• ২২শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে গরু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ২৩, ২০২১, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
আমতলীতে গরু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম

আমতলী : কোরবানীতে ভাগীদার না নেওয়ার গরু ব্যবসায়ী মামুন মোল্লাকে (২৮) কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মামুন মোল্লাকে স্বজনরা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ঘটনায় ঘটেছে আমতলী উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিম আমতলী গ্রামে বৃহস্পতিবার দুপুরে।
জানাগেছে, উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিম আমতলী গ্রামের রশিদ মোল্লার ছেলে গরু ব্যবসায়ী মোঃ মামুন মোল্লা কোরবানীর জন্য ৩০ হাজার টাকায় একটি গরু বিক্রি করেন। ওই গরু একই গ্রামের আব্দুল আজিজ ফকির, মন্নান ফকির, ফারুক ফকির ও মামুন মোল্লার বাবা মোঃ রশিদ মোল্লা কোরবানী দেয়ার জন্য ভাগ হয়। ওই গরুতে একই গ্রামের ফজলুর রহমান গাজী ভাগীদার থাকতে চেয়েছিল। কিন্ত তাকে ভাগী হিসেবে নেয়া হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয় ফজলুর রহমান গাজীসহ তার তিন ছেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফজলুর রহমান গাজীর তিন ছেলে ইব্রাহিম গাজী, ছলেমান গাজী ও রেজাউল গাজী দা এবং ছুরি নিয়ে মামুন মোল্লাকে এলোপাথারি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে তার গাল এবং নাক কেটে যায়। মামুন মোল্লার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে রক্ষা করে। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ হিমাদ্রী রায় তাকে সংঙ্কটজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেন। বর্তমানে তিনি বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
আহত মামুন মোল্লা বলেন, আমার বাবা রশিদ মোল্লাসহ পাঁচজনে মিলে কোরবানী দেওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকায় একটি বকনা গরু ক্রয় করেন। ওই গরুর সাথে ফজলুর রহমান গাজী কোরবারীর ভাগীদার থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু তাকে ভাগী নেয়া হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফজলুর রহমান গাজীর তিন ছেলে ইব্রাহিম গাজী, ছলেমান গাজী ও রেজাউল গাজী আমাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
ফজলু গাজীর ছেলে রেজাউল গাজী গরু ব্যবসায়ী মামুন মোল্লাকে কুপিয়ে জখমের কথা অস্বীকার করে বলেন, মামুন মোল্লার সাথে কোরবানীর বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক হিমাদ্রী রায় বলেন, মামুনের মুখ মন্ডলে এবং নাকে ধারালো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
আমতলী থানার ওসি মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।