বানারীপাড়া প্রতিনিধি
বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক মো. এবাদত আলী।
সোমবার বেলা ২টায় তিনি বানারীপাড়া পৌর শহরের দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর ওপরে ব্রিজ নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচায়ে দুই পাড়ের স্থান পরিদর্শন করেণ। এসময় তিনি সন্ধ্যা নদীর দুই তীরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, সন্ধ্যা নদীর ওই স্থান থেকে সেতু নির্মাণ হলে সরকারের খরচ অনেকটা কম হবে। এছাড়া ওই স্থানে বসতি ও ইমারত কম থাকায় সাধারণ মানুষ খুব একটা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না বলেও জানান।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির, ভাইস চেয়ারম্যান মো. নুরুল হুদা, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক এটিএম মোস্তফা সরদার, আওয়ামী লীগ নেতা ডা.খোরশেদ আলম সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডু প্রমূখ।
প্রসংঙ্গত বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে ব্রিজ নির্মাণ হলে বরিশাল বিভাগের একাধিক জেলা ও উপজেলার সাথে কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ, খুলনা, যশোহর ও ভ্যানাপোল এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি ও বানারীপাড়া বন্দর বাজারের ব্যবসা বানিজ্যর প্রসার ঘটার পাশাপাশি উজিরপুর উপজেলার হারতা বাজারের বৃহত্তর মৎস্য বেচাকেনা বৃদ্ধি পাওয়া সহ মালামাল পরিবহন খরচও কম হবে বলে উপজেলা প্রকৌশলী মো.হুমায়ুন কবির জানান। তিনি জানান, এই ব্রিজটি নির্মান করা হলে এ অঝ্চলের মানুষ খুব সহজেই সেটি ব্যবহার করে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধীস্থলে যেতে পারবেন।
জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে ব্রিজ নির্মাণের দাবী করে আসলেও আজ পর্যন্ত সেটি বাস্তবে রূপ নেয়নী। ফলে বরিশাল-২ আসনের এমপি ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. শাহে আলম সমপ্রতি জাতীয় সংসদে সন্ধ্যা নদীর ওপরে ব্রিজ নির্মাণের দাবী জানান।
তার সেই দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জাতীয় সংসদের প্রশ্নউত্তর পর্বে বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে ব্রিজ নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এব্যপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রæতি দেন। সে অনুযায়ী এর পূর্বে এলজিইডি ও সড়ক জনপদের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং দাতা সংস্থার লোকজন সরজমিন পরিদর্শন করেছিলেন। #