বাবা ধারের টাকা শোধ করতে না পারায় মেয়ে তুলে দেন ধর্ষকের হাতে। ধর্ষক ওই কিশোরীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে। পরে জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯-এ ফোন দিলে মঙ্গলবার রাত ১২ টায় কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
উদ্ধারের পর কিশোরীকে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগে আনা হয়েছে।
পুলিশের একজন উপপরিদর্শক জানান, কিশোরীর বাবা বছর খানেক আগে পাশের এক মুরগি বিক্রেতার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার করেছিলেন।
মেয়েকে ধর্ষণের সুযোগ দিলে টাকা ফেরত দিতে হবে না—এমন শর্ত বেঁধে দেন ওই মুরগি বিক্রেতা।
ওই কিশোরী জানান, সংসারে দারিদ্রের কারণে তার মা বিদেশে কাজের খোঁজে গেছেন।
গত ১১ জানুয়ারি আবার ধর্ষণের শিকার হলে মেয়েটি এক প্রতিবেশীকে জানায়।
তিনিই পরে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।