পটুয়াখালী প্রতিনিধি\
পটুয়াখালীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃনমুল ভোটে প্রতিপক্ষের হাতে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জালাল মৃধা ও ওয়ার্ড আওয়ামীর নেতা আনোয়ার গাজী লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে যদিও জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপ ও প্রতিবাদের মুখে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে ভুক্তভোগীদের দাবি-উপস্থিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে বড় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে রেহাই পায় তারা। পহেলা অক্টোবর দুপুরে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ কাযালয়ে এঘটনা ঘটে। এসকল অভিযোগ অস্বীকার করেন লোহালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীর সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জেলা আওয়ামীর সদস্য অভিযুক্ত কবির তালুকদার বলেন-একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে গিয়ে আমাকে নিয়ে অপপ্রচার করছে। তবে আমার সর্মথকদের ¯েøাগানে অপরপক্ষ হয়তো ভয় পেতে পারে। কিন্তু অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেনি।
ভুক্তভোগী লোহালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ জালাল মৃধার অভিযোগ-নব্বইয়ের দশক থেকে তিনি আওয়ামীর রাজনীতির সাথে জড়িত। অতিসম্প্রতি র্নিবাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষনা করে। সে লক্ষে কোন প্রচার ছাড়া আকস্মিক পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন দিতে তৃনমুলের ভোট গ্রহন প্রক্রিয়া শুরু করে। আমিও ইউনিয়নের নেতাকর্মী নিয়ে পহেলা অক্টোবর সকালে জেলা আওয়ামলীলীগ কার্যালয়ে হাঝির হই।
এসময় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ভিপি আব্দুল মান্নান যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া জানতে চাইলে আমি ও অন্যান্যরা ভোট গ্রহনের দাবি করি। ভোট দাবি করায় লোহালিয়ার বর্তমান চেয়ারম্যান কবির তালুকদার ও তার ছোট ভাই পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করিম লাবু মিলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালামন্দ ও লাঞ্ছিত করে অফিস থেকে বেড় করে দেয়ার চেষ্টা করে। এসময় সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মনির ঘটনার প্রতিবাদ করলে দুই ভাই মনিরের সাথেও খারাপ আচরন করেন। এ প্রসঙ্গে সাবেক ওই জনপ্রতিনিধি মনির বলেন-ওই দিন একটু অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিতরা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে উভয়ের মধ্য সমন্বয় করি। তবে যেটা হয়েছে তা হওয়া উচিত ছিলনা।
জালাল মৃধা আরও বলেন-ফরম কেনার সুত্র ধরে ওইদিন কবির ও তার ভাই পৌর কাউন্সিলর লাবু যে আচরন করেছে তা আমার রাজনীতির জীবনে ঘটেনি। শুধু আমি নয়,ওইদিন কবিরের হাতে উপস্থিত অনেক নেতাকর্মী গালমন্দের শিকার হয়েছে।
কবির ও তার ভাই লাবুর হাতে লাঞ্ছিত হওয়া অপর ভুক্তভোগী ওয়ার্ড আওয়ামীর নেতা আনোয়ার গাজী বলেন-ভোটের দিন আমি দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হই। তৃনমুলে ভোট দিতে যাওয়ার কারনে কবির তালুকদার আমাকে চর-থাপ্পর মারে এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে অফিস থেকে বেড় করে দেয়। পরে আমি বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাড.আফজাল হোসনকে অবহিত করি। ওই দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীর সাধারন সম্পাদক ভিপি আব্দুল মান্নান বলেন-তেমন কিছু নয়,এরকম ঘটনায় একটু তর্কাতর্কি হয়। তবে তা মিমাংসা হয়েছে।##