নিজেস্ব প্রতিবেদক, বাকেরগঞ্জ
বাকেরগঞ্জে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ভাগ্নেদের হামলায় মামা আপাং তালুকদার (৪০) নিহত ঘটনায় হত্যা মামলার ১০ দিনও গ্রেফতার হয়নি মূল আসামিরা।
নিহতের বড় বোন কাজল বেগম জানান, আমার ছোট ভাই আপাং তালুকদারকে দিবালোকে প্রকাশ্য শাবল দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হলেও হত্যার সাথে জড়িত কেউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
বিষয় বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম জানান, আপাং তালুকদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৪ ও ৫ নম্বরে থাকা মর্জিনা বেগম ও কমলা বেগমকে ওই দিনই গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও হত্যার সাথে জড়িত আপাং তালুকদারের সৎ বোনের ছেলে রাসেল চৌকিদার, রাজিব চৌকিদার ও আরিফ চৌকিদারকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, ২৬ এপ্রিল রোববার সকালে উপজেলার কবাই ইউনিয়নের শিয়ালঘূণী গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান আলী হোসেন তালুকদার ওরফে সোনা মিয়ার ছেলে আপং তালুকদারকে বেদম শাবল দিয়ে পটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে ভাগ্নেরা। ওই দিন বেলা ১টার দিকে বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে তার মুত্যু ঘটে। স্থানীয়রা জানান, জমিজমা নিয়ে সৎ বোনের ছেলে রাজিব চৌকিদার, রাসেল চৌকিদার ও আরিফি চৌকিদারের সঙ্গে আপাং তালুকদারের দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। বিরোধীয় জমিতে রান্নাঘর তোলা নিয়ে আবারও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় জমির ভাগাভাগি নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আপাংকে শাবল দিয়ে উপর্যপুরি পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা আপাংকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেলে প্রেরন করলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ওই দিন তার বড় বোন কাজল বেগম বাদি হয়ে ৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।