সৈয়দ নূর-ই আলম
পিএসজি ০-১ বায়ার্ন মিউনিখ
গল্প ছিল অনেকগুলো। ২২ জনের সবার সঙ্গে সবার লড়াই। যে গল্পটা ম্যাচের আগে কম হলো, সেটাই হয়ে গেল চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের গল্প। দুর্দান্ত প্রথমার্ধের পর ৫৯ মিনিটে গিয়ে ম্যাচের গিঁট খুলল এক প্যারিসিয়ানের গোলে। কিন্তু সেই প্যারিসিয়ান খেলেন জার্মান দলের হয়ে। বায়ার্ন মিউনিখ কোচ ফাইনাল ম্যাচের একাদশে যে একটি পরিবর্তন করেছিলেন তিনিই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছেন। জশুয়া কিমিখের ঝুলিয়ে দেওয়া ক্রস দূরের পোস্টে হেড করতে কিংসলে কোমানকে লাফাতেও হয়নি। এর আগে বেশ কিছুক্ষণ ধরে চাপে ছিল পিএসজি। বায়ার্ন সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে। কোমান শুধু পার্থক্য গড়ে দেওয়া গোলটা করেছেন সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে। তাতে সাত বছর আরেকবার ইউরোপাসেরা বায়ার্ন মিউনিখ।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাটা তাই উঠছে ম্যানুয়েল নয়্যারের হাতে। সবার আগে শিরোপার দাবিদারটা আসলে তিনিই। দুই অর্ধে দুর্দান্ত দুইটি সেভ করে পিএসজিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেননি জার্মান গোলরক্ষক। তবে পিএসজিও একটা জায়গায় সরব হতে পারে। ৭৩ মিনিটে একটা পেনাল্টি বোধ হয় প্রাপ্যই ছিল পিএসজির। কিমিখ বক্সের ভেতর পেছন্ত থেকে ট্যাকেল করেছিলেন এমবাপেকে। বল পাননি কিমিখ, পেয়েছিলেন এমবাপের পা। পিএসজির খেলোয়াড়রাও মাঠে আবেদন করেননি তেমন। রেফারির পর ভিএআরও সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কাঁটাছেড়া করেনি।
বায়ার্ন শিরোপা জিতল যোগ্য দল হিসেবেই, পুরো টুর্নামেন্টে ১১ ম্যাচ জিতে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এমন রেকর্ড নেই একটিও। এই বায়ার্ন অপরাজেয়ই।