• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নৌকার বিদ্রোহী শাহে আলম আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী, তৃনমূলে ক্ষোভ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ২৮, ২০২২, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে বড়াকোঠা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর বিরোধিতা করে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করা শাহে আলম হাওলাদার এবার বরাকোঠা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে সভাপতি প্রার্থী হওয়ায় তৃণমূলে ত্যাগী দলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এবার একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে। গতকাল সোমবার সরজমিন ঘুরে জানানযায়, আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দল গোছাতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ। সেই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন করে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করছে উপজেলা আওয়ামীলীগ। প্রতিটি ইউনিয়নে সরব হয়ে উঠেছে দলীয় নেতাকর্মীরা। সভাপতি ও সম্পাদক পদে লড়ছে একাধিক প্রার্থী। এবার বড়াকোঠা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে পদে লড়ছেন নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী শাহে আলম। শাহে আলম ২০১২ সালে ওয়ার্কাসপার্টি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান করেয় ভাগিয়ে নেন দলের সাধারণ সম্পাদক পদটি। এর কয়েকমাস পর নতুন সম্মেলনে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন হলে সেই সময় দলের সভাপতি পদও ভাগিয়ে নেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ হন দলের দুঃ সময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে সেইখানে মনোনয়ন চেয়ে বঞ্চিত হলে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নৌকা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নৌকাকে ডুবাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। সেই সময় তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করলেও অদৃশ্য ইশারায় বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে জেলা আওয়ামীলীগ। পুনরায় বড়াকোঠা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিল শুরু হলে সেই কাউন্সিলে সভাপতি পদ ভাগিয়ে নিতে চালাচ্ছে তোড়জোড়। এনিয়ে তৃনমূল আওয়ামীলীগের ত্যাগী একাধিক নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দলকে সুসংগঠিত করতে নতুনদের জায়গা দেয়া উচিত তাই বলে দলের নির্দেশ অমান্য কারীকে বারবার দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিলে তাহলে দলের দুঃসময়ে হামলা মামলা স্বীকার হয়ে লাভ কি? এবার যদি দল এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আওয়ামীলীগের রাজনীতি থেকে নিজেদরে ঘুটিয়ে নিবো বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে। এত কিছু করার পরও আবারও তাকে দলে সভাপতি দেওয়া হয় তাহলে আমাদের দল করে লাভ কি? নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী শাহে আলমকে দলের কোন পদ না দেওয়ার জন্য উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে দাবী জানান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খোকন সহ একাধিক দুঃ সময়ের নেতাকর্মীরা। এ ব্যাপারে শাহে আলাম হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারি জানান, দলকে সুসংগঠিত করতে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন করা হচ্ছে। দলের দুঃ সময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করে আগামীতে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের কমিটি গঠন করা হবে।