হোসাইন আমির,কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ-
কুয়াকাটায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের মোকাবেলায় প্রস্তত রয়েছে কুয়াকাটার প্রশাসন। ইতি মধ্যো উপজেলায় প্রত্যেকটি উপকূলীয় বেরীবাঁেধ বাহিরে থাকা সকল জনসাধারনকে সর্তাক করা হয়েছে। বিশেষ করে বেড়িবাঁধ ভাঙ্গা জনপদ লালুয়ার চারিপাড়াসহ ১১ গ্রামের কমপক্ষে আড়াই হাজার পরিবার জলোচ্ছ¡াস উৎকন্ঠায় পড়েছেন। একই শঙ্কায় সাগরপাড়ের কুয়াকাটা ঘিরে থাকা ৪৮ নম্বর বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের কুয়াকাটা পৌরসভা, লতাচাপলী ও ধুলাসার ইউনিয়নের ৫০ হাজার মানুষের। ওই বাঁধের সবগুলো ¯øুুইসগেটগুলোর পুনঃ নির্মাণের কাজ চলছে যার জন্য এইসব এলাকার লোকজন অতংকে রয়েছে। অপর দিকে মহিপুর নিজামপুরে বাঁধগুলো বিধ্বস্থ থাকায় অস্বাভাবিক জোয়ারে হানা দেওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে আকাশ কিছুটা মেঘলা। গুমোট ভাব বিরাজ করছে। সাগর উত্তাল রয়েছে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে রোজাদার মানুষের ত্রাহি অবস্থা। একদিকে চলছে করোনার আতঙ্ক তার ওপর নতুন করে ঘুর্ণিঝড়ের হানা এ নিয়ে এখানকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক, শঙ্কা বিরাজ করছে। সিপিপির কলাপাড়া উপজেলারর টিম লিডার আসদুজ্জামান জানান, আমাদের প্রতিটি পৌরসভার ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে সিপিপির বøান্টিয়ারের সদস্যরা খুব দ্রæত কাজ চালাচ্ছেন করোনার সামাজিক দূরত্বতা বজায় রেখে। সন্ধ্যার পরে সাইক্লোন্ট সেন্টার জনগনকে নিরাপদে আনার জন্য কাজ করছে।
কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আঃ বারেক মোল্লা বলেন- ঘুর্ণিঝড় আম্ফান এই এলাকায় আঘাত হানতে পারে এ সংবাদ পেয়ে আমরা জরুরি মিটিং করছি সকল কাউন্সিলদের নিয়ে। আমরা প্রস্তত আছি। সকল মোকাবেলার জন্য। সাইক্লোন্ট সেন্টার ও বড় বড় আবাসিক হোটেল গুলো খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়া আছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মো শহিদুল হক জানান, উপজেলার সকল কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে করোনা সকল সামাজিক দুরত্ব রেখে আমার এই দূর্যোগ মোকাবেলা করতে সক্ষম হবো। এবং দ্বায়িত্ব রত এলাকা বাসিন্দাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যে কাজও শুরু করেছেন।তিনি আরো জানান উপজেলায় সিপিপির মোট-২৪ শ কর্মী সর্তক করনীয় বিজ্ঞপ্তি মাইকিং সহ বিভিন্ন প্রকার প্রচার প্রচারণা করে ইতো মধ্যে মাঠে রয়েছে।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন চলমান করোনার কারনে এমনিতেই সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেয়া আছে আবার ঘুর্ণিঝড়ের কারনে যারা আশ্রয়কেন্দ্রে যারা আসবেন তাদেরকে ফাকা ফাকা করে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
জেলায় ৭০১ টি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং পর্যানপ্ত ওষুধ, শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, জানান তিনি।
এছাড়াও প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল টিম ও স্বেচ্ছ¡াসেবকও প্রস্তত রাখা হয়েছে।