হোসাইন আমির, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি)
প্রাণঘাতী করোনায় পর্যটন নগরী সাগর কন্যা কুয়াকাটায় কর্মহীন হয়ে পরছে কয়েক হাজার হোটেল মোটেলে থাকা কর্মচারীরা। হতাশ হয়ে পড়ছে এসবের পরিবার গুলো। খাবার ও নিত্য প্রয়োজনীয় তার জন্য দিন দিন কর্মহীন হোটেল কর্মচারীরা এখন বিপদ কটানোর দিকে চেয়ে আছে।
আর আলøাহ আলøাহ করে দিন পার করছে। শত অভাবে তাড়ো না করলেও লজ্জায় মুখ খুলতে পারছে না এরা। কারো কাছে হাত পাত্তে পারে না এরা। ত্রানের খাতাও নাম উঠছে না এদের।
এ ভাবে চলতে থাকলে অর্ধহারে অনাহরে মারা যেতে পারে এমন আশংকা করছে সবাই। সামনে রমজান চাকরীর কর্মস্থানে না শুরু হলে পরিবার নিয়ে কি ভাব দিন কাটাবে সে চিন্তায় মহাপ্রলয়ে চেপে বসেছে।
খোজ নিয়ে জানা যায় গত ১৭ মার্চ শুরুতেই ১০ দিন আগে হোটেল মোটেল এবং ওয়াটার বাসসহ ট্যুরিস্ট বোট গুলো বন্ধ করে দেয় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক।
এর পড়ে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় বার্মিজ মার্কেট, সীবিচের ঝিনুক মার্কেট, রাখাইন মহিলা মার্কেট, শুটকির দোকান,খাবার রে¯েÍারা,মিউজিয়াম,ইলিশপার্কসহ ছোট বড় মাঝারি সকল ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এ কর্মযজ্ঞের প্রাণঘাতী করোনার থাবায় মার্চেও ১৭ বন্ধের পরে কর্মচারীদের মালিক পÿ সবাইকে ছুটি দিয়ে দেয়। অনেকের বেতন দিয়ে আবার অনেকে ১-২ মাসের বকেয়া দিয়ে বিদায় দেন। সৈকত হোটেলের ম্যানেজার মোঃ সোহেল (২৭) বলেন হোটেল বন্ধের সাথে সাথে আমাদের হোটেলে থাকা ২০ জন কর্মচারী বিদায় দিয়ে দিছে কিছু টাকা দিয়ে কিন্ত বকেয়া বাকি আছে চাইতে গেলে মালিক বলছে আমরাই তো চলতে পারি নে আবার তোমাদের কি ভাবে দিব।
বীচের পারে হোটেল সী প্যালেস ম্যানেজার রুবেল (২৫) বলেন আসলে কি বলবো আমাদের কথা হোটেলে মুলত কর্মচারীদের তেমন কোন বেতন নেই গেস্ট থাকলে তাদের সেবা দিয়ে যে বকশিস পাই আমরা সবাই মিলে মাস শেষে ভাগ বাটোয়া করে নি।
এখন তোর নিরুপায়। অভিজাত হোটেল খান প্যালেস‘র শুকুর জানান, গত মাসের বেতন দিয়ে আমাদের ৪২ জনকে বিদায় দেয় মালিক পÿ কিন্ত এদিকে আমাদের এলাকায় সেই ত্রানের খাতায় নাম না থাকায় আমরা কিছু বলতের পারছিনা কর্তাব্যক্তিদেরঅভাবের জ্বালা দেখানোর মত মানুষ পাইনে। এ ভাবে চলতে থাকলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে মারা যেতে হবে।
হাজার হাজার হোটেল কর্মচারী রিতীমত অর্ধহারে থাকতে শুরু হয়েছে আর কতদিন এভাবে চললে কি হবে তাদের ভাগ্যের কি ঘটবে তা তারা ভেবে পাচ্ছে না । অর্ধহারে অনাহারে থাকা হাজার হাজার হোটেল কর্মচারী নিত্য প্রয়োজনীয় যাতে পাইতে পারে তার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী তোলেন। ###