স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় ও হাত বেঁধে প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এসময় ধর্ষকদের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয।
আজ সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) বিকাল সাড়ে ৫টায় জয়বাংলা চত্ত্বরের সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে মুখে কালো কাপড় ও হাত বেঁধে প্রতিবাদ কর্মসুচী পালন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এসময় মৌন নীরবতা পালন করা হয়। কর্মসূচীতে ধর্ষকদের বিচারের দাবী বিভিন্ন ধরনের লেখা প্লাকার্ড প্রদর্শন করে।
এছাড়া ৬ ধর্ষনকারীর কুশপুত্তলিকায় আগুন জ্বালিয়ে দাহ করে শিক্ষাথীরা। এর আগে কুশপুত্তলিকা নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।
প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে গণধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী তার বন্ধুর সাথে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নবীনবাগস্থ হেলিপ্যাড থেকে হেঁটে বের হচ্ছিলেন। এ সময় একটি ব্যাটারী চালিত ইজি বাইকে কয়েক জন ব্যক্তি তাদের তুলে নেয়। পরবর্তীতে ৭/৮ জন মিলে তাদের হ্যালিপাডের পাশেই নির্মাণাধীন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন স্কুল ও কলেজের ভবনে নিয়ে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সাথে থাকা তার সহপাঠীকে মারধর করে ওই শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ করে। রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান গোপালগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটা মামলা দায়ের করেন।
এর প্রতিবাদে বহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। পরে বিকালে প্রশাসনের সাথে সমঝোতা বৈঠক হবার পর অবরোধ তুলে নেয়া হয়। কিন্তু কিছু শিক্ষার্থী সড়ক থেকে না সড়লে বরিহাগতদের হামলায় ৮ শিক্ষার্থী আহত হন। ছাত্রী ঘর্ষনের ঘটনায় র্যাব ৬ জন ও গোপালগঞ্জ পুলিশ আরো চার জনকে করে। #