• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণের দাবীতে বাউফলে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুন ২৩, ২০২২, ০১:২৬ পূর্বাহ্ণ
ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণের দাবীতে বাউফলে মানববন্ধন

পটুয়াখালীর বাউফলে মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন কালিশুরী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সিংহেরাকাঠী গ্রামের “সিংহেরকাঠী কুরআন সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা”র শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী,ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকাবাসী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। ২২ই জুন বুধবার বেলা ১২ টায় মাদ্রাসার মাঠে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য গত ১৯ জুন রবিবার আনুমানিক দুপুর ২ ঘটিকায় প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে মাদ্রাসাটি। এতে মাদ্রাসার উত্তর ভিটির১৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থের একটি একাডেমিক ভবন সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং মাদ্রাসার অন্য একটি ভবন আংশিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে করে মাদ্রাসার শত শত ছাত্রছাত্রীর অর্ধ-বার্ষিকী পরীক্ষা বাতিল হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়াশুনা হুমকির মুখে পরেছে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেশবপুর ডিগ্রী কলেজের বাংলা বাংলা বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, পশ্চিম সিংহেরকাঠী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল মান্নান ও মো: আব্দুল মোজাম্মেল হোসেন, মো: আব্দুল গফুর সরদার সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মানববন্ধনে উপস্থিত সবাই মাদ্রাসাটিতে অতি দ্রুত একাডেমিক ভবনের ব্যবস্থা করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানান।

সিংহেরাকাঠী কুরআন সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ আবু ইউসুফের সাথে কথা বলে জানা যায়, নদী প্রবন এলাকা হওয়াতে প্রতিবছরই মাদ্রাসাটি কোনো না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ হয় । প্রতিবছর মেরামত করেই চালানো হয় শিক্ষা কার্যক্রম।কিন্তু গত ১৯ তারিখের ঘূর্ণিঝড়ে মাদ্রাসার একটি একাডেমিক ভবন সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। ভবনটিতে ১০ টি শ্রেণীকক্ষ ছিল। মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে প্রায় ৪০০ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে ও ২২ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর রয়েছেন।ভবনটি বিধ্বস্তের কারণে মাদ্রাসার সাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরো জানান, ঘূর্ণিঝড়ে একাডেমিক ভবন বিধ্বস্ত হওয়ায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ গত ২০ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে ৫তলা বিশিষ্ঠ একাডেমিক ভবন চেয়ে একটি লিখিত আবেদন করেন। তিনি পর্যবেক্ষন প্রতিনিধির মাধ্যমে মাদ্রাসাটির ভবন সংস্কারের জন্য সর্বস্তরের সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।