লেখক:সাদিয়া তানজিম তিশা
যাদের এই বয়সে হেসে খেলে দিন কাটানোর কথা ছিল তারা এখন অর্থ উর্পাজনে নেমে পড়েছে।অনেককে ধরতে হয়েছে সংসারের হাল।এরই মাঝে বেশির ভাগ শিশু রয়েছে যারা লেখাপড়া ছেড়ে দিয়েছে।এই শিশুরাই একটা সময় নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে বা অন্যকোনো অনৈতিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে।আমরা হারাচ্ছি একটি সুন্দর প্রজন্ম।
বলছিলাম বাংলাদেশে সাড়ে ৩৪ লাখ শিশু কর্মরত রয়েছে তাদের কথা এর মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ শিশু রয়েছে, যাদের কাজ শিশুশ্রমের আওতায় পড়েছে। বাকি শিশুদের কাজ অনুমোদনযোগ্য।
কর্মরত শিশু বলতে বোঝায়, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে যারা সপ্তাহে ৪২ ঘণ্টা পর্যন্ত হালকা পরিশ্রম বা ঝুঁকিহীন কাজ করে।
কর্মরত শিশুদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত আছে ১২ লাখ ৮০ হাজার। আর ২ লাখ ৬০ হাজার শিশু অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে।
শিশুশ্রম নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য একটি ব্যর্থতা। আমাদের দেশের পরিপেক্ষিতে এটি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে।তবে আমরা চাইলেই এর ব্যবস্থাও নিতে পারি।তাদের কোনো রকমের ঝুকিপূর্ণ কাজ না দিয়ে হালকা কাজের মধ্যে রেখে তাদের লেখাপড়া,ব্যবহার ও তার পরিবেশের উপর লক্ষ্য রেখে তাদের গড়ে তুলতে পারি।এতে করে সে পরবর্তীতে নিজেই দেশের জন্য সম্পদ হয়ে উঠবে।
পরিশেষে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ চাই ।