• ২৩শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে এমপি শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ১৫, ২০২০, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
করোনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে এমপি শাহে আলম

মিজানুর রহমান রনি, উজিরপুর(বরিশাল) থেকেঃ
করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসিত হয়েছেন বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহে আলম তালুকদার। মানুষ, মানুষের জন্য তার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এই সাংসদ। অন্য অনেক সাংসদ যখন এলাকা ছেড়ে ঢাকায় অবস্থান নিয়েছেন, তখন এই সাংসদ তার এলাকায় সহায়তা নিয়ে ছুটে চলেছেন মানুষের বাড়ি বাড়ি। করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকেই এলাকায় আছেন তিনি। প্রতিদিনই নিজ সংসদীয় এলাকায় সংকটে পড়া মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। শুধু নিজে নন;দলের নেতাকর্মীদেরও এই কাজে নামিয়েছেন তিনি। দুর্যোগকালীন অবস্থায় এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছে এলাকার মানুষ। উজিরপুর-বানারীপাড়া দুই উপজেলা নিয়ে বরিশাল-২ আসন। সরকারি ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনা সংক্রমণের কারণে সঙ্কটে পড়া মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছেন তিনি। গত ৬মার্চ ঢাকায় স্ত্রীকে রেখে এলাকায় চলে আসেন শাহে আলম। এখন পর্যন্ত তিনি এলাকায় রয়েছেন এবং প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সাংসদ শাহে আলম নিজ এলাকার জনগণকে সচেতন করতে শুরু করেন। এসময় করণীয় নির্ধারণে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। লকডাউন ঘোষণার পর বিপাকে পড়া মানুষদের খাদ্য সহায়তা প্রদান শুরু করেন তিনি, যা অব্যাহত রয়েছে। রমজান মাস শুরু হওয়ার পর অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। দুই উপজেলায় ইমাম, মোয়াজ্জিন, পুরোহিতদেরও তিনি ইফতার ও খাদ্র সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন । এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি। যেভাবে ভোট চাইতে জনগণের দুয়ারে গিয়েছে সেভাবেই খাবার নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছি। আমাকে জনগন ভোট দিয়ে তাদের সেবার জন্য সংসদে পাঠিয়েছে। আর আজ এই জাতির ক্রান্তিলগ্নে আমি তাদের পাশে ধারাবো না তা হতে পারে না! ’ আমি নিতে আসি নাই, দিতে এসেছি, সাধারন মানুষের সেবা করতে এসে যদি আমার জীবন চলে যায় তাতে আমার আপত্তি নেই। তিনি বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা যদি মাঠে নেমে কাজ করতে পারেন,’ আমরা জনপ্রতিনিধিরা কেন পারবো না? শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এখন সকল জনপ্রতিনিধির মানুষের পাশে থাকা উচিত।‘সরকারি সহায়তার পাশাপাশি নিজের পক্ষ থেকে অভাবী মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।