• ২৩শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪ দিনেই করোনা থেকে মুক্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ১৬, ২০২০, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ণ
৪ দিনেই করোনা থেকে মুক্তি!

প্রাণঘাতী মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব।

কবে নাগাদ এই সংকট থেকে মুক্তি মিলবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

এমন অবস্থার মধ্যেই বিশ্ববাসীর জন্য সুখবর নিয়ে এলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সোরেন্টো থেরাপিউটিকস নামে একটি বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানি।

করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি বা প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছে বলে দাবি করছে তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শুক্রবার কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডা. হেনরি জি বলেন, কভিড-১৯ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি আবিষ্কার করেছে তারা।

এটি করোনা রোগীদের চিকিৎসায় শতভাগ কার্যকর।

এমনকি অ্যান্টিবডিটি দেহে প্রয়োগ করার মাত্র চারদিনের মধ্যেই রোগী সুস্থ হয়ে যাবেন।

এই অ্যান্টিবডি নিয়ে প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর সোরেন্টো থেরোপিউটিকস পরবর্তী কার্যক্রমে এগোচ্ছে।

তবে কোম্পানিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আগেই এই ‘বিশেষ খবরটি’ দিয়েছে ফক্সনিউজ।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণজনিত রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিবডির ব্যবহার শত বছর ধরে চলে আসছে।

যদিও এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।

সেজন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সফল অ্যান্টিবডি বা করোনামুক্ত ব্যক্তির প্লাজমায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা নতুন চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা।

এতো শঙ্কা-সন্দেহ সত্ত্বেও সোরেন্টো থেরোপিউটিকসের কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন, করোনাভাইরাসের সফল চিকিৎসার চাবিকাঠি পেয়ে গেছেন তারা।

তাদের দাবি, গবেষণার অংশ হিসেবে তারা গত দশকে শত কোটি অ্যান্টিবডি সংগ্রহ করেছেন এবং সেগুলোর স্ক্রিনিংও করেছেন।

এর মধ্যেই ডজনখানেকের মতো এমন অ্যান্টিবডি রয়েছে, যারা কার্যত করোনাভাইরাসকে মানুষের শরীরে গেঁড়ে বসা থেকে ঠেকিয়ে দিতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বকে কাবু করে ফেলেছে।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল।

এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত সোয়া ৪৫ লাখ।

মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন লাখ। তবে ১৭ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৪ লাখের বেশি এবং মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮৬ হাজার।

এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন আবিষ্কারে নির্ঘুম রাত কাটছে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের।

শত শত কম্পানি এই ওষুধ আনার লড়াইয়ে নামলেও এখন পর্যন্ত কেউই সুখবর দিতে পারছে না।

বেশিরভাগ প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিনই পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।

এরই মধ্যে এমন খবর দিল সোরেন্টো থেরাপিউটিকস।