• ২২শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজলায় ইউপি চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করলেন ওসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ১৪, ২০২১, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
হিজলায় ইউপি চেয়ারম্যানকে  লাঞ্ছিত করলেন ওসি

হিজলা প্রতিনিধি
বরিশালের হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক ভাইস চেয়ারমান ও নবনির্বাচিত ৪ নং ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনায়েত হোসেন হাওলাদারকে লাঞ্ছিত করেছেন হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসীম কুমার সিকদার। এ ঘটনায় উপজেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। পাশাপাশি ওসিকে অপসারণ করার দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, বুধবার বেলা ১২ টায় উপজেলা চত্বরে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের মাঝে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের জের ধরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসিম কুমার সিকদার থানার পুলিশ সহকারে উপজেলা চত্বরে আসেন। তিনি এসেই মাঠে বরজালা ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন হাওলাদারকে দেখতে পেয়েই বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় গেলে সেখানেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সামনেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এই ঘটনা দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে তারাও মাঠে এসে উপস্থিত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনায়েত হোসেন হাওলাদার জানান, ‘বেলা ১২ টায় হিজলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে হিজলা উপজেলার নবনির্বাচিত ৪টি ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আমাকে সেই অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিলে আমিও সেখানে উপস্থিত হই। পরে জানতে পারি মাঠে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ দুই গ্রুপের মাঝে হাতাহাতি হয়েছে এবং উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। আমি শপথ অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় রওনা হলে মাঠের ভিতরে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় আমাকে ওসি অসীম কুমার সিকদার অতি উৎসাহিত হইয়া আমাকে অপমান ও হেনস্থা করেছেন।
এব্যাপারে হিজলা থানার ওসি অসীম কুমার সিকদার বলেন, চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন হাওলাদার ২৫/৩০ জন নিয়ে এসে এক ব্যক্তিকে মারধর করে। পরে সে ভাইস চেয়ারম্যানের কক্ষে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়েও তারা হামলা চালায়। আরো এক ব্যক্তিকে মারধর ও ওই রুমের চেয়ার ভাংচুর করেছে। এখানে চেয়ারম্যানকে কেউ লাঞ্চিত করেনি। ##