• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে সাগরে জেলেদের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত আগস্ট ২, ২০২১, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে সাগরে জেলেদের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ

চরফ্যাশন॥ প্রয়োজনীয় জনবল, দ্রতগামী নৌযানের অভাবে চরফ্যাশনসহ ভোলা জেলার উপকূলের সাগর মোহনায় জেলেদের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়ে গেছে।মেঘনা- তেঁতুলিয়া নদীর ২শ’ কিলোমিটারসহ সাগরকুলের মুক্ত জলাশয়ের নিরাপত্তার জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে মাত্র ২৫ জন পুলিশ সদস্য। চোর ডাকাত পাহাড়া দিয়ে নদীর পরিবশে রক্ষা এদের কাজ হলেও এর জন্য নেই কোন জলযান ও জ্বালানির ব্যবস্থা। এমন সংকটের মধ্যে খুড়িয়ে খুড়িয় চলছে উপকূলের নৌপুলিশের কার্যক্রম। এ সংকটে নৌপুলিশ যেমন তাদের কর্মতৎপরতা বাড়াতে পারছে না, তেমনি সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপকুলের মানুষ। তাই জেলেদের জান-মাল রক্ষায় নৌপুলিশের শক্তিশালী করার দাবি সংশ্লিষ্টদের। আর নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও চোরাচালন বন্ধসহ নদীর পরিবেশ রক্ষায় সবোর্চ্চ চেস্টার কথা জানিয়েছেন কৃর্তপক্ষ।
ভোলার দক্ষিন উপকূল জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ সীমান্ত, পূর্বে মনপুরার কালকিনি, পশ্চিমে পটুয়াখালীরগলাচিপা পর্যন্ত বিস্তৃত জলসীমা চরফ্যাশন থানার অধীন। এখানে হাজার হাজার জেলে স্ব স্ব মাছ ধরা ট্রলার নিয়ে ঢেউয়ের উপর ভাসছে। আছে আড়ৎদার, মহাজন শ্রেনী। মৎস্য নির্ভর ব্যবসায় লাভের আশায় তারা এই উপকূলে বিনিয়োগ করেছে কয়েক কোটি টাকা ।
মৎস্য খাতে বিনিয়োগকারী এবং নৌপুলিশ সূত্র থেকে বলা হয়েছে, পুলিশ সদর দপ্তরের সদ্বিচ্ছা জল সীমানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোটি টাকার বিনিয়োগকে ঝুঁকি মুক্ত করতে পারে। মেঘনা-তেতুলিযায নদীর প্রায় ২শ কিলোমিটার এলাকা কে দস্যু মুক্ত করতে জেলেরা মাছধরার পরিবেশ সৃষ্টি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা সহ মাদক ও চোরাচালানীর রোদে ২০১৮ সালে থেকে ভোলা জেলা সদর ইলিশায় ও তজুমদ্দিন উপজেলার মির্জা খালু এলাকায় একটি নৌপুলিশ ফাড়ি স্থাপন করা হয়েছে। এতে একজন পরিদর্শক সহ ২৫ জন সদস্য কর্মরত থাকলেও এদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নেই কোন জলযান । ফলে অভিযান পরিচালনার জন্য এরা প্রায় সমযই অন্যের আশ্রয় নিতে হয়। নেীপুলিশ জানায়, নদীতে ডাকাতের হামলা হয়েছে, জরুরী পুলিশের উপস্থিতি কাম্য কিন্ত ঘাটে গিয়ে পুলিশ কোন নৌযান পেলনা, তখন পুলিশের কিছু করার থাকেনা। নিজস্ব নৌযান না থাকায় রাতে নদীতে যাওয়া সম্ভব হয়না। ফলে সময় বুঝে জলদস্যুরা হানা দেয়।পুলিশ সময়মত অভিযান চালাতে পারেনা।
তবে এই সীমিত সম্পদের মধ্যে তাদের কার্যক্রম সফল করার চেষ্টা চালিযেেছন বলে জানিয়েছেন বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নৌ পুলিশ মোহাম্মদ মোসলেম মিয়া । এদিকে প্রায ২ লক্ষ জেলের জানমালের নিরাপত্তা ও চোরাকারবারি রোদে সাগর কুলের ঢালচর চর কুকরি মুকরি নিজামী এর মত দুর্গম এলাকায আরো বেশ কযকেটি নৌ-পুলিশ ফাঁডরি স্থাপনের দাবি জানিযেেছন এলাকাবাসী