হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের হিজলা উপজেলায় নৌকা মাকার পক্ষে নিবাচন করায় এক ব্যবসায়ীর সবত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিজয়ী প্রাথীর সমথকদের বিরুদ্ধে।ঘটনা সূত্রে জানা যায় হরিনাথপুর ইউনিয়নের গঙ্গাপুর গ্রামের মৃত লালু সিকদারের পুত্র ২ নং ওয়াড সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক কামাল সিকদার প্রায় ১০/১২ বছর যাবৎ বদরপুর গ্রামে মাছের ব্যবসা করে আসছে।গত ২১ জুন অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নিবাচনে তিনি নৌকার পক্ষে ভোট চেয়েছিলেন।এই নিবাচনে নৌকা মাকার প্রাথী পরাজিত হয়।আওয়ামীলগের বিদ্রোহী প্রাথী বিজয়ী হয়।বিদ্রোহী প্রাথী বিজয়ী হওয়ার পর তার সমথক দিদার বেপারী নুর ইসলাম আকন আনোয়ার মেলকার জহির বাগা আমির সরদার সোহাগ সরদার সোহেল সরদার সহ ১৫/২০ জন মিলে কামাল সিকদারকে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেয় এবং তার মাছ খাটের সাথেই উত্তোলন করে নতুন মাছঘাট।মাছঘাট দিয়েই শেষ হয়নি তাদের ক্ষিপ্ততা।গত ৮ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে তার দুটি মাছঘাটের সকল মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। নিবাচনের পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে বিজয়ী প্রাথীর সমথক ও কমীরা।তারা বিভিন্ন ওয়াডে নৌকা মাকার সমথকদের উপর চালাতে থাকে হুমকি হামলা নিযাতন লুটপাট।তাদের হামলা ও নিযাতনের ভয়ে ২ শতাধিক নৌকা মাকার কমী ও সমথকরা হয়েছেন এলাকা ছাড়া।এ ঘটনায় সরোজমিনে গেলে মাছঘাটের চা দোকানদার নুর জামান বেপারী এলাকার সিপু হাওলাদার সাহেদ সহ একাধিক ব্যাক্তিরা জানায় গতকাল রাত ১১ টা পযন্ত মাছখাট দুটি থাকলেও সকালে এসে তারা মাছঘাট দুটি দেখতে পায়নি।কে বা কাহারা রাতে অন্ধকারে নিয়ে গেছে তা বলতে পারেনি।এ ব্যাপারে মাছ ব্যবসায়ী কামাল সিকদার জানায় গত ইউপি নিবাচনে নৌকা মাকার পক্ষে নিবাচন করায় আমাকে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেয়।আমি কয়েকদিন পলাতক থেকে গত ৮ই জুলাই ঘাটে এসে ব্যবসা চালু করার জন্য প্রস্তুতি নেই।পরের দিন সকালে মাছঘাট এলাকা থেকে আমাকে ফোনে জানায় আমার মাছঘাট দুটি নিয়ে গেছে।এ সংবাদ পেয়ে মাছঘাট এসে দেখি ঘাটের মাটি ছাড়া আর কিছুই নেই।তিনি আরো জানান আমার মাছ দুটি নিয়ে যাওয়ায় প্রায় ১০ লাখ টাকার আথিক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে শাওড়া সৈয়দখালীর ফাড়ির ইনচাজ সহিদ জানায় সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থানে গিয়ে মাছঘাট নিয়ে যাওয়ার ঘটনার সত্যতার প্রমান পেয়েছি।কে বা কাহারা নিয়ে গেছে তৎক্ষনিক জানা যায়নি।এ ব্যাপরে হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কমকতা অসিম কুমার সিকদার জানায় এ ঘটনা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত পূবক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।