দুমকির(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
বিশ্ব মহামারী হিসাবে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে পটুয়াখালী জেলার নিজ উপজেলা দুমকিতে গিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষকে এ মহামারী হাত থেকে লিফলেট বিতরন,সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরিধান করার কাজটি সুচারুরুপে করেছেন। মসজিদে, মসজিদে, গ্রামের হাট বাজারে বার বার হাত ধৌতকরণের জন্য পানির ট্যাংক ও পর্যাপ্ত সাবান সরবরাহ করেছেন।
করোনা ভাইরাস এর প্রার্দুভাবে র পর অনেকেই কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতেছিল, নিজের সামর্থ্য ও দানশীলদের থেকে নিয়ে গ্রামের ঐ সকল হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ঈদুল ফিতরের সময় প্রায় ৫০০শত অসহায় দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন করেন পটুয়াখালী সদর,মৃর্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলাগুলোতে। গ্রামের বাজারগুলিতে আগত ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক বিতারন করেন। ঝুকিপূর্ণ পেশা সাংবাদিকদের ও পল্লী চিকিসকদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করেন।
প্রথম ধাপে না হলেও দ্বিতীয় ধাপে গত ৪মার্চ করোনা উপসর্গ দেখা দিলেও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় ৯মার্চ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড এ ভর্তি হয়ে টেষ্ট দিলে করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়। ১০তারিখ থেকে চিকিৎসকের নিরবিচ্ছিন্ন চিকিৎসা শেষে আজ দুপুর ২টায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
সাংবাদিক কামাল হোসেন, বিভিন্ন পেশাজীবি ও সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত। তিনি দুমকি উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাক্তন ছাত্র সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারন সম্পাদক, ঢাকাস্থ পটুয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরাম ও ঐতিহ্যবাহী ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য।
অসুস্থতাকালীন যাঁরা তার রোগমুক্তি কামনা করেছে তাঁদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাঁদের ও পরিবারের সদস্যদের হেফাজতে রাখার জন্য সৃষ্টি কর্তার নিকট প্রার্থনা করছেন।