ডেস্ক নিউজ ঃ
বরিশালের উজিরপুরে প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে স্কুলের জমিতে দোকানঘর নির্মান করেছে প্রভাবশালীরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের ১৪০ নং গড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৃত নুর মোহাম্মদ গোমস্তা গড়িয়া মৌজায় এস,এ ১৯৪ নং দাগে ১৬ শতাংশ ও এস,এ ১৯৫ নং দাগে ১৭ শতাংশ মোট ৩৩ শতাংশ জমি দান করেন।
উক্ত জমিতে ১৯৯০ সালে স্কুলটি স্থাপিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আঃ খালেক রাড়ীর যোগসাজসে ওই এলাকার দাতা সদস্যর ছেলে প্রভাবশালী নাসির গোমস্তা স্কুলের সামনে রাস্তাজুড়ে কয়েকটি পাঁকা টিনসেট দোকানঘড় নির্মান করে।
তাতে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার মাঠ হারাতে হয় এবং চলাচলের রাস্তা অনুপযোগী হয়ে পড়ে। একাধিক ব্যক্তি আরো অভিযোগ করে বলেন নতুন ভবন নির্মানের জন্য কার্যক্রম শুরু করলে পাঁকা দোকানঘরের জন্য জমির সংকুলন দেখা যায়, এতে করে পূর্বের স্কুলটি সিরি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করা হয়। এছাড়াও স্কুলের সন্নিকটে আরো ১৭ শতাংশ জমি প্রভাবশালী নাসির গোমস্তা প্রধান শিক্ষককে আতাত করে দীর্ঘদিন যাবৎ জোড় পূর্ব দখল করে আসছে।
এছাড়াও টিনসেট দোকানঘর নির্মানের সময় স্কুলের রোপিত লক্ষাধিক টাকার মূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিক্রি করেছিল। ওই সময় অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মৃত মোঃ আশ্রাব আলী গোমস্তার ছেলে তৎকালীন সময়ে ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মোঃ জরিহুল ইসলাম গোমস্তা অবৈধ দখলে বাঁধা দিলে তাকে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করেছিল নাসির গোমস্তা ও সহকারী শিক্ষিকা ঝর্ণা বেগম।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আঃ খালেক রাড়ীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি এরিয়ে যান। নাসির গোমস্তার বড় ভাই মোঃ নজরুল গোমস্তা জানান স্কুলের সাথে আমরা মৌখিকভাবে বন্টন করে জমি ভোগদখল করছি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাসলিমা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।