• ২২শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে হয়রানীর প্রতিবাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জানুয়ারি ৪, ২০২১, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালীতে হয়রানীর প্রতিবাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি॥
কতিপয় বিচারিক কর্মকর্তার অহেতুক হয়রানী ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে মানববন্ধন করেছে রেজিষ্টারকৃত শতাধিক ডি.এইচ.এম.এস ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। সোমবার দুপুরে পটুয়াখালী প্রেসক্লাব চত্বরে জেলার সকল উপজেলার ডি.এইচ.এম.এস ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন‘র সদস্যরা ঘন্টাব্যাপী কর্মসুচী পালন করেন। এসময় তারা বিচারিক কর্মকর্তার অহেতুক হয়রানী বন্ধের দাবীতে বিচার বিভাগের উধ্বর্তন কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

মানববন্ধনে ডি.এইচ.এম.এস ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ডাক্তার সাইদুর রহমান কামাল,বরিশাল বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক ডাক্তার হুমায়ন কবির এবং পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি সুনীতি সুধা দাস, সাধারন সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস কাজল,যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নূরুজ্জামান ও পটুয়াখালী হোমিওপ্যাথিক কলেজের অধ্যক্ষ বজলুর রহমানসহ জেলা উপজেলার হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা বক্তব্য রাখেন।

এসময় তারা বলেন-নামের পূর্বে ডাক্তার লেখার কারনে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ১৪৪ জন পল্লী চিকিৎসকের তালিকা তৈরি করে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়ল ম্যাজিষ্ট্রেট ২য় আমলী আদালতের বিচারক। ওই তালিকায় বাউফল উপজেলার ১২ জন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়। যারা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্রাক্টিশনার্স অর্ডিন্যান্স-১৯৮৩ এর ২৫,২৬,২৭.৩৩.৩৪.৩৫.৩৬ এবং ৩৭ নং ধারা মোতাবেক বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড থেকে যথা নিয়মে ডি.এইচ.এম.এস (ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এ্যান্ড সার্জারী) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাযথ নিয়মে বি.এইচ.এম.এস (ব্যাচেলর অব হোমিও প্যাথিক মেডিসিন এ্যান্ড সার্জারী)সনদ প্রাপ্ত ও নিবন্ধিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক উল্লেখিত আইনে পরিচালিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডি.এইচ.এম.এস হোমিও প্যাথিক চিকিৎসকরা নামের পূর্বে ডাক্তার লিখতে পারবেন। অথচ সরকার র্নিধারিত আইন উপেক্ষা করে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়ল ম্যাজিষ্ট্রেট ২য় আমলী আদালতের দায়িত্ব প্রাপ্ত বিচারক বাংলাদেশ মেডিকেল ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ আইনের সাথে যুক্ত করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের দোষীসাব্যস্ত করছেন।##