বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
বরিশালের বানারীপাড়ায় শের-ই বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হকের নামে প্রস্তাবিত হাইটেক পার্ক ¯া’পনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি সরেজমিনে স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল-২ আসনের সাবেক এমপি মো. মনিরুল ইসলাম মনি’র নেতৃত্বে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটির উপ-সচিব জোহরা বেগম উপজেলার চাখার ইউনিয়নের সোনাহার-সাকরাল গ্রামে সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা চর ও পাশর্^বর্তী ভূমিতে হাই-টেক পার্ক স্থাপনের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের এসিসটেন্ট মেইনটেন্যান্স প্রকৌশলী মো. মাহাবুল আলম, বানারীপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মফিজুর রহমান, চাখার ইউপি চেয়ারম্যান মো. খিজির সরদার, প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমন, উজিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আ. রহিম সরদার প্রমুখ।
এবিষয়ে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটির উপ-সচিব জোহরা বেগম বলেন, সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে হাইটেক পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বরিশালের বানারীপাড়ায় অবিভক্ত বাংলার মূখ্যমন্ত্রী শের-ই বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হকের পূণ্যভূমি চাখারে তার নামে প্রস্তাবিত হাইটেক পার্ক স্থাপনের স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে।
পরবর্তীতে এবিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দেয়া হবে। এর পর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে প্রয়োজনীয় সিন্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
প্রসঙ্গত ২০১২ সালে বরিশাল-২ আসনের সাবেক এমপি মো. মনিরুল ইসলাম মনির নেতৃত্বে বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর তীরে শেরে বাংলার নামে একটি হাইটেক পার্ক স্থাপনের দাবী জানিয়ে আসছিলেন। এসময় ওই বিষয়টি দৈনিক যুগান্তর সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিস্ক মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বেশ কয়েক জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সরেজমিন পরিদর্শন করে হাইটেক পার্ক স্থাপনের বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মো. মনিরুল ইসলাম মনি দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় প্রস্থাবিত উক্ত হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রক্রিয়া ঝিমিয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তিনি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহম্মেদ পলক সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে থমকে যাওয়া উক্ত হাইটেক পার্ক স্থাপনের কার্যক্রম পূনরায় শুরু করার আবেদন করেন। ফলে ২০১৭ সালের ১২ আগষ্ট ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তৎকালিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা উপজেলার চাখার ইউনিয়নের সোনাহার-সাকরাল গ্রামে প্রস্তাবিত হাইটেক পার্ক স্থাপনের স্থান পরিদর্শন করেন।
এসময় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।