গৌরনদী প্রতিনিধি \ বৈরি আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে বয়সের ভারে ন্যুব্জ চপলা সমাদ্দার (৯০), আশা রানী হালদার (৮৫) স্বজনদের নিয়ে এসেছেন মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকা গ্রহন করতে।
শনিবার দুপুরে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী তাঁরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় গণটিকাদান কেন্দ্রে টিকাগ্রহন শেষে কথা হয় বৃদ্ধা চপলা, আশা রানীসহ একাধিক বয়স্ক নারী পুরুষের সাথে। এসময় টিকাগ্রহনকারীরা জানান, মহামারী থেকে রক্ষা পেতে নিজেদের এবং পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষিত রাখতেই টিকাগ্রহন করতে এসেছেন তারা।
সকালে এ উপজেলায় গণটিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সাইয়্যেদ মোহাম্মদ আমরুল্লাহ, মডেল থানার ওসি মোঃ আফজাল হোসেনসহ অন্যান্যরা।
জানা গেছে, সকাল থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত টিকা দেয়ার সময় নির্ধারণ করা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য লাইনে দাড়িয়ে টিকা গ্রহনের জন্য অপেক্ষা করেন সাধারণ বাসিন্দারা। ফলে টিকা নিতে আসা জনসাধারনের ব্যাপক উপস্থিতিতে হিমসিম খেতে হয়েছে স্বাস্থ্য কর্মীদের। তবে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহর নির্দেশনায় সকাল থেকেই টিকাদান কেন্দ্রে ছাত্রলীগের স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত থেকে রেজিষ্ট্রেশনসহ বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ায় ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেয়েছেন টিকা নিতে আসা সাধারণ বাসিন্দারা। এছাড়াও টিকাদান কেন্দ্রে টিকাগ্রহনকারীদের সহযোগিতা করেছেন ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। উল্লেখ্য গৌরনদী পৌরসভাসহ উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ২৮টি কেন্দ্রের ৮৪টি বুথে করোনা ভ্যাকসিন সেবা প্রদান করা হচ্ছে।