“খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১” প্রণয়নের কাজ শেষ করে তা সরকারী গ্যাজেটে প্রকাশের জন্য পাঠিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষটি ২০১৯ এ সর্বপ্রথম এ নিয়ে কাজ শুরু করে এবং এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত করেছে প্রবিধানমালাটি। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতাবেক, প্রবিধানমালাটি ইতিমধ্যে সরকারী প্রকাশনা কর্তৃপক্ষ বিজি প্রেসে প্রকাশের অপেক্ষায় আছে।
খাদ্যের সাথে অতিরিক্ত ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণের ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ। বিশ্ব জুড়ে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ মৃত্যু বরণ করছে ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ জনিত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্ব খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির ২০২০ সালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ট্রান্সফ্যাটঘটিত হৃদরোগে মৃত্যুর সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম যেখানে বাংলাদেশে প্রতিবছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীর ৪.৪১% মৃত্যুর জন্য দায়ী খাদ্যের সাথে ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী সকল তেল, চর্বি এবং খাদ্যদ্রব্যে মোট ফ্যাটের সর্বোচ্চ ২ শতাংশ ট্রান্সফ্যাট এর সীমা নির্ধারণ করেছে “খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১”।
ট্রান্স ফ্যাটি এসিড (টিএফএ) বা ট্রান্সফ্যাট এক ধরণের ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিষাক্ত এবং অযাচিত একটি খাদ্য উপাদান। খাদ্যে ট্রান্সফ্যাটের প্রধান উৎস পারশিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল বা পিএইচও, যা বাংলাদেশে ডালডা বা বনস্পতি ঘি নামেই সুপরিচিত। সাধারণত বেকারি পণ্য, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার, ভাজা পোড়া স্ন্যাক্স এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ ও সড়কসংলগ্ন দোকানে খাবার তৈরিতে পিএইচও বা ডালডা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, “আমাদের গবেষকদল ঢাকার ডালডা নমুনার ৯২ শতাংশে ডব্লিউএইচও সুপারিশকৃত ২% মাত্রার চেয়ে বেশি ট্রান্সফ্যাট (ট্রান্স ফ্যাটি এসিড) পেয়েছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। হৃদরোগ ঝুঁকি থেকে রেহাই পেতে ট্রান্সফ্যাট মুক্ত খাবার গ্রহণের বিকল্প নেই।”ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা প্রকাশের অপেক্ষায়
“খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১” প্রণয়নের কাজ শেষ করে তা সরকারী গ্যাজেটে প্রকাশের জন্য পাঠিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষটি ২০১৯ এ সর্বপ্রথম এ নিয়ে কাজ শুরু করে এবং এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত করেছে প্রবিধানমালাটি। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতাবেক, প্রবিধানমালাটি ইতিমধ্যে সরকারী প্রকাশনা কর্তৃপক্ষ বিজি প্রেসে প্রকাশের অপেক্ষায় আছে।
খাদ্যের সাথে অতিরিক্ত ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণের ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ। বিশ্ব জুড়ে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ মৃত্যু বরণ করছে ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ জনিত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্ব খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির ২০২০ সালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ট্রান্সফ্যাটঘটিত হৃদরোগে মৃত্যুর সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম যেখানে বাংলাদেশে প্রতিবছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীর ৪.৪১% মৃত্যুর জন্য দায়ী খাদ্যের সাথে ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী সকল তেল, চর্বি এবং খাদ্যদ্রব্যে মোট ফ্যাটের সর্বোচ্চ ২ শতাংশ ট্রান্সফ্যাট এর সীমা নির্ধারণ করেছে “খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১”।
ট্রান্স ফ্যাটি এসিড (টিএফএ) বা ট্রান্সফ্যাট এক ধরণের ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিষাক্ত এবং অযাচিত একটি খাদ্য উপাদান। খাদ্যে ট্রান্সফ্যাটের প্রধান উৎস পারশিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল বা পিএইচও, যা বাংলাদেশে ডালডা বা বনস্পতি ঘি নামেই সুপরিচিত। সাধারণত বেকারি পণ্য, প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার, ভাজা পোড়া স্ন্যাক্স এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ ও সড়কসংলগ্ন দোকানে খাবার তৈরিতে পিএইচও বা ডালডা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, “আমাদের গবেষকদল ঢাকার ডালডা নমুনার ৯২ শতাংশে ডব্লিউএইচও সুপারিশকৃত ২% মাত্রার চেয়ে বেশি ট্রান্সফ্যাট (ট্রান্স ফ্যাটি এসিড) পেয়েছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। হৃদরোগ ঝুঁকি থেকে রেহাই পেতে ট্রান্সফ্যাট মুক্ত খাবার গ্রহণের বিকল্প নেই।”