• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে যুবলীগ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান পন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত নভেম্বর ১১, ২০২১, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
আমতলীতে যুবলীগ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান পন্ড

প্রতিবেদন, আমতলী।
আমতলী উপজেলা যুবলীগের দুইগ্রæপ দলীয় কার্যালয়ে সভা আহবান করায় যুবলীগের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান পন্ড হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসে চেয়ার ভাংচুর ও ব্যানার ছিড়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। চেয়ার ভাংচুর ও ব্যানার ছেড়ার ঘটনা একে অন্যকে দায়ী করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জানাগেছে, যুবলীগের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জাহিদের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় সভায় আহবান করে। সেই লক্ষে তারা প্রস্তুতি নেয়। সকাল ১০ টা আগেই ওই অফিসে অপর গ্রæপ উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাদল প্যাদা ও উপজেলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সোবাহান লিটনের নেতৃত্বে যুবলীগের কিছু নেতা কর্মী অবস্থান নেয় এমন দাবী উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জাহিদের। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আবু হানিফ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জাহিদের নেতৃত্বে নেতা কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে যান। এ সময় কর্মসুচী নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় চেয়ার ভাংচুর ও ব্যানার ছিড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে উভয় পক্ষকে নিভৃত করে। এতে ওই অফিসে আহুত যুবলীগের সভা পন্ড হয়ে যায়। পরে উভয় পক্ষ আলাদা আলাদা ভাবে কর্মসুচী পালন করেছে।
আমতলী উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জাহিদ বলেন, বরগুনা জেলা যুবলীগ নেতৃবৃন্দের অনুমতিক্রমে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়াকে প্রধান এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ মতিয়ার রহমানকে বিশেষ অতিথি করে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন করি। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে সাইফুল ইসলাম বাদল প্যাদা এবং আব্দুস সোবাহান লিটনের নেতৃত্বে যুবলীগ সদস্য নয় এমন কিছু লোকজন নিয়ে অফিস দখল করে। পরে আমরা অফিসে গিয়ে তাদের দেখতে পাই। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরো বলেন, পরে আমরা উপজেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে সভা শেষ করেছি।
উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ সভাপতি প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম বাদল বলেন, আমরা পূর্ব থেকেই আওয়ামীলীগ অফিসে প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালনের আয়োজন করি। কিন্তু আমাদের কর্মসুচীর মধ্যেই যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক কিছু নেতা কর্মী নিয়ে অফিসের চেয়ার ভাংচুর করে এবং ব্যানার ছিড়ে ফেলে। তিনি আরো বলেন, আমরা এর প্রতিবাদে উপজেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছি।
আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনে উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরগুনা জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাপক মোঃ সাহাবুদ্দিন সাবু বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। যাদের কারনে যুবলীগের প্রতিষ্টা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান পন্ড হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।