• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা বঞ্চিত বরিশালের হিজলা বাসী। পদে পদে ভোগান্তির শিকার রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ২২, ২০২২, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  চিকিৎসা বঞ্চিত বরিশালের হিজলা বাসী। পদে পদে ভোগান্তির শিকার রোগীরা

হিজলা প্রতিনিধি,: বরিশালের হিজলা উপজেলার একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা বঞ্চিত সাধারণ রোগীরা ভোগান্তির শিকার নানাভাবে।

হাসপাতালে হেভি এক্সরে ও ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন থাকলেও বছরের-পর-বছর ডাক্তার বলছে বিকল আবার কখনো বলছে টেকনিশিয়ানের অভাব।

সরকারের দেয়া শতাধিক পদের ঔষদ থাকলেও ডাক্তাররা ৫/৬ পদের ঔষধ লিখে তারমধ্যে ২/১ পদ দিয়ে বাকি ঔষধ বাহির থেকে কিনার জন্য নির্দেশ করে ফার্মাচিস্ট।

দীর্ঘ তিন মাস যাবত হাসপাতালের জরুরি বিভাগ চলছে একজন নার্স দিয়ে।

দুটি এম্বুলেন্স রয়েছে কিন্তু চলছে একটি।

স্টোর কিপার জাকির হোসেন বর্তমানে অফিস সহকারি প্রধানের পদে পদোন্নতি। এখনও ছাড়েনি স্টোর কিপার পদটি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় অনেক ঔষধ স্টোরে আশার আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে স্টোর কিপারের পদটি শূন্য থাকলেও জাকির হোসেন পতি দখল করে আছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালে অনেকেই জানান জাকির ষ্টোর কিপার এ পদটি দখল করে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

অফিস চলাকালীন সময়ে একশত টাকা করে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে ডাক্তাররা।

হাসপাতাল ভর্তি কৃত রোগীরা
পাচ্ছেনা স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট এমনকি টয়লেটের দরজা নেই।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজে নিয়োজিত রাখা রয়েছে কয়েক জন কিন্তু তাদেরকে মনিটরিং করে তাদেরকে দিয়ে কেউ কাজ করে না।

হিজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসারের দশজনের কোঠায় ডাক্তার রয়েছে মাত্র দুইজন, দুইদিন পূর্বে সংযুক্তি হিসেবে যোগদান করেছেন আরো দশজন।

এছাড়াও গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে দীর্ঘ দুই বছর যাবত ডাক্তার নেই। চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত কয়েক হাজার মানুষ।
সপ্তাহে একদিন চতুর্থ শ্রেণীর এক কর্মচারী এসে কিছুক্ষণ থাকে।
বাকি দিনগুলো হাসপাতালটি তালাবদ্ধ।

এসকল বিষয় হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার সাহারাজ হায়াত এক্সরে মেশিন সহ সকল যন্ত্রপাতি সম্পর্কে বলেনএগুলো বছরের-পর-বছর বিকল হয়ে পড়ে আছে যার কারণে আমরা এখানে চেকআপ করতে পারিনা মাঝেমধ্যে ঢাকা থেকে টেকনিশিয়ান এসে দেখে আবার চলে যায় । অফিস চলাকালীন সময় কেন একশত টাকা নেওয়া হয় এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন রোগীরা টাকা দেয় রোগীর থেকে টাকা চাওয়া হয় না।