পিপিপি নয় ব্যক্তিমালিকদের হাতেই তুলে দেয়া হচ্ছে রাষ্ট্রয়ত্ত পাটকল গুলোকে। বিএনপি-জামাত জোট সরকার যা করতে পারে নাই এই আমলে সেটাই হতে চলছে। রাষ্ট্রয়ত্ত পাটকল গুলোর প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক এখন কর্মহীন গোল্ডেন হ্যান্ডশেক এর টাকা তারা কবে পাবে জানেনা! তাছাড়া করোনাভাইরাস কালে ওই টাকা দিয়ে নতুন কর্মোদ্যোগ সৃষ্টি করা যাবে না, বন্ধ করে দেয়া পাটকলগুলো কে রাষ্ট্রয়ত্ত খাতে রেখেই তাকে আধুনিকায়ন করতে হবে, তাহলেই সোনালী আঁশ সোনা ফলাবে, গলার ফাঁস হবে না।
আজ ২৮ আগস্ট শুক্রবার বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির বরিশাল জেলা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় পার্টির সভাপতি জনতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি, একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রয়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দিয়ে কেবল পাট শিল্প শ্রমিক নয় পাট চাষ ও পাট চাষীদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। অথচ, পাট ১০০ ভাগ মূল্য সংযোজন কারী পণ্য এবং পরিবেশ দূষণের সময়ের সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব। তিনি পাট শিল্প রক্ষায় পাটচাষি শ্রমিক ব্যবসায়ীসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান।
বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল হক নীলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়, পাট শিল্প রক্ষা, স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্ধ করে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং, ১৩ দফা দাবিকে কেন্দ্র ঘোষিত ২০২০ দাবী দিবস পালনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
বরিশাল জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে সকাল ১১ টায় কর্মসূচি পালিত হবে।
জোয়ারের পানিতে বরিশালের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ডুবে যাওয়া ও অব্যাহত নদী ভাঙ্গনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়। সভার অপর এক প্রস্তাবে, করণা সংক্রমণ রোধে জনগণকে উৎসাহিত করতে পার্টি তরফ থেকে মাস্ক বিতরণ এবং প্রচার অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় জেলায় করোনাকালীন সময়ে কার্যবিবরণী তুলে ধরেন, বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান।
আলোচনায় অংশ নেন তালুকদার মোঃ শাহজাহান, মোজাম্মেল হক ফিরোজ,ফারাহীন বালি, অধ্যাপক গোলাম হোসেন প্রমুখ।