• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরাগায়ন না ঘটায় আমতলীতে তরমুজে ফল আসেনি: হস্ত পরাগায়নের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ৩১, ২০২২, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরাগায়ন না ঘটায় আমতলীতে তরমুজে ফল আসেনি: হস্ত পরাগায়নের পরামর্শ

প্রতিবেদন,আমতলী (বরগুনা)।
বেশী মাত্রায় কীট নাশক প্রয়োগে ফুলে কীট-পতঙ্গ বসেনি। তাই পরাগায়ন না ঘটায় তরমুজ গাছে ফল আসেনি। কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রতিকারে কৃষকরা হস্ত পরাগায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।
আমতলী কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার আঠারোগাছিয়া, হলদিয়া, সদর, চাওড়া, কুকুয়া ও গুলিশাখালী ইউনিয়নে এ বছর ২ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। চাষিদের নিরলস পরিশ্রমে তরমুজ গাছ ভালো হয়েছে। কৃষকরা বাম্পার ফলনের আশায় বুক বেঁধেছিল। কিন্তু তরমুজ গাছে প্রচুর ফুল ধরলেও ফল ধরেনি। এতে কুষকরা দিশেহারা হয়ে পরেছেন। গাছে ফলন না ধরায় শত কোটি টাকা লোকসান হবে বলে দাবী কৃষকদের। উপজেলার অন্তত ৭০ ভাগ তরমুজ খ্েেতর এমন অবস্থা বলে দাবী করেন চাষিরা। গাছে ফলন না আসায় উপজেলার কয়েক হাজার চাষি নিস্ব হয়ে যাবে বলে জানান তারা। বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় তরমুজ গাছে ফল আসেনি এমন শিরোনামে স্ব-চিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে উপজেলা কৃষি বিভাগ। পরে তারা বৃহস্পতিবার সরেজমিনে খেত পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনে তারা নিশ্চিত হয়েছেন বেশী মাত্রায় কীট নাশক প্রয়োগে গাছে কীট পতঙ্গ বসেনি। ফলে পরাগায়ন হয়নি। পরাগায়না না হওয়ায় ফুল আসলেও ফল আসেনি। কৃষি বিভাগ কৃষকদের নিজ উদ্যোগে হস্ত পরাগায়নের পরামর্শ দিয়েছেন।
পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের বাহাউদ্দিন হাওলাদার বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শ মোতাবেক নিজ উদ্যোগে হস্ত পরাগায়ন করেছি। যদি আল্লাহ মুখের দিকে তাকায়।
একই গ্রামের সোহেল রানা বলেন, কৃষি বিভাগের লোকজন সরেজমিনে এসে কৃষকদের নিজ উদ্যোগে হস্ত পরায়গায়নের পরামর্শ দিয়েছেন। ওই অনুসারে কৃষকরা পরাগায়নের চেষ্টা করছে।
পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের কৃষক মজিবর হাওলাদার বলেন, কৃষি স্যারেরা আইছেলে মোরো ব্যাডা ফুল নিয়া মাতারি ফুলে লাগাইতে কইছে। মুই হেইয়্যা হরছি।
আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিএম রেজাউল করিম বলেন, বেশী মাত্রায় কীট নাশক প্রয়োগে ফুলে কীট-পতঙ্গ বসেনি। ফলে পরাগায়নে বিঘ্ন ঘটেছে। কৃষকদের নিজ উদ্যোগে হস্ত পরাগায়নের পরামর্শ দিয়েছি।পরামর্শ অনুসারে কাজ করলে উপকারে আসতে পারে।