বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি
কলসকাঠী লঞ্চঘাট সংলগ্ন ভারত বাজার এলাকা থেকে শুক্রবার মধ্যরাতে একটি ট্রলার চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে, ট্রলার টি ভারত বাজারে মাসুদ এর দোকানের সামনে খালে বাঁধা ছিল মাসুদের দোকান পাঁচটি সিলেন্ডার ও ১০০শত লিটার ডিজেল নিয়ে গেছে চোর চক্র। ট্রলারমালিক বসার বাদশার স্ত্রী বলেন শুক্রবার আমাদের ট্রলারটি ভারত বাজার মাসুদের দোকানের সামনে খালে বাধা ছিল সেটি চুরি হয়ে গেলে কাঠালতলী রামপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কিভাবে উদ্ধার হয়েছে সাংবাদিকদের জবাবে বলেন , ট্রলার চুরি যাওয়ার পর থেকে আমার স্বামী ও আত্মীয়-স্বজন নিয়ে তারা বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেছে না পেয়ে, আয়ের একমাত্র অবলম্বন ট্রলারটি হারিয়ে আমরা দিশেহারা পরি, পরে আমাদের এলাকার একটি ট্রলার কাঠালতলী রামপুর এলাকা থেকে মাটি নিয়ে কলসকাঠি আসছিল সে ট্রলারটি চিনে ফেলে আমাদেরকে খবর দেয়, পরে সেখান থেকে ট্রলারটি উদ্ধার হয়। উদ্ধারে থাকা লোকজন বলেন আমাদের এলাকার জামাই কাঠালতলী রামপুর গ্রামের রুহুল খন্দকারের ছেলে সোহেল খন্দকারের বাড়ি সংলগ্ন ট্রলারটি নদীতে, ইঞ্জিন মালামাল, অন্য জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জামাই সোহেল খন্দকার চাপের মুখে ট্রলার চুরির ঘটনা স্বীকার করেন তিনি বলেন তাঁর শালা বাকেরগঞ্জের কলস কাঠির উত্তর নারায়ণগঞ্জ গ্রামের রহিম জোমাদ্দারের ছেলে রুবেল জোমাদ্দার ট্রলারটি নিয়ে এসেছে । চুরির বিষয়ে কলসকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুন্না তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ট্রলার চুরির বিষয়ে আমি মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি তাদেরকে থানায় অভিযোগ দিতে বলেছি। উদ্ধার বা মিটমাট সংক্রান্ত কোন বিষয়ে আমাকে জানানো হয়নি। বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আলাউদ্দিন মিলনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি কোনো অভিযোগ পাইনি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সাংবাদিকরা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় মাসুদ গাজী বলেন চুরির সালিশি হয়ে গেছে, চোরের কি সালিশি করলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন। চোরও আমাদের ট্রলারও আমাদের সব নিজেরা মিটমাট হয়ে গেছে । গত এক বছর আগে উত্তর নারাঙ্গল গ্রামের কালাম জোমাদ্দারের ,কিছুদিন আগে ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের রাজেক মোল্লার ট্রলার দুটি চুরি হয়ে গেছে আজও ট্রলার দুটি উদ্ধার হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন এই চোর ও তার লিডার কে আইনের আওতায় নিলেই সব চুরি যাওয়া ট্রলারের সন্ধান মিলবে।