• ২৩শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মসজিদে মসজিদে নামাজ আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ৮, ২০২০, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
বরিশালে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মসজিদে মসজিদে নামাজ আদায়

বরিশাল ব্যুরো
স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বরিশালে প্রায় এক মাস পর মসজিদে নামাজ আদায় করেছে মুসল্লিরা। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপকতা ঠেকাতে সরকার এক মাস আগে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। মসজিদে জামাত চালু করা হলেও দেয়া হয়েছে শর্ত। শুক্রবার নগরীতে জুম্মার ওয়াক্তে মসজিদে মসজিদে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।
সরকারি বরিশাল কলেজ জামে মসজিদের মোয়াজ্জেম মাওলানা আবুল বাসার বলেন, আমাদের মসজিদে সরকারের দেওয়া সব শর্ত মেনে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। পুরো রমজানজুড়ে এভাবেই আমরা সালাত আদায় করবো। তিনি বলেন, সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে মসজিদে নামাজ আদায় করলে করোনার প্রভাব ঘটবে না। অন্য সময়ের মতো কাতারে না দাঁডড়য়ে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে দাঁড়ানোয় আজ মনে হচ্ছে অনেক মানুষ মসজিদে নামাজ পড়তে এসেছেন। আমার মনে হয় সরকারের বেঁধে দেওয়া শর্ত মেনে চললে করোনা ভাইরাস ছড়াবে না।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিধিগুলো হচ্ছে মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুণাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দাযড়ত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। কাতারে নামাজে দাঁঙানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব অর্থাৎ তিন ফুট পর পর দাঁঙাতে হবে। শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের ওজুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না। সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না। উল্লিখিত শর্ত পালন সাপেক্ষে প্রত্যেক মসজিদে সর্বোচ্চ পাঁচজন নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ইতেকাফ এর জন্য অবস্থান করতে পারবেন। করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব ও ইমামদের অনুরোধ করা যাচ্ছে। এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার হবে। খতিব, ইমাম ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ##