স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পরকীয়ার জের ধরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
আজ সোমবার (২০ জুন) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদ শেখ (৪০) মারা যান।
রবিবার (১৯ জুন) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের ধোড়ার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জিল্লুর রহমান হত্যাকান্ডের বিষযটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফরিদ শেখ কোটালীপাড়া উপজেলার ধোড়ার গ্রামের ইয়ার আলী শেখের ছেলে।
ওসি মো: জিল্লুর রহমান জানান, ধোড়ার গ্রামের ইয়ার আলী শেখের ছেলে ফরিদ শেখ (৪০) দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি হোটেলে বাবুর্চির কাজ করতেন। এ সময় ফরিদ শেখের স্ত্রী মুক্তা বেগম (৩৫) একাধিক ব্যক্তির সাথে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ বিষয় নিয়ে তাদের প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত।
এর জের ধরে ফরিদ শেখকে কোপালে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে প্রথমে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এখানে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় ভোর ফরিদ শেখ মারা যায়।
ওসি আরো জানান, কে বা কারা ফরিদ শেখকে হত্যা করেছে সেটি এখনো জানা যায়নি। আমরা ফরিদ শেখের হত্যাকারী এবং কি কারণে হত্যা করেছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।
ফরিদ শেখের বাবা ইয়ার আলী শেখ বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে পুত্রবধূ মুক্তা বেগমের প্রায়ই ঝগড়া হতো। মুক্তা বেগম বিভিন্ন সময়ে আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিতো। এ ঘটনায় আমার ছেলে কোটালীপাড়া থানায় একটি জিডিও করেছিল। আমার ধারণা মুক্তা বেগমই আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। #