স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) এক ছাত্রীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীর উপর ন্যাক্করজনক হামলার ঘটনার প্রতিবাদে নারী শিক্ষক ও ছাত্রীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫টায় ছাত্রী হলের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। পরে সেখানে গিয়ে ভিসি অধ্যাপক একিউএম মাহবুব ও প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন।
পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলা বিভাগের শিক্ষক জাকিয়া সুলতানা, আইআর বিভাগের শিক্ষক নুসরাত তায়েফ ও জান্নাতুল ফেরদৌস, লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক সোনিয়া পারভেজ, সমাজ বিভাগের শিক্ষক তামান্না রশিদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় বক্তরা সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানায়। অন্যথায় তাদের লাগাতার আন্দোলন চলবে বলেও ঘোষণা দেন।
প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে গণধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী তার বন্ধুর সাথে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নবীনবাগস্থ হেলিপ্যাড থেকে হেঁটে বের হচ্ছিলেন। এ সময় একটি ব্যাটারী চালিত ইজি বাইকে কয়েক জন ব্যক্তি তাদের তুলে নেয়। পরবর্তীতে ৭/৮ জন মিলে তাদের হ্যালিপাডের পাশেই নির্মাণাধীন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন স্কুল ও কলেজের ভবনে নিয়ে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সাথে থাকা তার সহপাঠীকে মারধর করে ওই শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ করে। রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান গোপালগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটা মামলা দায়ের করেন।
এর প্রতিবাদে বহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। পরে বিকালে প্রশাসনের সাথে সমঝোতা বৈঠক হবার পর অবরোধ তুলে নেয়া হয়। কিন্তু কিছু শিক্ষার্থী সড়ক থেকে না সড়লে বরিহাগতদের হামলায় ৮ শিক্ষার্থী আহত হন। ছাত্রী ঘর্ষনের ঘটনায় র্যাব ৬ জন ও গোপালগঞ্জ পুলিশ আরো চার জনকে করে। #