দিকে ফেরার আহ্বান, বাউল বাউলানির গান, আলপনার রেখায় আঁকা আমাদের ঐতিহ্য, আর হাজার বছরের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের দীপ্ত প্রতিফলন। শহর থেকে গ্রাম, পাহাড় থেকে উপকূল—সমগ্র বাংলায় এই দিনে জেগে ওঠে এক অপার আনন্দ ও মিলনের সুর, যা পুরো জাতিকে গেথে নেয় হৃদয়ের বন্ধনে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/1f534.png" alt="🔴" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> প্রভাতী সূর্যের আলোয় নতুন স্বপ্ন</p>
<p>বৈশাখের প্রথম প্রহরে বাংলার আকাশে ঢাকের তালে তালে জেগে ওঠে নতুন সূর্য। রমনার বটমূলে ছায়ানটের কণ্ঠে &#8220;এসো হে বৈশাখ&#8221; ধ্বনির সাথে যেন মিশে যায় গ্রাম্য মেলার মুড়ি মোয়ার গন্ধ, আদিবাসীদের ঝুমুর নাচের তাল, আর শহুরে তরুণের রক কনসার্টের দুরন্ত শব্দ। পহেলা বৈশাখ কেবল একটি উৎসব নয়—এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার জীবন্ত দলিল, যার রক্তে মিশে আছে ইতিহাস, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির বহুস্তরীণ গাথা। ইউনেস্কো স্বীকৃত এই উৎসব আজ বিশ্বসাংস্কৃতিক মঞ্চে বাংলার পরিচয়কে উজ্জ্বল করেছে। কিন্তু কীভাবে একটি কৃষিভিত্তিক প্রথা রূপ নিল সার্বজনীন মহোৎসবে? কী তার গৌরবগাথা ও সমকালীন চ্যালেঞ্জ?</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/1f534.png" alt="🔴" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> ইতিহাসের আয়নায় বাংলা নববর্ষ</p>
<p>বাংলা নববর্ষ কেবল একটি দিন নয়—একটি সভ্যতার স্পন্দন। হাজার বছরের শ্রীহট্ট থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত বিস্তৃত বাঙালির জীবনযাপনের মহাকাব্য। ১৫৮৪ সালে, মোগল সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগে, সম্রাট আকবরের সিংহাসনে বসার ২৯তম বছরে এই পঞ্জিকার জন্ম। তখন বাংলার মাঠে-ঘাটে ফসলের সোনালি জোয়ার উঠত, কিন্তু হিজরি চান্দ্র পঞ্জিকার অমিলে কৃষকেরা হারাচ্ছিল তাদের ফসলি সোনার হিসাব। আকবরের দূরদর্শী দরবারে জ্যোতির্বিদ ফাতেহউল্লাহ শিরাজি আর অর্থনীতির রূপকার রাজা টোডরমল মাথা ঘামালেন: কীভাবে সূর্য ও চাঁদের যুগলবন্দিতে তৈরি করা যায় এমন এক পঞ্জিকা, যা প্রকৃতির সঙ্গে তাল মেলাবে, কৃষকের ঘামে ভেজা ফসলের মৌসুমকে করের হিসাবের সঙ্গে জুড়ে দেবে? উত্তর এলো বাংলা সনের রূপে—একটি সৌর-চান্দ্র সমন্বিত ক্যালেন্ডার, যার শিকড় প্রোথিত হিন্দু শকাব্দ ও ইসলামি হিজরিতে, কিন্তু ফল্গুধারার মতো তা বয়ে গেল বাংলার মাটির গভীরে।</p>
<p>মোঘল মার্বেল প্রাসাদের দপ্তর থেকে শুরু হলো এর যাত্রা। বৈশাখের প্রথম সূর্যোদয়ে জমিদারি খাতায় খোলা হত নতুন পাতা, কৃষকেরা জমি চাষের ফিরিস্তি দিত, আর রাজকোষে জমা হত সোনালি শস্যের কর। কিন্তু বাংলা সন শুধু রাজস্বের খাতায় আটকে থাকেনি—এটি মিশে গেল লোকায়ত জীবনের অন্দরমহলে। মেঘনা-পদ্মার চরে জেলে সম্প্রদায়ের নৌকাবাইচ, বরেন্দ্রভূমির কুমারদের উলু ধ্বনি, সিল্ক রুটের বণিকদের হালখাতা—সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে গেল এই পঞ্জিকা। এমনকি সুফি সাধকদের মাজারে আয়োজন হতো বৈশাখী মেলা, যেখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল উরসের মিষ্টান্ন আর ভক্তির গান।</p>
<p>ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার অন্ধকারেও বাংলা সনের আলো নিভে যায়নি। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাগুজে নথিতে ইংরেজি তারিখের পাশাপাশি জায়গা করে নিল বাংলা মাসের নাম। ১৯৪৭-এর দেশভাগের পর পূর্ব বাংলায় বাংলা সন হয়ে উঠল ভাষা আন্দোলনের প্রতীক। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যেমন মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াই, তেমনি ১৯৬৬ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে সংস্কার করা হলো বাংলা পঞ্জিকা, বৈশাখের শুরু নির্ধারিত হলো ১৪ এপ্রিলে, যেন গ্রেগরিয়ানের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে। ১৯৬৭ সালে পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক বিদ্রোহের নিদর্শন হিসেবে রমনার বটমূলে শুরু হয় ছায়ানটের সঙ্গীতানুষ্ঠান।  এটি পূর্ব পাকিস্তানে এক সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের ইশতেহারে পরিণত হয়, যা পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করে। রবীন্দ্রনাথের &#8220;এসো হে বৈশাখ&#8221; গানটি হয়ে ওঠে বাঙালি জাতীয়তাবাদের অঘোষিত সঙ্গীত।  ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থীরা শুরু করেন শোভাযাত্রা, যা ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর &#8220;অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য&#8221; তালিকায় স্থান পায়। ২০০১ সালের পরবর্তী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষিতে এই শোভাযাত্রা এক অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। শোভাযাত্রায় লেখা হয়েছিল &#8220;মানুষ হোন, মানুষ রাখুন&#8221;।  এটি শুধু এক সাংস্কৃতিক স্লোগান ছিল না, বরং একটি জাতির বৃহত্তর ঐক্যের ঘোষণা। পহেলা বৈশাখের প্রতিটি উৎসবে, এই ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রার মাধ্যমে আমরা আজও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, মানবতার পক্ষে মিলিত কণ্ঠে প্রতিবাদ জানাই।</p>
<p>মোগল আমলের রাজকীয় ফরমান থেকে আজকের ডিজিটাল ক্যালেন্ডার পর্যন্ত বাংলা সনের যাত্রাপথে লেগেছে রক্ত, ঘাম আর আনন্দের ছাপ। এটি শুধু সময়ের পরিমাপ নয়, বাঙালির অস্তিত্বের দলিল। যেমন আকবর চেয়েছিলেন, তেমনই এই পঞ্জিকা আজও সাক্ষী দেয়: বাংলার ঋতুচক্র, তার মানুষের স্বপ্ন, আর সংস্কৃতির অমরত্ব—এই তিনের মেলবন্ধনেই অম্লান বাংলা নববর্ষ।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/1f534.png" alt="🔴" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> উৎসব মুখর বাংলাদেশের বৈশাখ</p>
<p>বাংলার বৈশাখ এক অবিচ্ছিন্ন উৎসবধারা, যা ছড়িয়ে পড়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তে। রাজধানীর রাজপথে শোভাযাত্রার গর্জনে যেমন প্রাণ খেলে যায়, তেমনি পল্লীর মেঠোপথেও বৈশাখ নামে ঢাক-ঢোলের ছন্দে। কুঁড়েঘরের উঠোন থেকে শুরু করে শহুরে অট্টালিকার ছাদ পর্যন্ত, সর্বত্র বৈশাখের ছোঁয়া—প্রাণের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে জনজীবন।</p>
<p>দেশজুড়ে আয়োজিত হয় গ্রামীণ মেলা, লাঠিখেলা, হা-ডু-ডু, নৌকাবাইচ, বাউলসঙ্গীত ও জারিগানের আসর। কোথাও আবার নাট্যমঞ্চে উঠে আসে লোকজ নাটক—গম্ভীরা, যাত্রা। স্কুল-কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, স্থানীয় ক্লাব থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠন—সবাই আয়োজন করে বৈশাখী উৎসব। পথে ঘাটে ভেসে আসে চিরচেনা গান, “এসো হে বৈশাখ, এসো এসো&#8230;”</p>
<p>এ যেন এক সর্বব্যাপী প্রাণের উৎসব। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে খুঁজে ফেরে বাঙালি পরিচয়ের রঙিন ছায়া। এই বৈশাখ আমাদের শুধু আনন্দই দেয় না, আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে, স্মরণ করিয়ে দেয়—আমরা একটাই জাতি, একটাই শিকড়।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/1f534.png" alt="🔴" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সাংস্কৃতিক সমাহার: রঙে, স্বাদে, শব্দে</p>
<p>পহেলা বৈশাখ বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবই নয় বরং এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক বিস্ময়কর সমাহার। যেখানে একে অপরের সাথে মিশে যায় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা। শহর থেকে গ্রাম, পাহাড়ি অঞ্চল থেকে সমতল—প্রত্যেকটি স্থানে বৈশাখের উৎসবের এক বিশেষ পরিবেশ তৈরি হয়, যা একে অন্যকে ছুঁয়ে দিয়ে বাঙালির বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক চিত্রকেই তুলে ধরে।</p>
<p>বৈশাখের সকাল শুরু হয় ঢাকার রমনা বটমূলে ছায়ানটের সঙ্গীতের মূর্ছনায়। সেখানে একসাথে মিলিত হন নানা শ্রেণি, নানা সম্প্রদায়, নানা বয়সী মানুষ, যেখানে বাঙালির জাতিগত বৈচিত্র্যের প্রমাণ মেলে। তবে শুধু শহরেই নয়, গ্রামীণ এলাকা এবং পাহাড়ি অঞ্চলেও বৈশাখী আনন্দের ঝংকার শোনা যায়। প্রত্যেক জায়গাতেই তার নিজস্ব রীতিনীতি, গান, নাচের আয়োজন থাকে, যার মাধ্যমে বাঙালির একতার অমলিন চিত্র ফুটে ওঠে।</p>
<p>শোভাযাত্রার মাধ্যমে সাঁওতাল, গারো, বাঙালি, আদিবাসী সকলের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিশ্বাস একত্রিত হয়ে উদযাপিত হয়ে থাকে । রাজধানী থেকে গ্রাম, শহর থেকে মফস্বল সব জায়গায় আয়োজিত হয় হালখাতা, মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, প্রতিযোগিতা, লোকজ খেলা। </p>
<p>এই দিনটি শুধু সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উৎসবই নয়, এটি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হালখাতা বা ব্যবসায়িক আয়োজনে পুরনো হিসাব মিটিয়ে নতুনভাবে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন হয়। মেলা বা বাজারে নানা ধরনের পণ্য বিক্রি হয়, যেখানে একটি নতুন সম্পর্কের সূচনা হয়। তৈরী হয় মেলবন্ধনের এক ক্ষণিক উপলক্ষ । বৈশাখী খাবারেরও রয়েছে বিশেষ স্থান। পান্তা-ইলিশ, ভর্তা, মিষ্টি, চিড়ামুড়ি, পিঠা-পায়েশে বাঙালির ঐতিহ্য এক ভিন্ন মাত্রায় জীবন্ত হয়ে ওঠে। এসব খাবার বাঙালি সংস্কৃতিরই পরিচয় ফুটিয়ে তোলে।</p>
<p>পহেলা বৈশাখ শুধুমাত্র একটি  উৎসবের দিনই নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতা এবং সমৃদ্ধির এক অপূর্ব মেলবন্ধন। যেখানে সংস্কৃতির প্রতিটি দিক একসাথে মিলিত হয়ে বাঙালি সমাজের গভীর ঐক্য এবং সম্পর্কের দ্যোতনা দেয়।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/1f534.png" alt="🔴" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> সম্প্রীতির মেলবন্ধন ও সমকালীন চ্যালেঞ্জ</p>
<p>পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসাম্প্রদায়িকতার শ্রেষ্ঠ উদযাপন। এই দিনে, বাঙালি জাতি তার পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে বর্তমানের সম্মিলনে এক হয়ে যায়। প্রত্যেকটি ধর্ম-বর্ণের মানুষ যেন এক প্লাটফর্মে এসে উদযাপন করে তাদের জীবনকে, এবং এই মিলনমেলা প্রদর্শন করে সেই বহুমাত্রিক সংস্কৃতির পরিচয়, যা চিরকাল বাঙালির স্বত্বার মূল। আজও দেখা যায়, ঢাকার বড় বড় মেলায় কিংবা গ্রামীণ উৎসবে হিন্দু-মুসলিম, খ্রিষ্টান-বৌদ্ধ সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রে বৈশাখী খাবার উপভোগ করে, মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে, গানের সুরে মেতে ওঠে। কিন্তু একই সঙ্গে, আজকাল এই উৎসবের বাণিজ্যিকীকরণ কিছুটা চ্যালেঞ্জও হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহরে বড় বড় শপিংমল ও দোকানে বৈশাখী কালেকশন চালু হয়ে গেছে, যার ফলে উৎসবের মৌলিক বিষয়বস্তু কিছুটা ভিন্ন দিকে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো পরিবেশের ক্ষতি, কারণ প্লাস্টিকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি উৎসবের শেষে জমে থাকে বিশাল পরিমাণ বর্জ্য। তবুও, আশার কথা হলো যে কিছু পরিবেশ সচেতন সংগঠন এবং শিক্ষার্থীরা এখন মেলায় বিক্রি হওয়া প্লাস্টিকের বদলে কাগজ, পাট বা অন্যান্য পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করছেন। এমনভাবে, পহেলা বৈশাখের আসল বার্তাকে সঠিক পথে রক্ষা করার চেষ্টা চলছে, যাতে ভবিষ্যতেও এটি বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব হিসেবে টিকে থাকে।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/1f534.png" alt="🔴" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> বৈশাখে ফেরার ডাক</p>
<p>আজকের বৈশাখ শুধু অতীতের স্মরণ নয়, বরং ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা। যখন ধর্মান্ধতা আর বিভেদের বিষ ছড়িয়ে পড়ে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, তখন পহেলা বৈশাখ আমাদের শেখায়—সহাবস্থানই শক্তি, বৈচিত্র্যই সৌন্দর্য। লাল-সাদা শাড়ি, পাঞ্জাবি আর মঙ্গল শোভাযাত্রার বর্ণচ্ছটা যেন বলছে—এই দেশ সবার, এই মাটি ভালোবাসার। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আমরা কেবল ভোক্তা নই, সংস্কৃতির ধারক। আমরা শুধু ইতিহাসের উত্তরসূরি নই, ভবিষ্যতের নির্মাতাও।<br />
তাই বৈশাখে সাজিয়ে তুলতে হবে শুধু শরীর নয়, মানবতাকেও। রাঙিয়ে তুলতে হবে শুধু উঠোন নয়, হৃদয়কেও। বৈষম্যের দেয়াল ভেঙে, বাঙালিয়ানা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় গড়ে তুলতে হবে এমন এক আগামী, যেখানে প্রত্যেক পহেলা বৈশাখ হবে মিলনের, মুক্তির ও নবযাত্রার অনন্য প্রতীক।</p>
<p>এই নববর্ষে প্রতিজ্ঞা হোক—সবার জন্য একরঙা আকাশ, একরকম ভালোবাসা, আর নির্ভীক এক আগামী।</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/2666.png" alt="♦" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" />তথ্যসূত্র:</p>
<p>১) আকরাম হোসেন , বাংলা সনের ইতিহাস, বাংলা একাডেমি</p>
<p>২) আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর, বাংলা সাল ও ক্যালেন্ডারের ইতিহাস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন</p>
<p>৩)  ইমতিয়াজ আহমেদ (সম্পা.), ভারতের ইতিহাস (মুঘল পর্ব), পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পাঠ্যপুস্তক সংসদ</p>
<p>৪) সৈয়দ আবুল মকসুদ, জাতিসত্তার সংকট ও পহেলা বৈশাখ, প্রথম আলো কলাম, ২০০২</p>
<p>৫) আনিসুজ্জামান, কাল নিরবধি, বাংলা একাডেমি</p>
<p>৬)  ড. মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাস,<br />
 সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়</p>
<p>৭) আহমেদ কামাল, মধ্যবিত্ত এবং সংস্কৃতির রাজনীতি,<br />
প্রবন্ধ সংকলন, সংহতি প্রকাশন</p>
<p>৮) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সভ্যতার সংকট</p>
<p>৯) নজরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগ্রামের প্রতিধ্বনি, বাংলা একাডেমি</p>
<p>১০) জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়, উৎসব ও চেতনার সমাজতত্ত্ব, বিশ্বভারতী</p>
<p><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/15.1.0/72x72/25fe.png" alt="◾" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" />লেখক:</p>
<p>মো: বাহাউদ্দিন গোলাপ<br />
ডেপুটি রেজিস্ট্রার,<br />
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় </p>
<p>01712070133<br />
b_golap@yahoo.com</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2025/04/12/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/">পহেলা বৈশাখ: অসাম্প্রদায়িক বাঙালির মহামিলনের মঞ্চ  -বাহাউদ্দিন গোলাপ</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2025/04/12/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেতনার বিল বধ্যভূমিঃ মৃত্যু ছুঁয়ে দেখা কবিতার কথা</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2023/12/28/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2023/12/28/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 28 Dec 2023 02:31:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top 6]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[সারা বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=80606</guid>

					<description><![CDATA[<p>কমল সেনগুপ্ত।। ‘১৯৭১। জ্যৈষ্ঠ মাস। আমার বয়স তখন পাঁচ। মা-বাবা আর দু’বোনের লাশের মাঝে আমি জীবিত ছিলাম। মায়ের শাড়ীর আঁচলের নীচে নিরাপদ আশ্রয়ে আমি গুলিবিদ্ধ বোনকে নিয়ে কাঁদছিলাম। হয়ত ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যা আর রক্ত দেখে আমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম’। কথাগুলো মৃত্যু ছুঁয়ে দেখা কবিতার। ১৯৭১ সালের ১ জ্যৈষ্ঠ বরিশালের আগৈঝাড়ার রাজিহারে প্রবেশ করে পাকিস্তানি বাহিনী। হানাদারদের আসার খবর পেয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার কয়েক হাজার মানুষ কেতনার বিলে ঝোঁপে ঝাড়ে লুকিয়ে আশ্রয় নেয়। বেলা ১২ টার দিকে হানাদাররা কেতনার বিলে প্রবেশ করে মেশিনগান দিয়ে ব্রাশফায়ার করে কয়েক হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করে।</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/12/28/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4/">কেতনার বিল বধ্যভূমিঃ মৃত্যু ছুঁয়ে দেখা কবিতার কথা</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কমল সেনগুপ্ত।। ‘১৯৭১। জ্যৈষ্ঠ মাস। আমার বয়স তখন পাঁচ। মা-বাবা আর দু’বোনের লাশের মাঝে আমি জীবিত ছিলাম। মায়ের শাড়ীর আঁচলের নীচে নিরাপদ আশ্রয়ে আমি গুলিবিদ্ধ বোনকে নিয়ে কাঁদছিলাম। হয়ত ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যা আর রক্ত দেখে আমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম’। কথাগুলো মৃত্যু ছুঁয়ে দেখা কবিতার। ১৯৭১ সালের ১ জ্যৈষ্ঠ বরিশালের আগৈঝাড়ার রাজিহারে প্রবেশ করে পাকিস্তানি বাহিনী। হানাদারদের আসার খবর পেয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার কয়েক হাজার মানুষ কেতনার বিলে ঝোঁপে ঝাড়ে লুকিয়ে আশ্রয় নেয়। বেলা ১২ টার দিকে হানাদাররা কেতনার বিলে প্রবেশ করে মেশিনগান দিয়ে ব্রাশফায়ার করে কয়েক হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। নির্মম এই গণহত্যার পর হানাদাররা কেতনার বিলের পার্শ্ববর্তী পাত্র বাড়িতে গিয়ে এক বাড়িতেই ১৯ জন মানুষকে হত্যা করে। লাশের স্তুপে বেঁচে যাওয়া কবিতা পাত্র বাড়ীর মেয়ে। </p>
<p>ওপরে অসীম নীল আকাশ। নীচে বিলের জলে সবুজ ক্ষেত। সূর্য মাথার উপরে। জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম দিন। কেতনার বিল। গৃহিণীরা রান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছে আর পুরুষেরা উঠোনে বসে তামাক  ফুঁকছে। যেখানে ‘বুকভরা মধু বঙ্গের বধূ জল লয়ে যায় ঘরে। মা বলিতে প্রাণ করে অনচান, চোখে আসে জল ভরে’। এভাবেই কাটছিল ওদের স্বপ্নের দিনগুলো। প্রতিদিনের মত বিলবাসীও তাদের নিজের কর্ম নিয়ে ব্যস্ত। ব্যস্ত পাত্র বাড়ীর, বাবা বিনোদ পাত্র, মা বিজয়া পাত্র। তিন মেয়ে গীতা, কবিতা আর কানন উঠোনে খেলছে। বাবা হয়তো স্বপ্ন বুনছিলেন। বড় হচ্ছে মেয়েগুলো, বিয়ে দিতে হবে, বর আসবে পালকি চেপে মাথায় টোপর দিয়ে। দেশে শৃঙ্খল মুক্তির সংগ্রাম চলছে। ২৫ মার্চ গভীর রাতে ঢাকায় পাক হানাদার বাহিনী ঝাপিয়ে পড়েছে নিরীহ বাঙালির উপর। আতঙ্ক বাসা বেঁধেছে স্বপ্নঘেরা কেতনার বিলেও। তবে এত প্রত্যন্ত অঞ্চলে কি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আসতে পারবে? চিনবে কি করে? এমন সময় হঠাৎ দূরে মেশিনগানের ব্রাশ ফায়ার। মিলিটারি! মিলিটারি!! মিলিটারি!!! প্রাণে বাঁচতে দূরদূরান্তের মানুষ আশ্রয় নিল কেতনার বিলের ধান ক্ষেতে। হঠাৎ গুলির শব্দে, একটানা গুলির শব্দে ঝিঁ ঝিঁ পোকার কলতানও যেন বন্ধ হয়ে গেল। বোধহয় বারুদের গন্ধে বিল ছেঁড়ে পালাল ঝি ঝি পোকাগুলো। মানুষ ছুটে আসছে দলে দলে, কিছুক্ষণের মধ্যেই বিল ভরে গেল। কয়েক হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে কেতনার বিলের নিরাপদ ঠিকানায়। এখানে মিলিটারি আসবে? না মাঠ থেকে রাস্তা অনেক দূর। গুলি করলেও মাঠে হানাদারদের গুলি এসে পৌঁছাবে না। ‘এমন সময় &#8216;হাঁরে রে রে রে রে’ঐ যে কারা আসতেছে ডাক ছেড়ে’। হানাদাররা গুলি ছু্ড়ছে। বিলে হাজার হাজার মানুষের আহাজারি। পাকিস্তানি হানাদারদের গুলি, মানুষের আহাজারি আর আর্তচিৎকারে নিস্তব্ধ গ্রামও আতঙ্কিত হয়ে উঠলো। সবাই ছুটতে লাগল নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে। স্বপ্ন ভাঙ্গা বিনোদ আর বিজয়া তিন কন্যাকে নিয়ে দৌড় দিলেন উত্তর দিকে। দুটো জমি পেরিয়ে তিন নম্বর জমিতে, প্রায় পাঁচশ গজ দূরে আশ্রয় নিল। কিন্ত হিংস্র দানবের মতো দাঁত তুলে হাসতে হাসতে হানাদারেরা ঢুকলো ওদের গ্রামে। পথ চিনিয়ে দিল স্বদেশী দালালেরা। প্রথমে লুটপাট তারপর আগুন ধরিয়ে দিল ওদের স্বপ্নের ঠিকানায়। লেলিহান শিখায় পুড়ে গেল ওদের ছোট ছোট ঘরগুলো। মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল কবিতার মা বাবাকে। মায়ের কোলে আশ্রয় নিয়েছিল তিন কন্যা। কবিতা দেখলো কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবা-মা মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, লুটিয়ে পড়েছে বড়দিদি গীতা, পাশেই রক্তাক্ত ছোট বোন কানন। কবিতা জানায়, আমার কিচ্ছু মনে নেই। হয়ত অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। শুনেছি আশপাশের মানুষ যখন আমাদের কাছে গেল তখন আমি কাঁদতে ছিলাম। পাশে পড়েছিল মা-বাবা বোনসহ সমস্ত স্বজনদের লাশ। আদরের ছোট বোন কানন গুলিবিদ্ধ। রক্তে ভেজা শরীর। গুলিবিদ্ধ কানন একফোঁটা জলের জন্য হাহাকা র করছে। কিন্তু কোথায় জল? কেতনার বিলের টলটলে জলে তখন রক্তের স্রোত বইছে। কচুরিপানার মত ভাসছে লাশ। দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে কবিতা বলে, ‘আমাদের বাড়ির ১৯ জনকে সেদিন হত্যা করে। সেদিন ছোট বোনটা জল তেষ্টায় চিৎকার করতে করতে লুটিয়ে পরলো মাটির কোলে’। এ পর্যন্ত বলেই থেমে গেল কবিতা। চোখের জল মুছে আবার বলতে শুরু করল অনাথ শিশুর করুন কাহিনী। ‘বাবা-মায়ের কোলে চেপে আমি বড় হইনি। জানিনা বাবা-মার আদর কেমন?’। পরের দিন পাশের বাড়ির এক জেঠিমা তার বাবার বাড়ী কান্দির পারে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে বাড়ীর অন্যান্য শিশুদের মতই থাকতে বাঁচতে শুরু করে কবিতা। শুরু হয় ঝরাপাতার মত উড়ে উড়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম। ছোট্ট শিশু কবিতা সংগ্রাম কি বোঝে না শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে বাবা-মা-বোনদের খোঁজে আর দুবেলা দুমুঠো ভাত খায়। দেশ স্বাধীন হলে ঠাঁই হয় দূরসম্পর্কের এক কাকার কাছে। বয়স যখন ১২ তখন মামা নিয়ে যায় উজিরপুরের বার পাইক্কার ইন্দুরকানি গ্রামে। মামার বাড়িতে। সেখানে মামাতো ভাই-বোনদের সাথে বড় হতে থাকে কবিতা। কবিতা জানায়, ‘অভাব ছিল, তবে মামা মামী আমাকে কোন কষ্ট দেয়নি’। কবিতার বয়স বাড়ছে। তবে যাওয়া হয়নি স্কুলে, পড়া হয়নি ছড়া বা কবিতা। ১৬-১৭ বছর বয়সে মামা, কবিতার বিয়ে দেন। ছেলে পেশায় কাঠমিস্ত্রি। বর্তমানে সে ঢাকায় বাস করে। মতিঝিলে তার স্বামীর একটি ফার্নিচারের দোকান আছে। তিন মেয়ে, এক ছেলের জননী কবিতা। কিন্তু একটা দীর্ঘশ্বাস তার পিছু ছাড়ে না। কেমন ছিল মা-বাবা? দু’বোন? কেন তাদের হত্যা করল পাকিস্তানী হানাদারেরা? ‘এই জনমে কি ফুরাবে ভাই আমার বুকের সেই ক্ষত। দুঃখে বাংলার পদ্মা মেঘনা যমুনা যে উজান বয়’! এভাবেই কবিতার দিন কাটে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের পেছনের একটি ভাড়া বাসায়।   </p>
<p>‘‘দিছি রক্ত জন্মাবধি, সাগর সাগর নদী নদী, রক্তে বাংলা লাল কইরাছি এই কথা তো মিথ্যা নয় আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা&#8230;’। গণহত্যার মানচিত্রে রক্তাক্ত একটি নাম আগৈলঝাড়ার কেতনার বিল। লাশের পাহাড়। রক্ত স্রোত আর কবিতার কথা। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে কবিতা সেই ছন্দ মেলায়। কেতনার পথে পথে। বিলের ক্ষেতে খেতে। কবিতার ছন্দ আর মেলে না কবিতার কবিতা লেখা হয় অমিত্রাক্ষর ছন্দে।</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/12/28/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4/">কেতনার বিল বধ্যভূমিঃ মৃত্যু ছুঁয়ে দেখা কবিতার কথা</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2023/12/28/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%83-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নাইওর  -তরিকুল ইসলাম</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2023/11/10/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%93%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2023/11/10/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%93%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 10 Nov 2023 08:09:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=78991</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাঙালী জাতি আমোদ প্রমোদ প্রবন জাতি। ঐতিহ্যগতভাবেই বছর জুড়েই থাকে কোনো না কোন আচার অনুষ্ঠান উৎসব। নাইওর এর মধ্যে অন্যতম অনুভুতির নাম। নাইওর বলতে মুলত বুঝায় বিবাহিত বাঙালি মেয়েকে শ্বশুর বাড়ি হতে বাবার বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে আসার একটি ঐতিহ্যগত আয়োজনকে। বিবাহিত বাঙালি মেয়েদের সারা বছরের সাধ ছিলো এই নাইওর। অন্ধরমহলে বসবাস করা বিবাহিত নারীরা সারা বছর অপেক্ষা করতো কবে তাদের বাবার বাড়ি থেকে বাবা &#8211; ভাই কিংবা দায়িত্বশীল কেউ তাদের নিতে আসবে। বাঙালি বধুরা আকাশের পানে তাকিয়ে ভাবতো হয়তো উড়ে যাওয়া ওই পাখিটা হয়তো তার বাবা দেশের। এ নিয়ে নিয়ে</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/11/10/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%93%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/">নাইওর  -তরিকুল ইসলাম</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাঙালী জাতি আমোদ প্রমোদ প্রবন জাতি। ঐতিহ্যগতভাবেই  বছর জুড়েই থাকে কোনো না কোন আচার অনুষ্ঠান উৎসব। নাইওর এর মধ্যে  অন্যতম অনুভুতির নাম।  নাইওর বলতে মুলত বুঝায় বিবাহিত বাঙালি মেয়েকে শ্বশুর বাড়ি হতে বাবার বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে আসার একটি ঐতিহ্যগত আয়োজনকে। বিবাহিত বাঙালি মেয়েদের সারা বছরের সাধ ছিলো এই নাইওর। অন্ধরমহলে বসবাস করা বিবাহিত নারীরা সারা বছর অপেক্ষা করতো কবে তাদের বাবার বাড়ি থেকে বাবা &#8211; ভাই কিংবা দায়িত্বশীল কেউ তাদের নিতে আসবে। বাঙালি বধুরা আকাশের পানে তাকিয়ে ভাবতো হয়তো উড়ে যাওয়া ওই পাখিটা হয়তো তার বাবা দেশের।   এ নিয়ে নিয়ে যুগে যুগে লেখা হয়েছে কতনা গীত। কোনো এক নীরব বিকেলে দূর থেকে ভেসে আসে কাহারদের হাকাহাকির মৃদু শব্দে দৌড়ে এসে বাড়ির নতুন বিয়ে হওয়া বউটা অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকে দুরের পালকির পানে। মনে জাগে কত রোমাঞ্চকর অনুভুতি যা লিখে প্রকাশ সম্ভব না।  ভাবে আমিও কবে যাবো বাজানের দ্যাশে&#8230;&#8230;&#8230;।</p>
<p>বাঙালি মেয়েদের নাইওর নিতে আসার কারন হলো মুলত উৎসকে কেন্দ্র করে যেমন কৃষকের ঘরে নতুন ধান রবি শস্য উঠার পরে শীতে এবং জৈষ্ঠ্যমাসে আম কাঁঠাল পাকার সময় জামাই ষষ্ঠীতে বাংলার কৃষক পরিবার গুলোতে পরিবারের বিবাহিত মেয়েদের নাইওর আনা হতো। অন্য কারন হলো বাঙালি মেয়েদের প্রথম সন্তান গর্ভে থাকার সপ্তম মাসে মেয়েকে বাবার বাড়িতে এনে অনাগত সন্তানের কল্যান কামনা করে সাত দেওয়া নামে একটা অনুষ্ঠান করা হতো,  যা এখন বিলুপ্ত। একেই সাথে নিয়ম অনুযায়ী প্রথম সন্তানের জন্ম বাবার বাড়িতে হতে হয় তাই মেয়েদের নাইওর আনা হতো।  মেয়েকে বাংলার পরিবার গুলোতে সব সময় দেবী বা ঈশ্বরের আর্শীবাদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই পিতামাতাও সবসময় মেয়েদের নাইওর আনার মাধ্যমে মেয়ের মুখ দেখতে ব্যাকুল হয়ে থাকতো। গ্রাম বাংলায় অঞ্চল ভেদে নাইওর আনার জন্য বিভিন্ন বাহনের ব্যবহার ছিলো।  নদী অঞ্চলগুলোতে  বাহরি নৌকা  ছিলো  বাহন আর বাকি এলাকায় পালকিই ছিলো নাইওরের প্রধান বাহন।  আর দরিদ্র পরিবারগুলো কম দূরত্বের পথ (৪-৫ মাইল) পায়ে হেঁটে যেতো আর দূরত্ব বেশি হলে সাধারণ নৌকা ব্যাবহার করতো। নাইওরের খাবার সম্পর্কে  যদি বলা হয় তবে বলতে হয় অঞ্চল ভেদে নানা রকম বাহারি পিঠাপুলি বড় মাছ মাংস ইত্যাদি। তবে ইলিশ মাছ একটা বিশেষ স্থান দখল করে আছে। খাবার আপ্যায়ন মুলত নির্ভর করতো বাবার বাড়ি আর্থিক সঙ্গতির উপর।  তবে মোট কথা খাবার &#8211; আতিথিয়তা যাই হোক না কেনো মেয়েদের চেহারায় একটা প্রশান্তির ছায়া দেখা যেতো।</p>
<p>নাইওর শেষে শ্বশুরবাড়ি ফেরার দিন ঠিক হলে বাবার বাড়ির নাইওরের উপহার হিসেবে মেয়ে- জামাই- নাতি &#8211; নাতনী সবার জন্য পোষাকের ব্যবস্থা করা হতো। আর্থিক অবস্থা ভালো হলে গহনাও  মেয়ে- জামাই উপহার হিসেবে পেতো। মেয়ের বাবা মায়ের সব সময় একটা চেষ্টা থাকতো যে কোনো কারনে যেনো মেয়ের মুখ শ্বশুর বাড়িতে  ছোট না হয়। এবার মেয়ে বিদায়ের দিন এলে বাবার বাড়ি থেকে মুড়ি,মোয়া, মুরকী,নারু,পিঠা, গুড়, আম, কাঁঠাল ফলমূল, পুকুরের বড় মাছ,  সাথে আরও অনেক কিছু মায়েরা মেয়েদের সাথে দিয়ে দিতেন। নদীর ঘাট পর্যন্ত বাড়ির ছেলে- বুড়ো- ঝি &#8211; বউ সকলে তাদের মেয়েকে বিদায় জানাতে সাথে যেতো। যাওয়া সময় প্রথমেই মাকে জড়িয়ে ধরে মা-মেয়ের আবেগ তাড়িত কান্না যা দেখে বাড়ির সকল ঝি বউয়েরা আঁচলে মুখ ঢেকে চোখের জল ফেলতো। নদীর ঘাট পর্যন্ত যেতে মা মেয়ে অবিরত ধারায়  কান্না করতো । যখন নৌকা ছেড়ে দিতো, যতক্ষন পর্যন্ত নৌকা দেখা যেতো ততোক্ষন মা তাকিয়ে থাকতো। এই আবেগ ভালোবাসা অনুভুতি এটা কখনো বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে কমেনি তাদের বরং তা প্রগাঢ় হয়েছে।  নাইওর এর প্রচলন এখন প্রায় শেষ বলা যায় এর কারন হলো মুলত বেশ কয়েকটি।  এক আমাদের একান্নবর্তী কৃষক পরিবার গুলো ভেঙে একক পরিবার গঠন। দ্বিতীয় কারনটি হলো বলা যায় যোগাযোগ মাধ্যমের অভূতপূর্ব উন্নতি। সহজেই এখন এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় কম সময়ের মধ্যে যোগাযোগ করা সম্ভব। তার আমাদের প্রিয়জনের প্রতি হৃদয়ের ব্যাকুলতা কমে গেছে।<br />
তিন সভ্যতার সচেতনার জন্য  বাল্য বিবাহ অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে। এছারাও রয়েছে নানা কারন যেমন রুচি বোধের পরিবর্তন, বিদেশি সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ,  নারীদের বিভিন্ন পেশায় অংশগ্রহণের প্রবনতা, ছেলেমেয়েদের পরাশুনার জটিল কাঠামো প্রভৃতি।<br />
এখনো বাংলার বঁধুদের বাবার বাড়ির প্রতি অনুভুতি সংকোচিত হয়নি। বরং এখনো বঁধুদের হৃদয় পটে কান পাতলে শোনা যায় সেই বিখ্যাত গান..</p>
<p>&#8220;কে যাস রে ভাটির গাঙ বাইয়া<br />
আমার ভাইধন রে কইও নাইওর নিতো বইলা।<br />
তোরা কে যাস কে যাস<br />
কে যাস রে ভাটির গাঙ বাইয়া<br />
আমার ভাইধন রে কইও নাইওর নিতো বইলা।&#8221;</p>
<p>লেখক : তরিকুল ইসলাম<br />
       সাংস্কৃতিক সংগঠক<br />
       বরিশাল</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/11/10/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%93%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/">নাইওর  -তরিকুল ইসলাম</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2023/11/10/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%93%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৭০ বছরে পা দিলেন শাইখ সিরাজ</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2023/09/06/%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%96-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2023/09/06/%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%96-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 06 Sep 2023 12:15:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top 6]]></category>
		<category><![CDATA[ফটো গ্যালারী]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=76585</guid>

					<description><![CDATA[<p>কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের আজ (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০) জন্মদিন। তিনি ১৯৫৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন চাঁদপুরে। ৬৯ বছর পূর্ণ করে এবার তিনি ৭০ এ পদার্পণ করলেন। শাইখ সিরাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্র জীবনেই সম্পৃক্ত হন বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার ও সংবাদপত্রের সঙ্গে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে সকল শ্রেণিপেশার মানুষের মধ্যে বিপুল গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেন তিনি। পরে তার নিজস্ব পরিচালনাধীন টেলিভিশন চ্যানেল আইতে শুরু করেন কৃষি কার্যক্রম হৃদয়ে মাটি ও মানুষ। উন্নয়ন সাংবাদিকতার জন্য তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/09/06/%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%96-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be/">৭০ বছরে পা দিলেন শাইখ সিরাজ</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের আজ (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০) জন্মদিন। তিনি ১৯৫৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন চাঁদপুরে। ৬৯ বছর পূর্ণ করে এবার তিনি ৭০ এ পদার্পণ করলেন। শাইখ সিরাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্র জীবনেই সম্পৃক্ত হন বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার ও সংবাদপত্রের সঙ্গে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে সকল শ্রেণিপেশার মানুষের মধ্যে বিপুল গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেন তিনি। পরে তার নিজস্ব পরিচালনাধীন টেলিভিশন চ্যানেল আইতে শুরু করেন কৃষি কার্যক্রম হৃদয়ে মাটি ও মানুষ। উন্নয়ন সাংবাদিকতার জন্য তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুটি রাষ্ট্রীয় সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৮) ও একুশে পদক (১৯৯৫) লাভ করেন।<br />
টেলিভিশনসহ গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রায় চার দশকের একনিষ্ঠ পথচলার মধ্য দিয়ে শাইখ সিরাজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন উন্নয়ন সাংবাদিকতার এক অগ্রপথিক হিসেবে। গণমাধ্যমে তার উদ্বুদ্ধকরণ প্রচারণায় আমূল পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশের কৃষিতে। বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সূচিত হয়েছে বৈপ্লবিক সাফল্য। গ্রামীন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। দেশের অর্থনীতিতে কৃষির বহুমুখি অবদান সূচিত হয়েছে।<br />
যুক্তরাষ্ট্রের অশোকা ফেলো শাইখ সিরাজ খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র বিমোচন বিষয়ে সাংবাদিকতায় অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০০৯ সালে অর্জন করেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এ এইচ বুর্মা এ্যাওয়ার্ড। এছাড়া তিনি পেয়েছেন এশিয়ার মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গুসি পিস প্রাইজ,  ব্রিটেনের বিসিএ গোল্ডেন জুবিলি অনার এ্যাওয়ার্ডস। ব্রিটিশ হাউজ অব কমেন্স তাঁকে প্রদান করেছে বিশেষ সম্মাননা, ব্রিটিশ বাংলাদেশ ব্যবসায়ী সংগঠন তাঁকে দিয়েছে গ্রীন এ্যাওয়ার্ড। এছাড়া পেয়েছেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির স্বর্ণপদক, ডা. ইব্রাহিম মেমোরিয়াল স্বর্ণপদক, রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদকসহ অর্ধশত দেশী বিদেশী পুরস্কার ও সম্মাননা।<br />
শাইখ সিরাজ ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড, চ্যানেল আই-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বার্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চ্যানেল আই ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লিখছেন। তিনি এদেশে কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে নিরস বিষয় হিসেবে উপেক্ষিত কৃষিতে জাতীয় সংবাদের প্রধান খবরের পর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শাইখ সিরাজের প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, মৎস্য ম্যানুয়েল, মাটি ও মানুষের চাষবাস, ফার্মার্স ফাইল, মাটির কাছে মানুষের কাছে, বাংলাদেশের কৃষি : প্রেক্ষাপট ২০০৮, কৃষি ও গণমাধ্যম, কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট (সম্পাদিত), আমার স্বপ্নের কৃষি, কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট (২০১১), সমকালীন কৃষি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (২০১১), কৃষি ও উন্নয়নচিন্তা (২০১৩), করোনাকালে বহতা জীবন (২০২১) ইত্যাদি।<br />
তার জন্মদিনে বরিশাল প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। পাশাপাশি চ্যানেল আই বরিশাল অফিস প্রধান সাংবাদিক সাঈদ পান্থ, ক্যামেরাপারসন আরিফুর রহমান এই কিংবদন্তির জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। </p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/09/06/%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%96-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be/">৭০ বছরে পা দিলেন শাইখ সিরাজ</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2023/09/06/%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%96-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>&#8216;নবীন আম উদ্যোক্তা&#8217; ববির শিক্ষার্থী তামিম</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2023/05/31/%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2023/05/31/%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 31 May 2023 05:19:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top 6]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[সারা বাংলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=72851</guid>

					<description><![CDATA[<p>ফারহানা ইয়াসমিন জোষ্ঠ্য মাস এলেই চারদিকে আম, কাঁঠালের রমরমা শুরু হয়ে যায়। এবারের জোষ্ঠ্য মাসকে প্রানবন্ত করার জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শিক্ষার্থী (সেশন ২০২০-২১) শাহরুল ইসলাম তামিম শুরু করেছেন আমের ব্যবসা। তার বাড়ি মেহেরপুর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামে। সকলেরই জানা আছে, মেহেরপুরে নানান জাতের আম বগান আছে। সেরকম তামিমদেরও আছে। তাদের নিজেস্ব কিছু আম বাগান আছে। একই সাথে কয়েকটি বাগান কিনেছেন। সেখান থেকে তিনি সর্বোচ্চ সাইজের এবং সুমিষ্ট আম সারাদেশে সরবরাহ করছেন। গত ২৩ মে থেকে তিনি ক্যাম্পাসের সামনে স্টল দিয়ে আম বিক্রি করা শুরু করেন। স্টলটি</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/05/31/%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf/">&#8216;নবীন আম উদ্যোক্তা&#8217; ববির শিক্ষার্থী তামিম</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ফারহানা ইয়াসমিন<br />
জোষ্ঠ্য মাস এলেই চারদিকে আম, কাঁঠালের রমরমা শুরু হয়ে যায়। এবারের জোষ্ঠ্য মাসকে প্রানবন্ত করার জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শিক্ষার্থী (সেশন ২০২০-২১) শাহরুল ইসলাম তামিম শুরু করেছেন আমের ব্যবসা। তার বাড়ি মেহেরপুর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের চাঁদবিল গ্রামে। সকলেরই জানা আছে, মেহেরপুরে নানান জাতের আম বগান আছে। সেরকম তামিমদেরও আছে। তাদের নিজেস্ব কিছু আম বাগান আছে। একই সাথে কয়েকটি বাগান কিনেছেন। সেখান থেকে তিনি সর্বোচ্চ সাইজের এবং সুমিষ্ট আম সারাদেশে সরবরাহ করছেন।<br />
<img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0021.jpg" alt="" width="1599" height="899" class="alignnone size-full wp-image-72853" srcset="https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0021.jpg 1599w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0021-300x169.jpg 300w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0021-1024x576.jpg 1024w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0021-768x432.jpg 768w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0021-1536x864.jpg 1536w" sizes="(max-width: 1599px) 100vw, 1599px" /><br />
গত ২৩ মে থেকে তিনি ক্যাম্পাসের সামনে স্টল দিয়ে আম বিক্রি করা শুরু করেন। স্টলটি ক্যাম্পাস সংলগ্ন কেন্দ্রীয় মসজিদের বিপরীত পাশ্বে।  তার স্টলের নাম: মিজান- তামিম আম স্টোর। মিজান, তার হলের জুনিয়র। মূলত জুনিয়র এবং বন্ধুদের সহায়তায় তামিম আমের ব্যবসা শুরু করেন। তার কাছে আপাতত হিমসাগর আম পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি কেজি  ৭০-৭৫ টাকা। এত সুলভ মূল্যে এই আম বরিশালে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। প্রতিদিনই ২০০-৩০০ কেজি আম বিক্রি করছেন তামিম।   </p>
<p>তামিম জানিয়েছেন, সে অনেক ছোটবেলা থেকেই পারিবারিক ভাবে এই আম ব্যাবসার সাথে জড়িত ।  কিন্তু সে নিজে স্টল দিয়ে কখনো এরকমভাবে ব্যাবসা করে নি। এবারই প্রথম স্টল দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। </p>
<p>তামিম আরও জানিয়েছেন, একজন নবীন আম উদ্যোক্তা হিসাবে তার লাভ আলহামদুলিল্লাহ, সন্তোষজনক হচ্ছে।<br />
<img decoding="async" src="https://report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0019.jpg" alt="" width="960" height="1280" class="alignnone size-full wp-image-72854" srcset="https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0019.jpg 960w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0019-225x300.jpg 225w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2023/05/IMG-20230531-WA0019-768x1024.jpg 768w" sizes="(max-width: 960px) 100vw, 960px" /><br />
উল্লেখ্য, ববির এই শিক্ষার্থী সারাদেশে কুরিয়ার যোগে আমের সরবরাহ করছেন।</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2023/05/31/%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf/">&#8216;নবীন আম উদ্যোক্তা&#8217; ববির শিক্ষার্থী তামিম</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2023/05/31/%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%ae-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের শিক্ষা</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2022/10/02/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2022/10/02/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Oct 2022 14:37:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top 6]]></category>
		<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[ভিন্ন খবর]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[লিড]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=57860</guid>

					<description><![CDATA[<p>   মো: মনিরুজ্জামান প্রতিটি মানুষের জীবনেই একটি প্রত্যাশা বা স্বপ্ন থাকে। মানুষ তার জীবনকে আনন্দময়, নান্দনিক ও মানবিক করে গড়ে তুলতে চায়। বেঁচে থাকার জন্য চায় একটি নিরাপদ ও টেকসই জীবিকার উপায়। সে এমন একটি পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় যা তাকে দিবে ভবিষ্যত নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা। নিজেকে সে এমন অবস্থানে নিয়ে যেতে চায় যাতে করে সে পরিবার, সমাজ, দেশ তথা বিশ্বে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। মানুষ একটি সামাজিক জীব এবং জন্মের পর থেকে তাকে একটু একটু করে শিক্ষার মাধ্যমে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2022/10/02/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d/">একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের শিক্ষা</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>   মো: মনিরুজ্জামান</strong></p>
<p>প্রতিটি মানুষের জীবনেই একটি প্রত্যাশা বা স্বপ্ন থাকে। মানুষ তার জীবনকে আনন্দময়, নান্দনিক ও মানবিক করে গড়ে তুলতে চায়। বেঁচে থাকার জন্য চায় একটি নিরাপদ ও টেকসই জীবিকার উপায়। সে এমন একটি পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় যা তাকে দিবে ভবিষ্যত নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা। নিজেকে সে এমন অবস্থানে নিয়ে যেতে চায় যাতে করে সে পরিবার, সমাজ, দেশ তথা বিশ্বে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।<br />
মানুষ একটি সামাজিক জীব এবং জন্মের পর থেকে তাকে একটু একটু করে শিক্ষার মাধ্যমে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে হয়। তাই প্রানীদের মধ্যে শুধুমাত্র মানুষকে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে শিক্ষালাভ করতে হয়। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হল প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে এমন কিছু দক্ষতা ও মানবিক গুনাবলীর সংমিশ্রন ঘটানো যাতে করে সেই ব্যক্তি তার দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক পরির্বতন ঘটিয়ে নিজেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভাবে একজন মানবিক মানুষ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।<br />
বর্তমান পৃথিবী দ্রুত গতিতে পরিবর্তীত হচ্ছে। পরির্বতনশীল এ বিশ্বে মানুষের জীবন ও জীবিকার ধরণ ও প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। মানুষের জীবন ও জীবিকার আমূল পরির্বতন এবং উন্নতির শুরুটা হয়েছিল ১ম শিল্প বিপ্লবের ভেতর দিয়ে ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিস্কারের মাধ্যমে। এর ফলে যোগাযোগ ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব পরির্বতন সাধিত হয়েছিল। এর ও প্রায় ৮৬ বছর পর বিদ্যুৎ আবিস্কারের মধ্য দিয়ে ১৮৭০ ২য় শিল্প বিপ্লব ঘটে। বিদ্যুতের বহুবিদ ব্যবহার করে শিল্প কারখানা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ব্যাপক উৎকর্ষ সাধিত হয়ে জীবন ও অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হয়। মানুষের জীবনে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রের সুযোগ তৈরী হয় এবং প্রয়োজন হয় এ পরিবর্তনের সাথে সংগতি রেখে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করার।</p>
<p><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-57867" src="https://report71.com/wp-content/uploads/2022/10/Captffure.jpg" alt="" width="970" height="810" srcset="https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2022/10/Captffure.jpg 970w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2022/10/Captffure-300x251.jpg 300w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2022/10/Captffure-768x641.jpg 768w" sizes="(max-width: 970px) 100vw, 970px" /></p>
<p>পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং মানুষ সব সময়ই চায় তার বর্তমান অবস্থার উন্নয়ন করতে। ২য় শিল্প বিপ্লবের প্রায় ১০৯ বছর পর হয় ৩য় শিল্প বিপ্লব। ইন্টারনেট ও কম্পিউটারের আবিস্কারের প্রভাবে যোগাযোগ, তথ্য &#8211; প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈচিত্র্য সাধিত হয়ে মানুষের জীবন ও পেশায় আমূল পরিবর্তনের সূচনা করে।<br />
প্রযুক্তির উন্নয়নের মাত্রা পৃথিবীর ইতিহাসের যে কোন সময়ের চেয়ে অভাবনীয় গতিতে এগিয়ে চলছে। ৪র্থ শিল্প বিপ্লব পর্যায়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ, নজিরবিহীন পরিবর্তন ঘটিয়ে চলছে মাুনষের জীবিকা ও জীবনযাপন প্রণালীতে। এর ফলে বর্তমান কর্মক্ষেত্র ও পেশার অনেক কিছুই ভবিষ্যতে থাকবে না। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রচলিত কর্মজগতের ৩ ভাগের ২ ভাগ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আমাদের দেশে ৬৫% শিক্ষার্থী যারা এখন প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে রয়েছে তারা তাদের শিক্ষা জীবন শেষ করে যখন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবে তখন তাদের যে ধরনের পেশা হবে তা এখনও অজানা। হয়ত সেই সময় গাড়ী চালনার জন্য কোন চালক প্রয়োজন হবে না। ট্রাফিক পুলিশের প্রয়োজন হবে না। ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হবে না ব্যাংকে যাওয়ার বা বাজার করার জন্য প্রয়োজন হবে না কাগজের নোট সঙ্গে রাখার।<br />
ভবিষ্যতে এমন এমন অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে যার অনেক কিছুই বর্তমান সময়ে অবস্থান করে ধারণা করাও অসম্ভব। বিশ্বায়নের ফলে দেশে-দেশে, সমাজে সমাজে ভৌগলিক দূরত্ব কমে যাচ্ছে এবং কর্মক্ষেত্রের সুযোগ ও হচ্ছে অবারিত।<br />
৪র্থ শিল্প বিপ্লবের এ যুগে বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির অকল্পনীয় পরিবর্তন সাধিত হবে। পরিবর্তীত এ বিশ্ব পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনশত বছরের পুরাতন শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি রোবোটিকস, কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকা যাবে না।<br />
এই উপলব্ধি থেকে বাংলাদেশ সরকার ২০১৭-২০১৯ ব্যাপী বিভিন্ন গবেষণা পর্যালোচনাকরে নতুন বিশ্বপরিস্থিতিতে টিকে থাকার মতো যোগ্য করে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে প্রাক -প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেনি পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন শিক্ষাক্রম উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।<br />
প্রধানমন্ত্রী ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে সংশোধিত পাঠ্যক্রম অনুমোদন দিয়েছেন। পরবর্তিতে ৩০ মে ২০২২ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের জাতীয় কারিকুলাম সমন্বয় কমিটির যৌথ সভার কারিকুলামের রূপ রেখা অনুমোদিত হয়।<br />
নি:সন্দেহে এটি একটি যুগপোযোগি ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরীতে সহায়ক শিক্ষাক্রম। ২০২৩ সাল থেকে এটি বাস্তবায়ন শুরু হবে এবং ২০২৫ সাল থেকে পুরোদমে বাস্তবায়িত হবে।<br />
এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন বৈশ্বিক নাগরিক তৈরীতে সহায়ক পাঠ্যসূচী ও পাঠ্যপুস্তক উন্নয়ন, দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী তৈরী এবং সহায়ক অন্যান্য উপকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন। এ বিপুল কর্মযজ্ঞের সার্বিক বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট সকলের স্ব:তস্ফূর্ত অংশগ্রহন। সরকারের একার পক্ষে কখনই সম্ভব নয় এটির সফল বাস্তবায়ন।<br />
এ জন্য শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্ধ এবং এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও মনিটরিং একান্ত প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত অংশগ্রহন ও মনিটরিং এ উদ্যোগকে সার্থক করে তুলতে পারে। এর পাশাপাশি অভিভাবক ও কমিউনিটিকে শিক্ষা ব্যবস্থায় সংযুক্ত করতে হবে নিবিড়ভাবে।<br />
বর্তমানে আমাদের দেশের প্রায় ২৪ শতাংশ লোক স্বাক্ষর জ্ঞানহীন, এই বিপুল সংখ্যাক জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার বাহিরে রেখে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন ও সম্ভব নয়। একটি শিক্ষিক মা যেমন একটি শিক্ষিত পরিবার তৈরী করতে পারে, তেমনি এই ২৪% জনগোষ্ঠিকে অনানুষ্ঠানিক বা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় এনে শিক্ষিত করে তোলা এবং পরিবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের সম্পৃক্ত করা এখন সময়ের দাবী। সরকারের উচিত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাকে সাথে নিয়ে এ বিপুল জনগোষ্ঠিকে স্বাক্ষর করে গড়ে তোলা ও কারিগরি শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসা।শিক্ষাক্ষেত্রে অভিভাবকদের অংশগ্রহন সফল শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের অন্যতম নিয়ামক। অনেক সুন্দর আয়োজন ও অভিভাবকদের অনিহার কারণে ভেস্তে যায়। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশে ও বিদেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকা সত্ত্বেয়ও আমাদের অভিভাবকদের অসচেতনতা, অনাগ্রহের ফলে দেশে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার তৈরী হচ্ছে। তাই এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মনোভাব পরিবর্তনের জন্য ব্যাপক প্রচারণা প্রয়োজন।<br />
আমরা চাই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে পরিচালিত হোক যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা শেষ করে পছন্দমত পেশায় অংশগ্রহন সুযোগ পাক। অর্থ্যাৎ কর্মক্ষেত্র বা পেশা ভিত্তিক শিক্ষাক্রম চালু করা যাতে করে শিক্ষা ব্যবস্থা দক্ষতা ভিত্তিক যোগ্য পেশাদার কর্মীবাহিনী তৈরী করতে পারে। শিক্ষার্থীরা শুধু অর্থনৈতিকভাবেই অবদান রাখবেনা বরং তারা বৈষম্যহীন মানবিক ও মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসাবে গড়ে উঠবে। ২ স্তরের শিক্ষা ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রাথমিক স্তর ও উচ্চ শিক্ষা স্তর। প্রাথমিক স্তর হবে মূল্যবোধ নৈতিকতা ও কর্মমূখী শিক্ষা স্তর এবং উচ্চ শিক্ষা হবে গবেষণা ও উন্নয়ন ভিত্তিক।<br />
সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম একটি দেশ প্রেমিক, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন এবং আমাদের সংস্কৃৃতিমনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরী করা হোক আমাদের শিক্ষার মূল লক্ষ্য।</p>
<p>মো: মনিরুজ্জামান<br />
যুগ্ম পরিচালক,<br />
শিক্ষা ও টিভিইটি<br />
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।<br />
০১৭১৪৯৪৮৫৬৭<br />
monir2077@gmail. com</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2022/10/02/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d/">একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের শিক্ষা</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2022/10/02/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9e%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সত্যিকারে লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প হতে চান ফারহানা ইয়াসমিন</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2022/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2022/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Aug 2022 08:25:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top 6]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[সারা বাংলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=55109</guid>

					<description><![CDATA[<p>করোনা মহামারীতে যখন পুরো বিশ্ব নিথর ছিল। তখন গৃহবন্দী হয়ে ফারহানা নিজেকে ভালো রাখার পথ খুঁজতে লাগেন। ঠিক তখনই আলাদীনের চেরাকের ন্যায় একজন শিক্ষকের থেকে পথপ্রদর্শকের মতো গাইড লাইন পেয়ে এই গৃহবন্দী সময়টাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা শুরু করলেন। এরপর থেকেই ফারহানা নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্য পত্র-পত্রিকাতে লেখালেখি শুরু করেন। ইতিমধ্যে তার ১শ’র বেশি লেখা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, দেশীয় এবং স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। &#8216;আমার মুজিব&#8217; রচনা লিখন প্রতিযোগিতায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাটাগরিতে সারাদেশের মধ্যে ২২তম হন এবং শিক্ষকদের সাথে তার কয়েকটি গবেষণাপত্রও বিভিন্ন জ্নাালে প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকমাস আগে নিজের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2022/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b2/">সত্যিকারে লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প হতে চান ফারহানা ইয়াসমিন</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>করোনা মহামারীতে যখন পুরো বিশ্ব নিথর ছিল। তখন গৃহবন্দী হয়ে ফারহানা নিজেকে ভালো রাখার পথ খুঁজতে লাগেন। ঠিক তখনই আলাদীনের চেরাকের ন্যায় একজন শিক্ষকের থেকে পথপ্রদর্শকের মতো গাইড লাইন পেয়ে এই গৃহবন্দী সময়টাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা শুরু করলেন। এরপর থেকেই ফারহানা নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্য পত্র-পত্রিকাতে লেখালেখি শুরু করেন। ইতিমধ্যে তার ১শ’র বেশি লেখা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, দেশীয় এবং স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>&#8216;আমার মুজিব&#8217; রচনা লিখন প্রতিযোগিতায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাটাগরিতে সারাদেশের মধ্যে ২২তম হন এবং শিক্ষকদের সাথে তার কয়েকটি গবেষণাপত্রও বিভিন্ন জ্নাালে প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকমাস আগে নিজের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি দিকনির্দেশনামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করে পেয়েছেন “লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প” উপাধি। যার কথা বলছি তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহানা ইয়াসমিন। নিজের বিভাগের পড়াশোনা নিয়ে তিনি খুবই সিরিয়াস। প্রথম বর্ষে থাকা অবস্থায় তার বাবা জিজ্ঞেস করেছিলেন তার রেজাল্ট প্রথম দশজনের মধ্যে থাকবে কিনা। ১ম সেমিস্টারেই সবার থেকে ভালো রেজাল্ট করেন। সস্প্রতি তার অনার্সের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে।</p>
<p>আশা রাখেন পূর্বের ন্যায় অনার্সেও সেই রকম রেজাল্ট অব্যাহত থাকবে। নিয়মিত পড়াশোনা এবং অবসরে লেখালেখি এ দুটোই তার ডেইলি রুটিনের বিরাট একটি অংশ জুড়ে আছে। স্বপ্ন তার বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া। ‘দীর্ঘ চেষ্টা এবং সাফলতা যেন এক সুতোয় বাঁধা’ কথাটি বিশ্বাস করে স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজেকে সে ভাবে প্রস্তুত করছেন ফারহানা ইয়াসমিন।</p>
<p><strong>ফারহানা ইয়াসমিন</strong><br />
<em>সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়</em></p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2022/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b2/">সত্যিকারে লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প হতে চান ফারহানা ইয়াসমিন</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2022/08/22/%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a1%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিক্ষক মন্ডলীর উদ্দেশ্যে দুটি কথা-তাইজুল ইসলাম</title>
		<link>https://oldwp.report71.com/2022/07/17/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://oldwp.report71.com/2022/07/17/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Jul 2022 10:25:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Top 6]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[সারা বাংলা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://report71.com/?p=52577</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিক্ষক সমিতি নির্বাচনঃ সম্মানিত শিক্ষক মন্ডলী সবার উদ্দেশ্যে দুটি কথা। আমরা যারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি,তাদের অনেক সংগঠন। স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়। এত সংগঠন যে কোন শিক্ষক হয়রানির শিকার হলে কোন সংগঠন এগিয়ে আসেনা অথবা কোনটা রেখে কোনটা আসবে তা ভাবতে ভাবতে সময় চলে যায়। আবার কেউ সরকারি সংগঠন আবার কেউ ভিন্ন মতের। ফলে আন্দোলন করে সরকারের কাছ থেকে কিছু আদায় করা অথবা শিক্ষক হয়রানি বন্ধ করা কিছুই হয়ে উঠে না। সম্মানিত শিক্ষক মন্ডলীঃ তার চেয়ে সরকারি কলেজ গুলোর মত সংগঠন যতোটা থাক বছরে নির্বাচন হবে তাতে সবাই ভোট দিয়ে যে সংগঠন কে</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2022/07/17/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87/">শিক্ষক মন্ডলীর উদ্দেশ্যে দুটি কথা-তাইজুল ইসলাম</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শিক্ষক সমিতি নির্বাচনঃ সম্মানিত শিক্ষক মন্ডলী সবার উদ্দেশ্যে দুটি কথা। আমরা যারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি,তাদের অনেক সংগঠন। স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়। এত সংগঠন যে কোন শিক্ষক হয়রানির শিকার হলে কোন সংগঠন এগিয়ে আসেনা অথবা কোনটা রেখে কোনটা আসবে তা ভাবতে ভাবতে সময় চলে যায়। আবার কেউ সরকারি সংগঠন আবার কেউ ভিন্ন মতের। ফলে আন্দোলন করে সরকারের কাছ থেকে কিছু আদায় করা অথবা শিক্ষক হয়রানি বন্ধ করা কিছুই হয়ে উঠে না। সম্মানিত শিক্ষক মন্ডলীঃ<br />
তার চেয়ে সরকারি কলেজ গুলোর মত সংগঠন যতোটা থাক বছরে নির্বাচন হবে তাতে সবাই ভোট দিয়ে যে সংগঠন কে নির্বাচিত করবে,তারা নেতৃত্ব দিবে। এতে করে যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের ইউনিটি থাকবে।যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। তা না হলে আমরা দিনের পর দিন নিষ্পেসিত হবো। আপনারা যদি লক্ষ্য করেন,সরকারি যে কোন সংগঠন নির্বাচনের মাধ্যমে হয়। এবং তারা তাদের দাবি আদায় করতে সক্ষম।<br />
<img loading="lazy" decoding="async" src="https://report71.com/wp-content/uploads/2022/07/Capture-2.jpg" alt="" width="327" height="521" class="alignnone size-full wp-image-52579" srcset="https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2022/07/Capture-2.jpg 327w, https://oldwp.report71.com/wp-content/uploads/2022/07/Capture-2-188x300.jpg 188w" sizes="auto, (max-width: 327px) 100vw, 327px" /><br />
আর আমরা বিভিন্ন যায়গায় যে বিপদের সম্মুখীন হই তার জন্য কোন পদক্ষেপই আমরা নিতে পারিনা।<br />
আসুন আমরা সবাই একমত পোষণ করে আগামী দিনের চলার পথকে সুগম করি।</p>
<p>তাইজুল ইসলাম<br />
অধ্যক্ষ<br />
গুঠিয়া আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজ বরিশাল।</p>
<p>The post <a href="https://oldwp.report71.com/2022/07/17/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87/">শিক্ষক মন্ডলীর উদ্দেশ্যে দুটি কথা-তাইজুল ইসলাম</a> appeared first on <a href="https://oldwp.report71.com">Report71.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://oldwp.report71.com/2022/07/17/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
