বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বাকেরগঞ্জের কলসকাঠী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ মোঃ মাসুদ খানের বিরুদ্ধে সরকারি সেবা প্রদানের বিনিময়ে অবৈধ ঘুষ দাবি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ করেছেন কলসকাঠী ইউনিয়নের জনকল্যাণমুখী সামাজিক সংগঠন সম্ভাবনার কলসকাঠীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ নেতা ও দৈনিক রাঙা প্রভাত পত্রিকার সহকারী সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান সোহাগ।
তিনি জানান বিগত ১৫ নভেম্বর তারিখে তার পিতার আবেদিত ওয়ারিস সনদে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল সংক্রান্ত বিষয়ে গ্রাম পুলিশ (গুড়িয়া দিয়াতলির দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত) মোঃ মাসুদ খানের সাথে সাখাৎ করতে গেলে তিনি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের বিনিময়ে অভিযোগ কারির নিকট অবৈধ ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগ কারি কামরুল হাসান অবৈধ ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে গ্রাম পুলিশ মোঃ মাসুদ খান কামরুল হাসানের সহিত অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। কামরুল হাসান আরো জানান, তিনি বিষয়টি মৌখিকভাবে কলসকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদারকে জানানোর পরে চেয়ারম্যান তার আবেদন পত্রটি গ্রহন করেন এবং যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে আবেদিত ওয়ারিশ সনদ ইস্যু করা যায় সে বিষয়ে তিনি সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। পাশাপাশি বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।
মোঃ কামরুল হাসান আরো জানান, তিনি উক্ত বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ প্রদানের প্রস্তুুতি নিয়েছেন।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলসকাঠী ইউনিয়নের একাধিক নাগরিক বলেন, উক্ত গ্রাম পুলিশ মোঃ মাসুদ খান সরকারি সেবা প্রদানের নামে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছ থেকে হয়রানির মাধ্যমে অবৈধ ঘুষ গ্রহন করেছেন।
গ্রাম পুলিশ মোঃ মাসুদ খান বিগত বিএনপি জোট সরকারের সময়ে কলসকাঠী ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওগত হোসেন হাওলাদারের নিকটজন হওয়ায় উক্ত পদে তিনি নিয়োগ পান।
সচেতন নাগরিক মহলের দাবি গুটি কয়েক অসুধু কর্মচারির জন্য গোটা আনসার বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে জনগনের নিকট প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেই লক্ষ্যে উক্ত অবৈধ ঘুষ দাবিকারি ও জনগণের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণকারি গ্রাম পুলিশ মোঃ মাসুদ খানের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ খান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।