• ২৬শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজলায় ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদেরকে হত্যার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুন ৪, ২০২২, ১৪:৩৮ অপরাহ্ণ

হিজলা প্রতিনিধি : বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী বেলাল ও ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী সোহরাব কে হত্যার হুমকি দিয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চিহ্নিত সন্ত্রাসী ডাকাতি হত্যা চুরি নারী ধর্ষণ সহ দুই ডজন মামলার আসামি বাপ বেটা। আতঙ্কে ধুলখোলা ইউনিয়নের ৩ নং ও ১ নং ওয়ার্ডের ভোটারা।

ধুলখোলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়,ইউপি নির্বাচনে ৩ নং ওয়ার্ডে সদস্যপদে প্রার্থী রতন রাড়ি ওরফে বোবা রতন ১ নং ওয়ার্ডে তার বড় ছেলে লিটন রাঢ়ী। এদের নিত্যদিনের রুটিনের মধ্যে গরু চুরি নারী নির্যাতন ও মানুষ হত্যার মতো জঘন্য কাজ।

২০১৪ সালে দিনেদুপুরে শত শত লোকের উপস্থিতিতে পারাপার খেয়ার মধ্যে বোবা রতন ও তার ছেলে লিটন সহ সংঘবদ্ধ একটি চক্র ধুলখোলা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নান্টু বেপারীকে হত্যা করে।
নান্টু হত্যার পরে স্থানীয়রা রক্তন রাড়ি, তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের চৌদ্দটি ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করে দেয়।

অদৃশ্য কারণেদুই বছরের মাথায় আবার মাটিয়ালা দখল করে নেয় বর্তমানে তিনি মাটিয়ালা এলাকার প্রায় ৫০ একর জায়গা দখল করে‌। তাদের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে পারেন যা পুলিশ প্রশাসন থেকে সকল মহলের অজানা নয়।

নিহত নান্টু বেপারীর ছেলে বাবুল বেপারী ও প্রার্থী বেলালকে নান্টু মেম্বারের মতো হত্যা করে টুকরো টুকরো করে নদীতে ফেলে দেয়ার হুমকি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী বেল্লাল জানায় তার কর্মী নিহত নান্টু বেপারীর ছেলে বাবুল বেপারী আমার সাথে গণসংযোগে গেলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে রতন রাঢ়ী ও তার ছেলেরা।

একইভাবে ১ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য প্রার্থী সোহরাব হোসেনকে প্রাণনাশের হুমকি সহ নানা ধরনের ভয়-ভীতি দেখায় রতন রাড়ির ছেলে ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী লিটন রাড়ি।

এ নিয়ে এই দুইটি ওয়ার্ডের ভোটাররা আতঙ্কিত শঙ্কিত।

এছাড়াও গত বছর বরিশাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাজাহান হোসেন বোবা রতনের আস্তানা থেকে চৌরাশিটি চোরাই গরু-মহিষ উদ্ধার করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছিল।

সচেতন মহলে অনেকেই জানান বাপ-বেটা যদি ধুলখোলা ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয় তাহলে ওই পরিষদ ডাকাতের আস্থানা হবে বলে তাদের ধারণা। তারা আরো বলেন এই ডাকাতদের পেছনে ক্ষমতাসীন দলের কারো না কারো হাত থাকতে পারে।

হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ ইউনুস মিয়া বলেন অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।