• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরস্বতি পূজা উপলক্ষে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে বসেছে প্রতিমার হাট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২২, ০৭:১০ পূর্বাহ্ণ
সরস্বতি পূজা উপলক্ষে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে বসেছে প্রতিমার হাট

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : সনাতন ধর্মবলম্বীদের বিদ্যার দেবী সরস্বতি। আগামীকাল শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারী) হিন্দু ধর্মীয় মতে অনুষ্ঠিত হবে বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূঁজা। পঞ্জিকা মতে মাঘ মাসের শুক্লাপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে হিন্দু শিক্ষার্থীরা বিদ্যা দেবীর আশির্বাদ লাভের আশায় সরস্বতী পুঁজা করে থাকে। এ পূঁজাকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন স্থানে বসেছে প্রতিমার হাট। বিভিন্ন বয়সের মানুষ এসব হাট থেকে কিনে নিচ্ছেন প্রতিমা। জেলার বাসা-বাড়ী ও বিভিন্ন মন্দিরে পূঁজার আয়োজন করা হচ্ছে। এ পূঁজার প্রধান অনুসঙ্গ হল প্রতিমা। জেলা শহরের গোহাট সার্বজনীন কালীবাড়ীসহ জেলার ৩০টি স্থানে বিভিন্ন স্থনে বসেছে সরস্বতী প্রতিমার হাট। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মুর্তি নির্মাতারা(পাল)এখানে মুর্তি এনে বিক্রি করছেন। এটি জেলার সবচেয়ে বড় প্রতিমার হাট। প্রতিমা বিক্রির জন্য এসব হাটে প্রতিমা নিয়ে এসেছেন প্রতিমা কারিগরেরা। এসব প্রতিমা বেচা-বিক্রি চলবে আগামীকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত। যে যার পছন্দ আর সাধ্য মত কিনছেন প্রতিমা। শিক্ষার্থীরা অধীর আগ্রহে সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন দেবীর পায়ে অঞ্জলী দেবার জন্য। হাটে আনা এক একটি প্রতিমা বিক্রি হচ্ছে আড়াইশো থেকে ৬ হাজার টাকায়। শুধু প্রতিমাই নয় এ হাটে বিক্রি হচ্ছে পূজার অন্যান্য উপকরন। তবে করোনার কারনে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় হাটে আনা এসব প্রতিমার অধিকাংশই থেকে যাচ্ছে অবিক্রিত। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন কারিগরেরা। জেলা শহরের বাসিন্দা গৃহবধূ সম্পা সাহা বলেন, আমার মেয়ের বয়স তিন বছর হলো। এবার তার হাতে খড়ি দিবো। সেজন্য বিদ্যার দেবী মা সরস্বতির আশির্বাদ পাওয়া জন্য ঘরে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিমা কিনতে আসা ক্রেতা কবিতা সাহা, সুজন ঘোষ জানান, প্রতি বছরের মত এ বছর বাড়ীতে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সেজন্য গোহাট সার্বজনীন কালীবাড়ীতে সরস্বতী প্রতিমা কিনতে এসেছি। এখানে ছোট প্রতিমার দাম ২৫০ টাকা থেকে বড় প্রতিমার দাম ৬ হাজার টাকা পয্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। গোপালগঞ্জ শহরের গোহাট সার্বজনীন কালীবাড়ীর হাটে প্রতিমা বিক্রি করতে আসা স্বপন পাল, তপন পাল, দিপক পাল জানান, এসব স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে। সেই সাথে প্রতিমা তৈরীর ব্যবহারিত মাটি, ছোন, রংসহ বিভিন্ন সরঞ্জামের দাম প্রতিবছরই বেড়েই চলছে। হাটে বিক্রি করার জন্য যতগুলো প্রতিমা এনেছি স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় তার অধিকাংশই অবিক্রিত রয়েছে। এতে লোকসানের মুখে পড়েছে আমরা। #