হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের হিজলা উপজেলায়কোস্টগার্ডের নির্যাতনের শিকার মৎস্য মাঝি ও স্পিড বোর্ড চালক। মৎস্য দপ্তরের মাঝি ও স্পীডবোড চালককে হাত পা বেঁধে বেদম মারপিট করে হিজলা কোর্ষ্টগাড।
এতে স্পীডবোড চালক মনির সরদার এর একটি পা ভেঙ্গে দেয়।জানাযায় সোমবার মেঘনা নদীতে অভয়াশ্রমে অভিযান পরিচালনা করে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।মৎস্য মাঝি ইয়াসিন ও স্পীডবোড চালক মনির সরদার জানায় তারা অভিযান শেষ করে বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় একটি খালের মধ্যে ট্রলার ও স্পীডবোর্ড রাখার সময় কোষ্টগার্ডের নিয়ে আসা কারেন্ট জাল মৎস্য টলারে রাখে কোস্টগার্ড তখন স্পীডবোড ড্রাইভার মনির কোষ কাকে বলে কেন আমাদের টলারে কারেন্ট জাল দিচ্ছেন বলার সাথে সাথে স্পিড বোর্ড চালক মনিরকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে বলে তোরা নদীতে কারেন্ট জাল পাচার করো।মৎস্য কর্মকর্তা তোদের মাধ্যমে কারেন্ট জাল পাচার করে এ কথা না বললে তোমাদের ফায়ার করা হবে।
কোস্টগার্ডের হামলার শিকার ইয়াসিন বেপারী ও স্পিরিট বোর্ড চালক মনির সরদার বলে প্রাণভিক্ষা চেয়ে কোনভাবে কোস্টগার্ডের হাত থেকে এখনো বেঁচে আছি।
আমাদেরকে যেভাবে মারপিট করা হয়েছে তাতে আমাদের বেঁচে থাকার কথা নয়।
এ বিষয়ে হিজলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন কোষ্টগার্ড বাহিনী মৎস্য দপ্তরের মাঝিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আক্রেশ মূলক এ মারধর করে।ঘটনাটি নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
হিজলা কোষ্টগার্ডেও কন্টিজেন্ট কমান্ডার আবদুর রহমান জানায় আমরা গোপন সংবাদে ভিত্তিতে জানতে পারি অবৈধ কারেন্ট জাল কেনা বেচা হচ্ছে।এই সংবাদ পেয়ে কারেন্ট জাল সহ দুজনকে আটক করি।পরে জানতে পারি তারা মৎস্য দপ্তরের সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে।তখন তাদের দুজনকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে সোর্পদ করি। কেন তাদের হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে
কোস্টগার্ড ফারি হিজলার ইনচার্জ আব্দুর রহমান বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন তারা প্রায়ই অভিযানে জব্দকৃত জাল পাচার করে থাকে।
মৎস্য দপ্তরের মাঝি ও স্পিডবোর্ড চালকের উপর কোস্টগার্ডের হামলার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বকুল চন্দ্র কবিরাজ বলেন বিষয়টি দুঃখজনক