• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেবাচিম হাসপাতালে চলছে ইর্ন্টনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত অক্টোবর ৩১, ২০২০, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
শেবাচিম হাসপাতালে চলছে ইর্ন্টনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন তিনদফা দাবিতে অনিদৃস্টকালে জন্য কর্মবিরতি চলছে। আজ শনিবার বিকেল থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।

এ্যাসেসিয়েশনের দাবীগুলো হচ্ছে, হাসপাতালের মেডিসিন-৪ ইউনিটের সহকারী রেজিষ্ট্রার ডাঃ মাসুদ খান কর্তৃক দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার, ডাঃ মাসুদ খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারকৃত অসত্যের জন্য মানহানির বিচার করা।

হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সজল পান্ডে বলেন, মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার মাসুদ খান ইন্টার্ন ডক্টরদের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক থেকে কমিশন নিয়ে থাকেন। পাশাপাশি সিনিয়র চিকিৎসকদের কক্ষে তালা দেয়া, জুনিয়র চিকিৎসক ও নারী চিকিৎসক এবং কর্মচারীদের সাথে অশালীন আচরণ করে থাকেন। এর প্রতিকার চেয়ে লিখিত আকারে হাসপাতাল পরিচালক বরাবর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হচ্ছে না।

মারধোর করা হয়েছে এমন মিথ্যা অভিযোগে এনে ইর্ন্টানি চিকিৎসকদের সংগঠন ইন্টার্ন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের নাম উল্লেখ করে ৮ থেকে ১০জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে আজ দুপুর ২টা থেকে অনিদৃস্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছি।

বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন জানান, গত সপ্তাহে ডা. মাসুদ খান এবং ইর্ন্টানি চিকিৎসক উভয় পক্ষ থেকে দিিুট অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ দুইটি তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নিদের্শ হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, ইর্ন্টানী চিকিৎসকদেও বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়ে আমি নিজে থানায় গিয়ে ওসির সাথে কথা বলেছি। এ বিষয়ে আমারা একটি সমাধানের পথ খুজে বের করছি। কিন্তু ইন্টার্নীরা আমাকে কোন সময় না দিয়েই কর্মবিরতীর ডাক দিয়েছে।

উল্লেখ্য গত ২১ অক্টোবর শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিট-৪ এর রেজিষ্ট্রার ডাঃ মোঃ মাসুদ খান হাসপাতাল পরিচালকের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ওই অভিযোগ তাকে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের সভাপতি সজল পান্ডে এবং সাধারণ সম্পাদক ডাঃ তরিকুল ইসলামসহ ৮/১০ জন মারধর করেছে বলে দাবী করা হয়। এর প্রেক্ষিতে ইন্টার্নীরা পরের দিন ২২ অক্টোরব ডাঃ মাসুদ খানের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দাখিল করেন। শেষ পর্যন্ত ডাঃ মাসুদ খান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে ক্ষিপ্ত হয় ইন্টার্নী চিকিৎসকরা।