• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট বোনকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ৮, ২০২২, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আপন ছোট বোন হালিমা খাতুনের (১৩) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আপন বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

আজ মঙ্গলাবার (০৮ মার্চ) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের ছোট দিঘলীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জিল্লুর রহমান হত্যাকান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হালিমা খাতুন কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের ছোট দিঘলীয়া গ্রামে জাকির হোসেনের মেয়ে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ছোট দিঘলীয়া গ্রামের জাকির হোসেন (৫৫) ও তার স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম (৪৫) দম্পতির ২৫ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দু’জনের মাঝে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো।

ঘটনার দিন (৮মার্চ) দুপুর ১২টায় পারিবারিক কলহের জের ধরে জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম বাড়ি থেকে অন্যত্র চলে যায়। এ সময় পারিবারিক কলহ নিয়ে বড় ভাই সিফাতুল্লাহ ও ছোট বোন হালিমা খাতুনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সিফাতুল্লাহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে হালিমা খাতুনের গলা কেটে তাকে হত্যা করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রতিবেশী বলেন, জাকির হোসেন একজন সহজ সরল প্রকৃতির লোক। যার জন্য প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হতো। ঝগড়ার সময় সিফাতুল্লাহ বাবা ও হালিমা খাতুন মায়ের পক্ষ নিতো। সে কারণে সিফাতুল্লাহ তার বোনকে হত্যা করতে পারে।

হালিমা খাতুনের মা নুরুন্নাহার বেগম বলেন, আমি যখন বাড়ি থেকে বের হয়ে যাই তখন সিফাতুল্লাহ, হালিমা ও আমার প্রতিবন্ধী ছেলে শফিউল্লাহ বাড়িতে ছিল। সে সময় পারিবারিক কলহ নিয়ে উভয়ের মাঝে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। আমার ধারণা সিফাতুল্লাহই হালিমাকে হত্যা করেছে।

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো: জিল্লুর রহমান বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো জানা জায়নি। আমরা সিফাতউল্লাকে আটকের চেষ্টা করছি। সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে খুঁজে পেলেই হালিমা হত্যার প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। আমরা হালিমা খাতুনের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। #