বরিশাল সদর উপজেলার কাশীপুরে জমি বিরোধের জের ধরে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী সহ পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে জলিল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
গত শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় লাকুটিয়া সড়ক পূর্ব বিল্লা বাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত জব্বার খানের স্ত্রী সেতারা বেগম এবং সেতারা বেগমের ছেলে ইব্রাহিম খান লিটন, ছেলের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা ও তিন বছরের নাতী শিশু ওহেদ।
বর্তমানে তারা গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আহত লিটন জানান, লিটনের বাবা জব্বার খান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। গত ১৫ দিন পূর্বে বার্ধক্যজনিত কারণে মুক্তিযোদ্ধা জব্বার খানের মৃত্যু হয়।
এরপর থেকে প্রতিপক্ষ হামেদ খা,র ছেলে জলিল রহিম মতিনসহ তাদের পরিবারের সহযোগীরা লিটনের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক জবর দখল করার চেষ্টা চালায়।
বিষয়টি নিয়ে লিটন ও তার পরিবারের লোকজন স্থানীয় গণ্যমান্যদের চ্যানেলে ভূমিদস্যু জলিল ও তার সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
লিটনের জমি জোরপূর্বক ভাবে জবর দখল করার চেষ্টায় প্রায় সময় লিটন ও তার পরিবারকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি সব প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে জলিল,মতিন, রহিম ও তাদের সহযোগী সন্ত্রাসীরা।
ঘটনার দিন শনিবার দুপুরে জমি নিয়ে লিটনের সাথে জলিল ও তাদের গং দের বিরোধ হয়।
এরই জের ধরে একপর্যায়ে জলিল, মতিন, লিটন, জাকির, জলিলের ছেলে জাহিদসহ অর্ধশতাধিক ভাড়াটে সন্ত্রাসী মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী সেতারা বেগমের উপর পরিকল্পিত হামলা চালায়। তাকে বাঁচাতে মুক্তিযোদ্ধার ছেলে লিটন এবং লিটনের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা আসলে তাদেরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন জলিল সহ অন্যান্য সহযোগী সন্ত্রাসীরা।
হামলার সময় লিটনের তিন বছরের শিশু ওহেদ ও রক্ষা পায়নি। তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদের মধ্যে সেতারা এবং লিটনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে স্বজনরা জানান।