পর্যটকদের প্রশান্তি বিলানো ছাড়াও এসব বিলের বিপুল শাপলা স্থানীয় ব্যক্তিদের অন্নের জোগান দেয়। বিল ঘুরতে ঘুরতে দেখা হলো এমন অনেকের সঙ্গে, যাঁদের অনেকেই আগাছা ঠেলে নৌকা নিয়ে বিলের গহিনে যাচ্ছেন। বিল থেকে শাপলা তুলে জমা করছেন নৌকায়। কথা হলো নয়াকান্দি গ্রামের সাধনা বাড়ৈ, সীমা বিশ্বাস, সন্ধ্যা রানী, শিখা বিশ্বাস আর লক্ষ্মী রায়ের সঙ্গে।
তাঁরা সবাই শাপলা সংগ্রহ করতে এসেছেন। একজন বললেন, শাপলার ওপরই তাঁদের জীবিকা। প্রতিদিন শাপলা বিক্রি করে ২৫০-৩০০ টাকা আয় তাঁদের। শ্রাবণ থেকে কার্তিক—চার মাস এই-ই তাঁদের উপার্জনের উৎস। বিলের শাপলা বরিশাল, পিরোজপুর ও ফরিদপুরের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ হয়।