সৈয়দ নূর-ই-আলমঃ
সম্প্রতি ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ২০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে এক ছাত্রদল নেতা স্থান পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় ইতিপূর্বে তাকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটিতে উপ-স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পদে দেয়া হয়েছিলো বলে জানা যায়। তিনি বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া ইউনিয়নের বাবুল খান এর ছেলে কামরুজ্জামান রোকন। তবে ছাত্রদলের পদে থাকাকালীন বিএনপি নেতাদের সংবর্ধনা দেয়ার সময় একসাথে তোলা ছবি ও ছাত্রদলে থাকাকালিন কমিটির অনুমোদন পত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক সহ অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে তা দেখে স্থানীয় রাজনীতিমহল সহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, ২০১৭ সালের অনুমাদিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কমিটিতে তৎকাললীন কেন্দ্রিয় সভাপতি রাজিব আহসান ও সম্পাদক মোহাম্মদ আকরামুল হাসান স্বাক্ষরিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনপত্রে রোকনুজ্জামান রোকন ছাত্রদল মহানগর পশ্চিমের সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। তবে এই ব্যাক্তিকেই আবার গত ৭ নভেম্বর ২০২০খ্রি. তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল খান নিখিল স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ১৮৩নং সদস্য এই কামরুজ্জামান রোকন।
এ ব্যাপারে কেন্দ্রিয় যুবদলের সাবেক নির্বাহী সদস্য ও বরগুনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, তাকে লোভনীয় ভাবে যুবলীগে নেওয়া হয়েছে,এমন কর্মকান্ডে আমরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হই তারাও আশংকায় থাকে। এটি এক ধরনের নীল নকশা।
যুবলীগের কেন্দ্রিয় সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মো. লিমন মোল্লা বলেন, এটি কেন্দ্রিয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক নেওয়া হয়েছে।তারপরও ত্রæটি থাকলে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বিবেচনা করবেন।
২০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিতদের স্থানের ব্যাপারে যুবলীগের এক কেন্দ্রিয় নেতা নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, বিতর্কিতদের ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রিয় মহল। এ বিষয়ে রোকনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনে(০১৯১৭১৬১২৩৫) কল দিলে বারংবার কলটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং পরে নম্বরটি বন্ধ করে রাখেন।