• ২২শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালে টিইউসির করনো ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ২২, ২০২০, ১৫:০১ অপরাহ্ণ
বরিশালে টিইউসির করনো ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় বরিশাল অশ্বিনী কুমার হলের সামনে টিইউসি, বরিশাল জেলা কমিটির পÿ থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
শ্রমিক নেতা এ্যাড. এ কে আজাদ এর নেতৃত্বে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জে কে মুকুল, স্বপন দত্ত, সামসুল হক খান, তুষার সেন, সোহাগ মোলøা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
শহরের সদর রোড, চকবাজার, গীর্জামহলøা, পোর্ট রোড, কলাপট্টি, ৪, ৫ ও ৭নং পলাশপুর ব¯িÍ, গগন গলি, পোর্ট রোড ব্রিজ, আমানতগঞ্জে এ লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

করোনা প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরী (ডঐঙ) পরামর্শ
প্রতিবার সাবান পানি দিয়ে কমপÿে ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে। নাক, চোখ, কান ও মুখ বারবার স্পর্শ করা যাবে না। জ্বর বা ঠান্ডা হলে অসুস্থ ব্যক্তির কাছে যাওয়া যাবে না। গণজমায়েত, ভিড় ও পাবলিক প্লেসে যাওয়া যাবে না। অসুস্থ পশুপাখি খাওয়া যাবে না। কারো আহার করা খাবারের অংশ খাওয়া যাবে না। সকল ধরনের খাবার সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে রান্না করতে হবে। পাবলিক পরিবহন ও ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে হবে। অসুস্থ হলে দ্রæত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। প্রতিদিন নিজের কর্মস্থল পরিস্কার করতে হবে। মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। টিস্যু ব্যবহারের পর ফেলে দিয়ে হাত পরিস্কার করতে হবে। গুজবে কান দিবেন না, ধর্মীয় কুসংস্কারকে এড়িয়ে চলুন।
কারও সঙ্গে হাত মেলানো (হ্যান্ডশেক) বা কোলাকুলি করতে নিরুৎসাহিত করা।
অফিস আদালতে যাতে ভীড় না হয় তার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।
জেলখানায় পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়, ব¯িÍসমূহে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতন করা।
জনসচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন শিÿা প্রতিষ্ঠান, এলাকাগুলোতে আলোচনা, প্রচারপত্র বিলিসহ সচেতনতা তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা।
দোকান পাট, হাটবাজার, শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কর্মচারীদের মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং মালিকের উদ্যোগে সাবান পানির ব্যবস্থা করা।
বরিশালের লঞ্চঘাট, বিমানবন্দর ও বাস টার্মিনালে করোনা ভাইরাস পরীÿার জন্য থার্মাল স্ক্যানার ও মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের আগমনের সাথে সাথে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা।
অন্য জেলার মানুষদের বরিশালের আসার ÿেত্রে নিরুৎসাহিত করা।
মেডিকেল সমূহে অসুস্থ রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধি করা।