সকলের অবগতির জন্য বিশেষভাবে জানানো যাচ্ছে যে,বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী শাহবাজ মিঞা শোভনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সংগঠন নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছে। এরআগে শোভন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দুজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর মন্তব্য করার চেষ্টা করে। এছাড়া শোভন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথোপকথনের অডিও রেকর্ডিঙের খন্ডিত অংশ প্রচার করে একজন সাংবাদিককে হেনস্তার চেষ্টা করে যা আইনত দণ্ডনীয়ও বটে। এসব ঘটনায় শোভনকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। বরিশাল নগরীর সকল গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সঙ্গে আমরাও শোভনের এমন হীন কর্মকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছি।
এদিকে শাহবাজ মিঞা শোভনের বিরুদ্ধে গভীর রাতে সহপাঠীর মেসে হামলা এবং বিভিন্ন পুরষ্কার প্রাপ্তি নিয়েও মিথ্যাচারের ঘটনা বারবার গণমাধ্যমে এসে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় নামটি নেতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। শোভনের উপরোক্ত ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের একটিও কোন ধরণের শিক্ষার্থীসুলভ আচরণের মধ্যে পরে না বলে আমরা বিশ্বাস করি। এসব বিষয়ের আলোকে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুন ২০২১) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির বিশেষ অনলাইন সভা শেষে সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যে –
১/ শাহবাজ মিঞা শোভনকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করা হলো।
২/ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ধরণের অনুষ্ঠানে/কার্যক্রমে যেকোনো পর্যায়ে শাহবাজ মিঞা শোভন উপস্থিত হলে সেই অনুষ্ঠান / কার্যক্রমের সংবাদ আমরা প্রকাশ করবো না।
৩/ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যেকোনো ধরণের সংগঠনে শাহবাজ মিঞা শোভন যুক্ত থাকলে সেই সংগঠনের কোন ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশে আমরা সহযোগিতা করবো না।
এছাড়া আমরা আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সকল সংবাদকর্মীর স্বার্থ রক্ষায় বিশ্বাসী। বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করা কোন পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মী যদি কোনোধরণের সমস্যার মুখোমুখি হন আমরা ন্যায়সঙ্গতভাবে বিগতদিনেও যেমন তাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো।