বরিশাল ব্যুরো
বরিশাল বিভাগের চার জেলার ৪৫ গ্রামে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামীকাল রোববার পবিত্র ঈদ-উল ফিতর পালন করা হবে। চট্টগ্রামের চন্দনাইশ শাহসুফি দরবার শরিফ, সাতকানিয়া মির্জাখালী দরবার শরিফ এবং আহমাদিয়া জামাত অনুসারী এসব গ্রামবাসী দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছেন। ওইসব এলাকার মুসল্লীরা জানিয়েছেন, করোনার কারনে স্বাস্থ্যবিধি অনুসারন করেই ঈদ এর জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ শাহসুফি দরবার শরিফ ও সাতকানিয়া মির্জাখালী দরবার শরিফের অনুসারী। জেলার হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, মুলাদীসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার কয়েক হাজার মানুষও প্রতি বছরের নেয় এবারও একদিন আগে ঈদ উদডাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।
জানতে চাইলে বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা গ্রামের মুসল্লি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ শাহসুফি দরবার শরিফের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিবছর ঈদ পালন করে আসছেন। এবারও চাঁদ দেখা স্বাপেক্ষে এমনটাই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনে রোববার ঈদের জামাত গতে পারে।
এদিকে উপকূলীয় এলাকা পটুয়াখালীর ২২ গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। গ্রামগুলো হচ্ছে- পটুয়াখালীর গলাচিপার সেনের হাওলা, পশুরী বুনিয়া, নিজ হাওলা, কানকুনি পাড়া, বাউফলের রাজনগর, বগা, তাঁতেরকাঠি, মদনপুরা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদি চন্দ্রপাড়া, কনকদিয়া, দিপাশা, শাপলা খালী, আমিরাবাদ, কলাপাড়ার দণি দেবপুুর।
আর এক উপকূলীয় এলাকা বরগুনা জেলার আমতলী, পাথরঘাটা, বরগুনা সদর, বেতাগী উপজেলার ৫ সহ¯্রাধিক অনুসারী রোববার ঈদ পালনে প্রস্তুতি নিয়েছেন।
দ্বীপ জেলা ভোলার পাঁচ উপজেলার ১০টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার পরিবারের লোকজন সুরেশ্বরী ও সাতকানিয়া পীরের অনুসারী। ভোলা সদরের ইলিশা, বোরহানউদ্দিনের মুলাইপত্তন, টবগী, পয়িা ও পশ্চিম মুলাইপত্তন, লালমোহন পৌর এলাকা ফরাজগঞ্জ ও লাঙ্গলখালী, তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর ও শম্ভুপুর এবং চরফ্যাশন উপজেলার আমিনাবাদ গ্রামর প্রায় ৫ হাজার মানুষ রোববার ঈদ উল ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।##