• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পতাকা অবমননা: বেরোবি’র শিক্ষকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৮, ২০২০, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ
পতাকা অবমননা: বেরোবি’র শিক্ষকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকার অবমানানা করায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েরর ৮ শিক্ষকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শাখার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর তাজহাট থানায় এই অভিযোগ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাজহাট হাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রবিউল ইসলাম।

অভিযুক্তরা হলেন—বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকাতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তবিউর রহমান প্রধান, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক পরিমল চন্দ্র বর্মন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রভাষক শামীম হোসেন, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগের প্রভাষক সোহাগ আলী, মার্কেটিং বিভাগের সহাকারী প্রক্টোর ও সহকারী অধ্যাপক মাহামুদুল হাসান, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের রাম প্রসাদ বর্মণ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক বাসক রহমতুল্লাহ, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাইয়ুম, পিএস আমিনুর রহমান। এছাড়া আরও ৮/৯ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি ফলকের সামনে জাতীয় পতাকার সবুজের মধ্যে লাল অংশ গোলাকার না করে বিকৃতি করে আয়তকার করে প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া পতাকাটি নিম্নমুখী করে পায়ের নিচে ফেলা হয়।

মামলায় বলা হয়, ৪ নম্বর আসামি বিষয়টি ফেসবুকে পোস্ট দিলে পরদিন ১৭ ডিসেম্বর সবার দৃষ্টিগোচর হয়। এছাড়া আসামিরা স্বেচ্চঅয় স্বজ্ঞানে জাতীয় পতার বিধি মামলার ব্যতয় ঘটিয়েছেন। এছাড়া, ১ নম্বর আসামি তার ফেসবুকে স্বীকারোক্তিমূলক পোস্ট দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এর আগে ছাত্রলীগ ও মহানগর যুবলীগ এ ঘটনার প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

এদিকে, অভিযোগ উঠেছে মহান বিজয় দিবস দায়সারাভাবে পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জা করা হয়নি। এমন দিনেও ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা জানায়নি প্রশাসন। সেদিনেও ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত ছিলেন উপাচার্য। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয় অধিকার সুরক্ষা পরিষদ।

ওসি ( তদন্ত) রবিউল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।