বরিশাল নগরীর কলাপট্টি এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে দোকান ভাঙচুর সহ সংঘর্ষের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ কলাপট্টির তামান্না স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের দু’জন আহত হয়েছে। আহতরা হলো কলাপট্টি এলাকার মন্নান শেখের ছেলে তামান্না স্টোরের প্রোপাইটার রোমান শেখ ও অপর পক্ষে তার স্ত্রী ময়না বেগম। ময়না কলাপট্টি এলাকার শুকর খলিফার মেয়ে।
এদের মধ্যে ময়না শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে এবং রোমান প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রোমান শেখ ও তার স্ত্রী ময়নার মধ্যে পারিবারিক কলহের জের ধরে বিরোধ চলে আসছে।
ময়না ও তার পরিবারের সহযোগীরা তার স্বামী রোমানকে বিভিন্ন সময় দফায় দফায় পারিবারিক খরচ নিয়ে নির্যাতন চালায়।
স্ত্রী ময়নার অত্যাচার সহ্য করতে না পারে বাধ্য হয়ে রোমান দ্বিতীয় বিবাহ করে।
রোমান দ্বিতীয় বিবাহ করার পর থেকে তার প্রথম পক্ষের স্ত্রীর সাথে ফের বিরোধ সৃষ্টি হয়।
প্রথম স্ত্রী ময়না ও তার লোকজন রোমানের দোকানে গিয়ে হামলা ভাঙচুর চালিয়ে আসে।
এছাড়া তাকে দোকানে গিয়ে প্রায় সময় খুন-জখমের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে রোমান থানা পুলিশকে জানালে ময়না আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
একপর্যায়ে গত ৩০ই মে ময়না বাদী হয়ে বরিশাল আদালতে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করে রোমানের বিরুদ্ধে।
রোমান ওই মামলায় সাতদিন জেলহাজত খেটে জামিনে মুক্তি পায়।
রোমান তার দোকান ব্যবসা পুনরায় শুরু করলে সেখানে প্রথম স্ত্রী ময়না ফের তাকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি সহ স্বাভাবিকভাবে দোকান করতে বাধা বিঘ্ন ঘটায়।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রশাসনের লোকজন একাধিকবার মীমাংসা করে দিলেও ময়না ও তার পরিবারের সহযোগীরা রোমান এর উপরে মোটা অংকের টাকার চেয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি শুরু করে।
ঘটনার দিন ময়না ও তার বাবা শুক্রুর খলিফা,শ্যালক ফয়সাল সহ অজ্ঞাত সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে রোমানের দোকানে গিয়ে হামলা চালায়।
পরে তাদেরকেই স্থানীয়দের রোষানলে পড়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসলেও ইনজুরি দেখিয়ে নাটকীয় কায়দায় ময়না শেবাচিমে ভর্তি হয়।
ময়নার দাবি স্বামী রোমান মারধর করেছে
এ বিষয়ে রোমান জানান, ময়নার উপরে আমি মারধর করি নি বরং সে আমাকে মারধর করেছে এবং আমার দোকান ভাঙচুর করেছে। আমি বাধা দিতে গেলে সে পড়ে গিয়ে আহত হয়। কিন্তু উলটো
আমাকে ফাঁসাতে নাটকীয় ভাবে মারধরের ঘটনা সাজিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।
হামলার ঘটনায় আমি আইনের আশ্রয় নেব বলে জানান।