পটুয়াখালী প্রতিনিধি
পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাসান শিকদার(৩২)সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছে। আহত হাসান শিকদার বর্তমানের পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌর শহরের ব্যামাগার চত্বরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকালে সন্ত্রাসীরা সাইদুল নামে এক ক্ষুদে ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে। হামলা শেসে ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা প্রায় কোটি টাকা লুটে নিয়েছে হামলাকারীরা। ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে পুলিশ অতিরিক্ত টহলের ব্যবস্থা করেছে।
আহত ছাত্রলীগ নেতা হাসান শিকদার বলেন-সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ০১৭২৩৪৪৪৪১৯ নাম্বার থেকে আকাশ পরিচয়ে একাধিকবার কল দিয়ে হাসানের অবস্থান নিশ্চিত করে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করে। সর্বশেষ দুপুর ১২.৩৬ মিনিটে পূনরায় কল করে হাসানের অবস্থান নিশ্চিত করে অপর প্রান্তের ওই যুবক আকাশ। এসময় হাসান শিকদার ও ছাত্রলীগের সহকর্মীরা শহরের ব্যামাগার এলাকার সাইদুলের চায়ের দোকানে আছে বলে আকাশকে জানায়। এর কিছুক্ষন পরেই হামলার শিকার হয় হাসান ও তার সহকর্মীরা।
হাসান জানায়-কোন কিছু বুঝে ওঠার আগের অন্তত অর্ধশতাধিকের একটি বাহিনী তরিগরি করে সাইদুলের চায়ের দোকানে ঢুকে হামলা ও ভাংচুর শুরু করে। হামলাকালে মিজান ও ওরফে কেচি মিজান, আসাদ,মুন্না,মতিউর রহমান,আরিফ,আকাশ আল-আমিন,ওয়ালি মিরাজ গং হাসান তার সহকর্মীদের এলোপাতারি মারধোর শুরু করে। মারধোরের একপর্যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাসানের গলায় আঘাত করা হলে মারাত্মক জখম হয়।
হাসান আরও বলেন-হামলার পূর্বে ঠিকাদারী কাজের প্রয়োজনে তার স্ত্রী ও নিজ ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় কোটি টাকা উত্তোলন করে বাসায় ফিরছিল হাসান। বাসায় ফেরায় পথেই এ হামলার শিকার হয় এবং হামলাকারীরা শেষে সাথে থাকা পুরো টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে।
হামলাকালে ছাত্রলীগ নেতা হাসানের সাথে থাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইমন হাসান খোকা ও সাবেক সহ-সভাপতি আল-আমিন শিকদার বলেন-আমরা সকলে সাইদুলের চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলাম। এসময় মিজান ও তার লোকজন আমাদের উপর আর্তকিত হামলা চালায়। এসময় কেচি মিজান পিস্তল বেড় করে হাসানের মাথায় তাক করে বিগত দিনের উপার্জন করা অর্থ-সম্পদ দাবী করে। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতি লক্ষ করে মিজান তার বাহিনী নিয়ে সঠকে পরে।
এ প্রসঙ্গে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন-সম্ভবত বিগত দিনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও শত্রæতার জেরে আজকের এই হামলার ঘটনা হয়েছে। এঘটনায় ভিকটিমের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেয়া হলে আইনগত নেয়া হবে। তবে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।