• ২২শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় ’ইয়াসের’ আঘাতের ৪দিন পরেও ত্রান পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ৩০, ২০২১, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ঘূর্ণিঝড় ’ইয়াসের’ আঘাতের ৪দিন পরেও ত্রান পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা

চরফ্যাশন্ : ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিন উপকূলে ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ৮ ইউনিয়নের প্রায় ৪০ গ্রামে ১০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। ঝড়ের ২৪ ঘণ্টা পর দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পাঠানো শুরু হয়েছে এমন কথা প্রসাশনে তরফ থেকে বলা হলেও অধিকাংশ এলাকায় আজ ৪ দিনেও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ শুরু হয়নি। ফলে দুর্গত পরিবারগুলো অর্ধাহার-অনাহারে জীবন যাপন করছে। পানিবন্দী চরকুকরি-মুকরি, ঢালচর, চরপাতিলা, চরমানিকা,মুজিবনগর সহ রসুলপুর, নীলকমল,চর কলমীর বেড়ীবাঁধের বাহিরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিছু কিছু এলাকায় পানি কমলেও সর্বহারা হয়ে এলাকাগুলোর বাসিন্দারা হতাশ চোখে অজানার উদ্দেশ্যে তাকিয়ে আছে । প্রায় ৪দিনের জোয়ারে পানিতে হাবুডুবু খেয়ে প্রকৃতির আক্রোশের সাথে লড়াই করা মানুষগুলোর চোখে মুখে ক্লান্তি ও আতংকের রেশ এখনো কাটেনি । তীব্র জলোচ্ছ্বাসে ফসলাধি, গবাদিপশু, পাখি ও সহায়সম্বল ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ায় বিধ্বস্ত ঘর ভিটায় অবস্থান নিয়ে সরকারি সাহায্যের আশায় দিনাতিপাত করছে এসব এলাকার পানিবন্দী হাজার হাজার বাসিন্দা ।ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পানি বন্দি এই পরিবার এখনো পায়নি সহায়তা। উপজেলার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৮টি ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্তত দুই শাতাধীক বাড়িঘরসহ দোকানপাট ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের চতুর্থ দিনেও এসব এলাকার পানি বন্দিদের শুকনো খাবার ছাড়া আর কোনো ত্রাণ দেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। নদীতে ভাটা পড়লেও এসব এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট উচ্ছতার জোয়ারে প্লাবিত অনেক এলাকা থেকে এখনো পানি নামেনি। দূর্গত এসব পরিবারের খাবারের জন্য জ্বালানো যায়নি রান্নার চুলা। শুকনো খাবার ও স্যালাইন ছাড়া কোনো সহায়তা পায়নি চরা লের এসব মানুষ।
তবে স্থানিয় সাংসদ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ৫০হাজার টাকা দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধীক পরিবারকে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, কয়েকটি এলাকায় চাল দেয়া হয়েছে। তালিকা করে বরাদ্ধকৃত চাল ও ৫হাজার টাকাসহ টিন দেয়া হবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে।