আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের আপাদকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় আমতলী পৌরসভার উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঘরে থাকা হতদরিদ্র কর্মহীন শ্রমজীবি দুই হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেয়া হয়েছে।
সামাজিক সুরÿা বজায় রেখে শনিবার আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেন।
মেয়রের এমন মহতি উদ্যোগে অভিভুত পৌরবাসী।
জানাগেছে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস রোধে সরকারের নেয়া উৎকৃষ্ট সিদ্ধান্তে কর্মহীন হয়ে পরেছে উপজেলার কয়েক হাজার হতদরিদ্র শ্রমজীবি মানুষ।
এ শ্রমজীবি পরিবারকে করোনা ভাইরাসের আপাদকালিন সময়ে খাদ্য সহায়তা বরাদ্দ দেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ শ্রমজীবি পরিবারগুলোর মধ্যে দুই হাজার হতদরিদ্র পরিবার খুঁজে খুঁজে আমতলী পৌরসভার উদ্যোগে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান দ্বারে দ্বারে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেন।
পৌর মেয়রের এমন মহতি উদ্যোগে অভিভুত পৌরবাসী।
হতদরিদ্র প্রত্যেক পরিবারকে দশ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, এক কেজি ডাল, এক লিটার তেল ও একটি করে সাবান দেন।
পৌরসভার ওয়াবদা সড়কের বৃদ্ধা কনক রানী বলেন, মুই গুড়াগাড়া নাতি-পুতি লইয়্যা গত ছয় দিন ধইর্যা ঘরের মধ্যে আছি।
মোর ঘরে ত্যামন খাবার আলেø না।
মেয়র মোগো খাবার দিয়া গ্যাছে। ভগবান হ্যারে বাচাইয়্যা রাহুক।
পৌরসভার লঞ্চঘাট এলাকার শিরু মিস্ত্রি বলেন, মুই বুড়া মানু চাউল-ডাইল আনতে যাইতে পারি নাই।
মেয়র মোর ঘরে ব¯Íা ভইর্যা চাউল-ডাইল দিয়া গ্যাছে।
আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস রোধে বাংলার মানুষকে রÿায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যুগান্তকারী পদÿেপ নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এ পদÿেপ বা¯Íবায়নে প্রাণপণ চেষ্টা করবো।
যতদিন পৌরবাসী ঘরে কর্মহীন থাকবে ততদিন আমি তাদের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেব।
আমতলী পৌরসভার কর্মহীন একজন মানুষকে না খেয়ে থাকতে দেব না।
তিনি আরো বলেন, দুই হাজার মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।
যদি কারো খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন হয় পৌরসভার হটলাইনে জানালে আমি তার ঘরে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেব।