মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এলজিইডির আওতায় ১ কোটি ৫৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪৬৬ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
কাজের শুরুতেই সিডিউল মোতাবেক কাজ না করে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে এবং সঠিকভাবে বালু দিয়ে বেড তৈরী না করেই নিম্নমানের ইট দিয়ে চলছে সড়ক নির্মাণ কাজ- এমনই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪৬৬ টাকা ব্যয়ে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের ডোকলাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ থেকে ডোকলাখালী স্ট্যান্ড পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণ কাজটি পান পটুয়াখালীর মেসার্স রুনাত এন্টারপ্রাইজ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একেবারে নিম্নমানের ইটের খোয়া এবং সঠিকভাবে বালু দিয়ে বেড তৈরী না করে চলছে নির্মাণ কাজ। এছাড়াও পাশের জমি কেটে শোল্ডার তৈরী করায় যেকোন মুহুর্তেই সড়কটি ধ্বসে পড়তে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মহসিন, মো. আবুল হোসেন ও মো. ফারুক খানসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, কাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারক সড়ক তৈরিতে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে আসছে। একাধিকবার নিষেধ করলেও তারা কারও কথা শুনছেনা। ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় তারা তাদের ইচ্ছামত নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ যেন দেখার নাই কেহ।
পটুয়াখালীর মেসার্স রুনাত এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. রাসেল হোসেন বলেন, ১ লাখ ইট কিনলে ২০ হাজার ইট খারাপ হতেই পারে। সিডিউল মোতাবেক কাজ চলছে।
তদারকি কর্মকর্তা উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঠিকাদার কিছু নিম্নমানের ইট এনেছে। সেগুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আশিকুর রহমান জানান, সরেজমিনে গিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
#.